বুধবার (৫ নভেম্বর) সকালে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি-র আমীর ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছিলেন, “নির্বাচন না হলে জনগণকে নিয়ে ফেব্রুয়ারিতেই তা আদায় করে নেওয়া হবে”।
তার মতে, আগামী জাতীয় নির্বাচনের বৈধতা এবং জুলাই সনদ-র আইনি ভিত্তি নিশ্চিত করার জন্য প্রথমে গণভোট আয়োজন অপরিহার্য। তিনি বলেন, “জাতীয় নির্বাচনকে বৈধতা দিতে হলে এবং জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দিতে হলে আগে গণভোট করতে হবে।”
শফিকুর রহমান আরো জানান, আগামী নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-র থাকার সুযোগ নেই; এছাড়া তাদেরকে নির্বাচনে যুক্ত করার প্রশ্নই আসে না। তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ নিজেই নির্বাচন চায় না, তাদেরকে নির্বাচনমুখী দল ভাবার বিষয় নেই।”
তিনি নির্বাচনী পদ্ধতি প্রসঙ্গে প্রার্থনা করেন, “পিআর পদ্ধতিই শ্রেষ্ঠ, আশা করি জনগণ এটা সমর্থন করবে।” পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, গণভোট হলে এবং জুলাই সনদ কার্যকর হলে — নির্বাচন হবে প্রকৃত অর্থে জনভিত্তিক ও সম্মানজনক।
সংক্ষেপে বলা যায়, জামায়াতে ইসলামের নতুন ওই রাজনৈতিক ঘোষণা তুলে ধরছে — প্রথমে গণভোট, তারপর নির্বাচন। এই পরিকল্পনায় তারা বেছে নিয়েছেন ফেব্রুয়ারি সময়সীমা এবং জোট বা বৃহত্তর অংশীদারিত্ব ছাড়াই নিজস্ব সিদ্ধান্তে এগিয়ে যেতে।
যদিও বিশ্লেষকরা বলছেন, এই রূপায়ণে রাজনৈতিক বাস্তবতা, আইন-ব্যবস্থা ও নির্বাচন কমিশন-পরিকাঠামো কতটা সমর্থন দেবে তা এখনো প্রশ্নবহুল।