বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আ.লীগ নেতাকর্মীদের হাসিনার নির্দেশ,নিউইয়র্ক থেকে কেউ যেন ‘অক্ষত ফিরতে না পারে’

যুক্তরাষ্ট্রে সফররত প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও তার সফরসঙ্গীদের সরাসরি আক্রমণের নির্দেশ দিয়েছেন ভারতে পালিয়ে থাকা পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনা। নিউ ইয়র্ক আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে হাসিনা এ নির্দেশনা দেন। দলের নেতাকর্মীদের তিনি বলেন, কেউ যেন অক্ষত ফিরতে না পারে। হাসিনার নির্দেশনার পর বাংলাদেশে কার্যক্রমনিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা প্রধান উপদেষ্টা ও […]

আ.লীগ নেতাকর্মীদের হাসিনার নির্দেশ,নিউইয়র্ক থেকে কেউ যেন ‘অক্ষত ফিরতে না পারে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৮:৫২

যুক্তরাষ্ট্রে সফররত প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও তার সফরসঙ্গীদের সরাসরি আক্রমণের নির্দেশ দিয়েছেন ভারতে পালিয়ে থাকা পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনা। নিউ ইয়র্ক আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে হাসিনা এ নির্দেশনা দেন। দলের নেতাকর্মীদের তিনি বলেন, কেউ যেন অক্ষত ফিরতে না পারে।

হাসিনার নির্দেশনার পর বাংলাদেশে কার্যক্রমনিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা প্রধান উপদেষ্টা ও তার সফরসঙ্গী রাজনৈতিক নেতাদের হেনস্তার প্রকাশ্য ঘোষণা দিয়েছেন। আজ শুক্রবার প্রধান উপদেষ্টার ভাষণকে কেন্দ্র করে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সামনে ব্যাপক উপস্থিতি ঘটানোর মাধ্যমে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পরিকল্পনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ। এদিকে গত বুধবার রাতে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা হোটেল লবিতে গিয়ে এনসিপি নেতা আখতার হোসেনকে গালিগালাজ ও হত্যার হুমকি দেন। আখতার এটিসহ বিমানবন্দরে হামলার ঘটনা উল্লেখ করে নিউ ইয়র্কের স্থানীয় একটি থানায় মামলা করেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ‘বিশেষ সুবিধা’ পেতে মানবাধিকারকর্মী পরিচয়ের আড়ালে ইতোমধ্যে বিদেশি নাগরিক ভাড়া করেছে। বিষয়টি নিউ ইয়র্কের বাংলাদেশ কনসাল জেনারেল কার্যালয় ইতোমধ্যে অবহিত হয়েছে। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা এদিন জাতিসংঘের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শনের পাশাপাশি জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ উল্লেখ করে পুস্তিকা বিতরণ করবে। অন্যদিকে বিমানবন্দরে হামলার ঘটনার সব ভিডিও ফুটেজ মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টে জমা দিয়েছে কনসাল জেনারেল কার্যালয়। প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে নির্দেশনা পেয়ে কনসাল জেনারেল কার্যালয় আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিষয়ে স্টেট ডিপার্টমেন্টকে জানিয়েছে।

‘একটাও যাতে অক্ষত ফিরতে না পারে’

স্থানীয় সময় আজ শুক্রবার দুপুর ১টায় জাতিসংঘের ৮০তম সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা। ওই সময় তার সফরসঙ্গী রাজনৈতিক নেতারাও উপস্থিত থাকবেন। বর্তমানে তারা জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সন্নিকটে হোটেল আল হায়াতে অবস্থান করছেন।

এদিন জাতিসংঘের সামনে ব্যাপক উপস্থিতি ঘটিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ। তাদের সঙ্গে রয়েছে জুলাই বিপ্লবের পর বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নেওয়া দলের নেতাকর্মীরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত তিন দিন ধরে নিউ ইয়র্কের বিভিন্ন এলাকায় কমপক্ষে আটটি ঘরোয়া বৈঠক করে এসব বিষয়ে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

