মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে যাবে : রুমিন ফারহানা

দেশজুড়ে চাঁদাবাজির সঙ্গে নাম জড়াচ্ছে বিএনপির। তবে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে বিএনপির বিরুদ্ধে জনগণের নেতিবাচক পারসেপশন তৈরি করছে অন্তর্বর্তী সরকার। এটিকে সরকারের একটি কৌশল বলে উল্লেখ করেছেন বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা। সম্প্রতি একটি টকশোতে উপস্থিত হয়ে এসব কথা বলেন তিনি। চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘দেখুন আমাদের সাড়ে সাত হাজার নেতাকর্মী বহিষ্কার […]

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে যাবে : রুমিন ফারহানা

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৭ অক্টোবর ২০২৫, ২১:২৫

দেশজুড়ে চাঁদাবাজির সঙ্গে নাম জড়াচ্ছে বিএনপির। তবে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে বিএনপির বিরুদ্ধে জনগণের নেতিবাচক পারসেপশন তৈরি করছে অন্তর্বর্তী সরকার। এটিকে সরকারের একটি কৌশল বলে উল্লেখ করেছেন বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা।

সম্প্রতি একটি টকশোতে উপস্থিত হয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘দেখুন আমাদের সাড়ে সাত হাজার নেতাকর্মী বহিষ্কার হয়েছে। আমাদের সম্মানিত ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আজকে পরিষ্কার করে বলেছেন। এদের সবাই যে চাঁদাবাজির জন্য বহিষ্কার হয়েছে তা কিন্তু না। অনেক সময় দেখা গেছে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের ব্যাপার আছে।’

তিনি বলেন, ‘দলের নির্দেশ না মানার ব্যাপার আছে, ইত্যাদি ইত্যাদি কারণেও কারো কারো পদ স্থগিত হয়েছে বা তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে যে কথাটি আমরা দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছি বাংলাদেশে একটি সরকার আছে বাংলাদেশে আইন আছে প্রচলিত আইনে এগুলো সব সবগুলোই ফৌজদারী অপরাধ।

তো ফৌজদারী অপরাধে যিনি অপরাধী তার ব্যাপারে তো বিএনপি কখনো বলতে যায় নাই সরকারকে যে আমার দলের যদি কেউ হয় আপনি সেখানে আইনের প্রয়োগটা করবেন না, আমার দলের যদি হয় তাহলে আপনি তাকে অ্যারেস্ট করতে পারবেন না, তার বিরুদ্ধে এফআইআর দায় মামলা দায়ের করতে পারবেন না, এটা তো কোথাও বলা হয় নাই।’

রুমিন আরও বলেন, ‘দেশের যেকোনো অপরাধ নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব সরকারের। যদি বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় থেকে নিজের নেতাকর্মীদের অপরাধের সময় বিএনপি যদি একটা নির্বিকার আচরণ করে, যদি বিএনপি নেতাকর্মীদের অপরাধ পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যদি কোনো অ্যাকশন নিতে যায় তখন যদি বিএনপি সেখানে বাধা দেয়, তখন বলতে পারবেন যে বিএনপির নেতাকর্মীদের এই ধরনের অপরাধকে বিএনপি প্রশ্রয় দিচ্ছে। কিন্তু সেই অবস্থা তো এখনো তৈরি হয় নাই।’

দেশজুড়ে বিএনপি নেতাকর্মীরা চাঁদাবাজিতে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ রয়েছে, যা নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না দলটি। তবে রুমিনের মতে, এর ব্যর্থতা অনেকটা অন্তর্বর্তী সরকারের উপরও বর্তায়।

রুমিন জানান, সরকার ইচ্ছা করেই চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে সেভাবে ব্যবস্থা নিচ্ছে না। বিএনপির ওপর এই অভিযোগের পাহাড়গুলো চাপতে থাকুক, এটাই চায় সরকার।

রুমিন বলেন, ‘পলিটিক্স পারসেপশনের ভীষণ গুরুত্ব আছে রাজনীতিতে। সরকার চাইছে যে বিএনপি চাঁদাবাজি করে এই পারসেপশনটা সব সর্বত্র থাকুক। সে কারণেই সরকার চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কোনো তড়িৎ পদক্ষেপ নিচ্ছে না।’

সোশ্যাল মিডিয়াতেও বট বাহিনীর মাধ্যমে বিএনপির চরিত্র হনন চলছে উল্লেখ করে রুমিন বলেন, ‘শত শত বট আইডি। একজন কর্মীর হাজারটা বট আইডি থাকবে সে তার দলের প্রোপাগান্ডা এবং ভিন্ন দলের নেতাকর্মীদের চরিত্রহনন করেছে। এটা বিএনপি করতে পারে নাই। এখন বট আইডি খুলে প্রচারণা চালানো আমরা পারি নাই। এটা যদি ব্যর্থতা হয়ে থাকে আমাদের।’

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে এসব অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে যাবে উল্লেখ করে রুমিন বলেন, ‘আমি একেবারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মিটিং থেকে আপনাকে বলি, তারেক রহমান আরও বহু মাস

আগে আমাদের এলাকায় যে উনি কর্মীসভা করেছেন উনি বলেছেন যে আমরা যদি সরকার গঠন করতে পারি আমাদের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এরকম কোনো অভিযোগ আসলে আমরা নিজে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেব। দল থেকে তো বহিষ্কার হবেই হবে উলটো আইনগত ব্যবস্থাও আমরা নিজেরা নেব।’

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০২

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০২

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৩৪

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৩৪