ডাকসু ভিপি আবু সাদিক কায়েম বলেছেন, এক রাজনৈতিক দল নির্বাচন হওয়ার আগেই নিজেদের ক্ষমতায় ঘোষণা করছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, “যারা আবার নব্য ফ্যাসিস্ট হওয়ার স্বপ্ন দেখছে, আবার কেন্দ্র দখল করে মেকানিজম করে নির্বাচন করতে চায়—তাদের পরিণতি হবে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার থেকেও ভয়াবহ।”
শুক্রবার বিকালে ঝিকরগাছার বিএম মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত গণজমায়েতে প্রধান বক্তা হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
সাদিক কায়েম বলেন, “জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে আমরা নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি। তরুণরা বারবার ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে—এবার ভোটের মাধ্যমে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার সময় এসেছে। তাই নির্বাচনের দিন সবাইকে একসঙ্গে মিলে কেন্দ্র পাহারা দিতে হবে।”
তিনি বলেন, “আমরা এমন একটি রাজনীতির দৃষ্টান্ত তৈরি করতে চাই, যা হবে গরিবের জন্য, সমতার জন্য, মুক্তির জন্য এবং ইসলামের পক্ষে।”
ইনসাফ প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত জুলাইয়ের আন্দোলন চলবে মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, “এখনো শেখ হাসিনাকে দায়মুক্তি দেওয়ার চেষ্টা চলছে। খুনি হাসিনার রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলবে না। বাংলাদেশে রাজনীতি করবে তারাই, যারা বাংলাদেশপন্থি।”
দেশের চিকিৎসাব্যবস্থার ভঙ্গুর অবস্থা তুলে ধরে তিনি বলেন, “চিকিৎসা খাতের আমূল সংস্কার প্রয়োজন। সব হাসপাতালকে সিন্ডিকেটমুক্ত করতে হবে।”
গণজমায়েতে যশোর জেলা পশ্চিমের সভাপতি মো. ইসমাইল হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত যশোর-২ (চৌগাছা-ঝিকরগাছা) আসনের প্রার্থী ডা. মোসলেহ উদ্দীন ফরিদ।
মোসলেহ উদ্দীন ফরিদকে ‘জুলাইযোদ্ধা’ আখ্যা দিয়ে সাদিক কায়েম বলেন, “সত্যকে বিজয়ী করতে, স্বপ্নের চৌগাছা-ঝিকরগাছা গড়তে আমাদের ফরিদ ভাইকে প্রয়োজন।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর ক্রীড়া সম্পাদক আরমান হোসেন, যশোর-১ আসনের প্রার্থী মাওলানা আজিজুর রহমান, যশোর-৩-এর প্রার্থী আব্দুল কাদের এবং যশোর-৫-এর প্রার্থী গাজী এনামুল হক।