নিউ ইয়র্কে অবস্থিত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল কার্যালয়ের কর্মকর্তা, আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা ও সভায় অংশ নেওয়া কয়েকটি গণমাধ্যমের প্রতিনিধি আমার দেশকে জানান, প্রতিটি সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন ভারতে পালিয়ে থাকা হাসিনা ও তার ছেলে মার্কিন নাগরিক সজীব ওয়াজেদ জয়। একটি সভায় হাসিনা প্রধান উপদেষ্টাসহ তার সফরসঙ্গী রাজনীতিকদের আক্রমণ করার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, ওরা কেউ যাতে অক্ষত যেতে না পারে; তোমরা সব ব্যবস্থা করবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরো জানা গেছে, এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য যুক্তরাষ্ট্র শাখা আওয়ামী লীগ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমানের মাধ্যমে অর্থের জোগান দিচ্ছেন জয়। জয় কিছুদিন আগে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব নেন।

জেকসন হাইটস এলাকায় দুদিন আগে হওয়া একটি সভায় উপস্থিত থাকা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগের এক কর্মী আমার দেশকে জানান, বৈঠক শুরুর কিছু সময় পর যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ভিডিও কল করেন শেখ হাসিনার কাছে। বিমানবন্দরে বাংলাদেশি রাজনীতিবিদদের সফলভাবে হেনস্তা করার জন্য আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ দেন তিনি। সামনের কর্মসূচিগুলোও তিনি ওইদিনের মতোই সফল করতে বলেন। এ সময় হাসিনা বলেন, কোনোভাবেই কেউ যাতে অক্ষত ফিরতে না পারে, সে ধরনের পদক্ষেপ নিতে হবে।

আওয়ামী লীগের ওই কর্মী আরো জানান, সভাটিতে সিদ্দিকুর রহমানের স্ত্রীও উপস্থিত ছিলেন। শেখ হাসিনার নির্দেশনায় আপত্তি করে তিনি বলেন, আইন ভাঙা যাবে না। আইনের ভেতরে থেকেই সর্বোচ্চটা করতে হবে। এ পর্যায়ে শেখ হাসিনা চিৎকার ও চেঁচামেচি করে ওঠেন। তিনি বলেন, ওদের (অন্তর্বর্তী সরকার) জন্য আবার দরদ কীসের? ওরা আইন দেখে আমাদের মারছে নাকি? ওরা তো আমাদের কিছুই আর বাকি রাখেনি। ওদের একটাকেও আমি ছাড়ব না। ওই সময় শেখ হাসিনার বক্তব্য ও আচরণ অসংলগ্ন ছিল।

বাংলাদেশি কমিউনিটিতে উৎকণ্ঠা

নিউ ইয়র্কের বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে মহড়া দিচ্ছেন আ.লীগ নেতাকর্মীরা। এতে অস্বস্তি বোধ করছেন যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বাংলাদেশ কমিউনিটির লোকজন। জেকসন হাইটস, জামেইকা ও এলমার্স্ট এলাকায় বসবাসকারী কয়েকজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিকের সঙ্গে কথা বলে আমার দেশ। আলাপের সময় তারা এ অস্বস্তি বোধ করার কথা জানান।

জামেইকার অধিবাসী ওয়ালিউল্লাহ পাটোয়ারী নিউ ইয়র্কে ফেডারেল সরকারের একজন কর্মকর্তা। আমার দেশকে তিনি বলেন, এখানে জন্ম, বেড়ে ওঠা, পড়াশোনা এবং এখন চাকরি করছি। আমার পূর্বপুরুষ, মানে বাবা-মা ও দাদা-দাদির দেশ বাংলাদেশ। স্বাভাবিকভাবেই বাংলাদেশের যে কোনো ঘটনা বা সংবাদের প্রতি একটি বিশেষ আকর্ষণ থাকে। ভালো কোনো খবর খুব কমই কানে আসে। যা শুনি, সবই হতাশাজনক।

