বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

যারা প্রকৃত বিএনপি কর্মী, তারা কখনো বিএনপিকে ভাঙতে দেবেন না : তারেক রহমান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ধানের শীষের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে দফায় দফায় মতবিনিময় করছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দলের ঐক্য রক্ষা ও নির্বাচনী প্রস্তুতির অংশ হিসেবে তিনি মনোনয়নপ্রত্যাশীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, দল যাকেই মনোনয়ন দিক, তার পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, “যারা প্রকৃত বিএনপি কর্মী, তারা কখনো বিএনপিকে ভাঙতে দেবেন না। দল […]

যারা প্রকৃত বিএনপি কর্মী, তারা কখনো বিএনপিকে ভাঙতে দেবেন না : তারেক রহমান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৮ অক্টোবর ২০২৫, ০৪:০২

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ধানের শীষের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে দফায় দফায় মতবিনিময় করছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দলের ঐক্য রক্ষা ও নির্বাচনী প্রস্তুতির অংশ হিসেবে তিনি মনোনয়নপ্রত্যাশীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, দল যাকেই মনোনয়ন দিক, তার পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, “যারা প্রকৃত বিএনপি কর্মী, তারা কখনো বিএনপিকে ভাঙতে দেবেন না। দল ও দেশের স্বার্থে সবাইকে একসঙ্গে থাকতে হবে।”

সোমবার (২৭ অক্টোবর) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দ্বিতীয় দিনের মতো ধানের শীষের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি। এই বৈঠকে গণমাধ্যমের প্রবেশাধিকার ছিল না, তবে উপস্থিত নেতাদের মাধ্যমে জানা যায়, তারেক রহমান দীর্ঘ সময় ধরে নির্বাচনী প্রস্তুতি ও সাংগঠনিক ঐক্যের গুরুত্ব নিয়ে বক্তব্য রাখেন।

তিনি বলেন, “এবারের নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নানা দিক বিবেচনা করে প্রার্থী বাছাই করা হচ্ছে। প্রার্থী ঘোষণার পর প্রত্যেকে নিজ নিজ আসনে ফিরে গিয়ে স্থানীয় সহকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবেন। কারণ স্থানীয় পর্যায়ের সহযোগিতা ছাড়া কোনো নির্বাচনী লড়াই সম্ভব নয়।”

বিএনপি নেতাদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানা গেছে, তারেক রহমান মনোনয়ন বঞ্চিতদেরও বিকল্পভাবে মূল্যায়নের আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, “যাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, তার পাশে থেকে কাজ করতে হবে। দলীয় সিদ্ধান্ত মানা প্রত্যেক নেতার দায়িত্ব।”

বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমদ, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, এবং দফতরের দায়িত্বে থাকা রুহুল কবির রিজভী আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

বিকেল ৪টা থেকে বৈঠক শুরু হয় বরিশাল ও রাজশাহী বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের দিয়ে। এরপর সন্ধ্যা ৬টায় হয় খুলনা ও সিলেট বিভাগের প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়, এবং রাত ৮টায় শুরু হয় ঢাকা বিভাগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক।

সূত্র জানায়, বৈঠকের শুরুতে মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেন, “দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে কেউ বিশৃঙ্খলা করলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তিনি সবাইকে দলীয় নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানান।

এদিকে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত মাঠ পর্যায়ের অনেক নেতা নিজেদের মতামত বা সাংগঠনিক বাস্তবতা তুলে ধরার সুযোগ না পাওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন বলেন, “তারেক রহমানের সামনে আমরা সচরাচর আসতে পারি না। তাই এলাকার সমস্যা, সম্ভাবনা ও বাস্তব অবস্থা জানাতে চেয়েছিলাম। কিন্তু কোনো বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি।”

রাজশাহী বিভাগের উপস্থিত নেতাদের মধ্যে ছিলেন মিজানুর রহমান মিনু, মেজর জেনারেল (অব.) শরিফ উদ্দিন, অ্যাডভোকেট সুলতানুল ইসলাম তারেক, ব্যারিস্টার মাহফুজুর রহমান মিলন, অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ইশা, সৈয়দ শাহীন শওকত, অধ্যাপক কামাল হোসেন ও আবু সাঈদ চাঁদ।

বরিশাল বিভাগের প্রতিনিধিদের মধ্যে ছিলেন জহির উদ্দিন স্বপন (বরিশাল–১), রওনাকুল ইসলাম টিপু (বরিশাল–২), রাজীব আহসান (বরিশাল–৪), নজরুল ইসলাম খান (পিরোজপুর–১), গোলাম নবী আলমগীর (ভোলা–১), আলতাফ হোসেন চৌধুরী (পটুয়াখালী–১), নুরুল ইসলাম নয়ন (ভোলা–২) ও নাজিম উদ্দীন আলম (ভোলা–১)।

বৈঠক ঘিরে গুলশান কার্যালয়ের বাইরে দুপুর থেকেই বরিশাল ও রাজশাহী বিভাগের কয়েক হাজার নেতাকর্মী অবস্থান নেন। দলীয়ভাবে জনসমাগম না করার নির্দেশনা থাকলেও বিভিন্ন আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সমর্থকরা সেখানে জড়ো হন, ফলে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়।

বৈঠকের এক পর্যায়ে তারেক রহমান বলেন, “আমাদের শত্রু অদৃশ্য— যাদের আমরা দেখতে পাই না। দেশি ও বিদেশি অদৃশ্য শক্তির সঙ্গে আমাদের লড়তে হবে। তাই দলীয় ঐক্যই এখন সবচেয়ে বড় অস্ত্র।”

তিনি আহ্বান জানান, দলের প্রতিটি স্তরে শৃঙ্খলা ও ঐক্যের সংস্কৃতি পুনরুদ্ধার করতে, যাতে নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে শক্ত অবস্থানে যেতে পারে।

তারেক রহমানের বক্তব্যে স্পষ্ট বার্তা ছিল— বিএনপি এখন ঐক্যবদ্ধ না হলে দল ও জাতি উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু নির্বাচনে অংশ নেওয়া নয়, বরং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করা।”

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৬৯৪৬

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৬৯৪৬

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৩৯৯৭

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৬৯৪৬