বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষের কাছে বিএনপি জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে। তিনি বলেন, “তৃণমূলের চায়ের দোকান থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি ওয়ার্ডে বিএনপির যে সৎ, নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীরা আছেন, তারাই দলের মুখ। তাদের মাধ্যমে মানুষ বিএনপিকে চেনে, ভালোবাসে এবং বিশ্বাস করে।”
শনিবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইল ক্লাবে বিএনপির নেতাকর্মীদের নিয়ে আয়োজিত নির্বাচনী মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সুলতান টুকু বলেন, “একটা দলের নেতা ভালো থাকলে সেই দলে কর্মী বা ভোটের অভাব হয় না। বিএনপির নেতাকর্মীরা নিজেদের জীবন বাজি রেখে দলের স্বার্থে কাজ করছেন। ২৪-এর জুলাই আন্দোলনে তিন শতাধিক নেতাকর্মী শহিদ হয়েছেন, তারপরও দলের জনপ্রিয়তা একটুও কমেনি।”
তিনি বলেন, “জনপ্রিয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ফ্যাসিস্ট সরকার ছয় বছরেরও বেশি সময় ধরে অবৈধভাবে কারাগারে রেখেছে। কিন্তু তিনি কখনও আপস করেননি, মাথা নত করেননি, দেশ ছেড়ে পালাননি। সোনা যেমন আগুনে পুড়ে খাটি হয়, তেমনি বিএনপির নেতা-কর্মীরাও আজ ইস্পাতের চেয়েও দৃঢ়।”
বিএনপিকে পরাজিত করা অসম্ভব দাবি করে তিনি বলেন, “আল্লাহর রহমতে এমন কোনো শক্তি বাংলাদেশে নেই, যারা বিএনপিকে পরাজিত করতে পারবে। শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমান কখনও জনগণের বিপক্ষে যাননি। বিএনপিই একমাত্র দল, যারা দেশের গণতন্ত্রকে লালন করে।”
জামায়াতে ইসলামীর প্রসঙ্গে টুকু বলেন, “দুই দিন আগে তারা মাফ চেয়েছে। যারা গণহত্যা ও মা-বোনের ইজ্জত নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে, তাদের মুখে জনগণের কথা মানায় না।” তিনি আরও বলেন, “এরশাদ স্বৈরাচার ছিল, তার পতন হয়েছে। শেখ হাসিনাও তার বাবার মতো বাকশাল কায়েম করতে চেয়েছিল, শেষ পর্যন্ত তিনিও স্বৈরাচারে পরিণত হয়েছেন।”
সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু। আরও বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান খান শফিক, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, শহর বিএনপির সহসভাপতি শাহীন আকন্দ প্রমুখ। পরে সুলতান টুকু করটিয়ায় হুইলচেয়ার বিতরণ, কৃষক সমাবেশ ও বিএনপির ৩১ দফা প্রচার শেষে বিশাল মোটরসাইকেল শোডাউনে অংশ নেন।