তিনি আরো বলেন, প্রতি বছর জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন ঘিরে নিউ ইয়র্কে ব্যাপক আয়োজন থাকে। বিশ্বের প্রায় সব দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান এখানে আসেন। এখানে বহু জাতি ও সংস্কৃতির লোক বসবাস করছে। কোনো দেশের নাগরিক এমন বিক্ষোভ কিংবা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে না, যেটা বাংলাদেশের নাগরিকরা করে থাকে। বাংলাদেশের বিষয়ে প্রতি বছরই নিউইয়র্ক প্রশাসনকে বাড়তি মনোযোগ দিতে হয়। এটা আমার জন্য লজ্জা ও বেদনার।

এলমার্স্ট এলাকার অধিবাসী লোকমান হোসেন বলেন, সংঘাত ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ঘটনা আমাদের অন্য দেশের নাগরিকদের কাছে প্রশ্নের মুখে ফেলে দেয়।

হামলার ভিডিও ফুটেজ স্টেট ডিপার্টমেন্টে জমা

জন এফকে বিমানবন্দরে প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গী বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে নাজেহাল ও গালিগালাজ এবং এনসিপি নেতা আখতার হোসেনের ওপর হামলার ঘটনার বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে কনসাল জেনারেলকে ওইদিনই নির্দেশ দেন প্রধান উপদেষ্টা। মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টকে বিষয়টি জানানোর পর তারা ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ কনসাল জেনারেল কার্যালয়ে সব ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করে স্টেট ডিপার্টমেন্টে জমা দিয়েছে। কর্তৃপক্ষ তাদের নিজস্ব আইন ও পদ্ধতি অনুযায়ী কার্যকর পদক্ষেপ নেবে বলে কনসাল জেনারেলকে জানিয়েছে।

কনসাল জেনারেল কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তা আমার দেশকে জানান, আমরা জানতে পেরেছি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকারী আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে বাংলাদেশের নাগরিকদের পাশাপাশি অন্য দেশের নাগরিকদেরও ভাড়া করেছে। তারাও মানবাধিকার সংগঠনের ব্যানার নিয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাবে। এছাড়াও প্রধান উপদেষ্টা ও সরকারের বিরুদ্ধে এবং জুলাই অভ্যুত্থানকে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ আখ্যা দিয়ে পুস্তিকা প্রকাশ করেছে আওয়ামী লীগ। এগুলো জাতিসংঘের সামনে বিতরণ করবে তারা।

আ.লীগের সন্ত্রাস মোকাবিলায় বহুধাবিভক্ত বিএনপি

যুক্তরাষ্ট্রে বিএনপির অবস্থান ও সাংগঠনিক ভিত্তি নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ের সাত নেতার সঙ্গে কথা বলে আমার দেশ। সবার অভিন্ন কথা হচ্ছে, গত ১০ বছরেও এখানে বিএনপির কমিটি ঘোষণা করা সম্ভব হয়নি। এটাই সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা। বর্তমানে এখানে বিএনপি কমপক্ষে চারটি গ্রুপে বিভক্ত। যাদের বিরোধ মেটানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তারা বরং বিভিন্ন উপদল তৈরি করে বিরোধ আরো তীব্র করছে। যার প্রমাণ মিলেছে বিমানবন্দরে আওয়ামী লীগকে মোকাবিলা করতে না পারার মাধ্যমে।

যুক্তরাষ্ট্রে সংগঠনকে দেখভালের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এমন এক ব্যক্তিকে, যার সঙ্গে রাজনীতির কোনো সম্পর্ক নেই বলে অভিযোগ নেতাকর্মীদের। তারা জানান, ওই নেতা বাস করেন যুক্তরাজ্যে। এ বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বিএনপির যুক্তরাষ্ট্র শাখার এক নেতা বলেন, আমাদের দলের মূল হলো বাংলাদেশে। সেখান থেকে স্থায়ী কমিটির কোনো সদস্য দায়িত্ব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপিকে বাