বহিষ্কার ও স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করা মোট ৪০ জন নেতাকে দলে পুনর্বহাল করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। রোববার (৯ নভেম্বর) বিকেলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত দুটি পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রথম বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিগত সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে প্রার্থী হওয়ায় যেসব নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছিল, তাদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে পুনরায় দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এদের মধ্যে রয়েছেন সিলেট মহানগর বিএনপির বিভিন্ন ওয়ার্ডের ৩৭ জন নেতা—যাদের মধ্যে অন্যতম সৈয়দ তৌফিকুল হাদী, মুফতি কমর উদ্দিন কামু, মিজানুর রহমান মিঠু, খালেদ আকবর চৌধুরী, আমিনুর রহমান খোকন, শাহেদ সিরাজ, ফরহাদ চৌধুরী শামীম, বদরুল আজাদ রানা, মামুনুর রহমান মামুন, অ্যাডভোকেট রুকশানা বেগম শাহনাজ, অ্যাডভোকেট হেদায়েত হোসেন তানভীরসহ একাধিক ওয়ার্ডের নেতারা।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, এদের মধ্যে অনেকেই দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে প্রাথমিক সদস্যসহ সব পদ থেকে বহিষ্কৃত ছিলেন। তবে তাদের আবেদন বিবেচনা করে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
দ্বিতীয় বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সুলতানা রাজিয়া ব্যক্তিগত কারণে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছিলেন। পরবর্তীতে তার আবেদন পর্যালোচনা শেষে তাকে দলে পুনরায় প্রাথমিক সদস্যপদ ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বিএনপি সূত্র জানায়, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে সংগঠন পুনর্গঠন ও তৃণমূল নেতৃত্বে ঐক্য ফিরিয়ে আনতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দলটির নেতারা মনে করছেন, পুনর্বহালের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে বিভক্তি কমে সংগঠন আরও শক্তিশালী হবে।
দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে জানানো হয়, বিএনপি সর্বদা সংশোধনের সুযোগে বিশ্বাসী একটি গণতান্ত্রিক সংগঠন। যারা অতীতে ভুল করেছেন কিন্তু এখন সংগঠনের আদর্শে ফিরে আসতে চান—তাদের জন্য দলীয় দরজা খোলা।