ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি বলেছেন, আঠারো কোটি মানুষ আজ আদালতের দিকে তাকিয়ে আছে—ইনসাফ ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে এই প্রত্যাশায়। যদি প্রকৃত ন্যায়বিচার হয়, তাহলে গণহত্যার দায়ে শেখ হাসিনার সর্বোচ্চ শাস্তির বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
সোমবার (১৭ নভেম্বর) সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
হাদি বলেন,
“হেলিকপ্টার থেকে গুলি চালিয়ে ৬ বছরের শিশুকে পর্যন্ত হত্যা করা হয়েছে। মানুষের মাথা উড়ে গেছে। মানুষের চোখের সামনে লাশ পোড়ানো হয়েছে। এই নৃশংসতা আমরা এক বছর আগেই দেখেছি। আজ আদালত ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে পারলে শুধু বাংলাদেশের নয়, বিশ্ব ইতিহাসেও নজির স্থাপন করবে।”
তিনি আরও বলেন, পৃথিবীর কোনো স্বৈরাচার আইনের ঊর্ধ্বে নয়। ভবিষ্যতে যারা দেশ পরিচালনা করবে তাদের জন্য আজকের রায় একটি স্থায়ী শিক্ষা হবে—ক্ষমতা যতই থাকুক কোনো অপরাধী বিচার এড়াতে পারবে না।
হাদির দাবি,
“আমরা বিশ্বাস করি আদালত সর্বোচ্চ শাস্তির রায় দেবে এবং দ্রুত তা কার্যকর করা হবে। যদি আদালতে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত না হয়, তাহলে শহীদ পরিবারের সঙ্গে নিয়ে আমরা আইনি লড়াই চালিয়ে যাব। আমরা ২০১৩ সালের মতো শাহবাগতন্ত্র চাই না। আমরা বলি—বিচার চাই, এবং সেই বিচার আদালতের মাধ্যমে ন্যায়সঙ্গতভাবে চাই।”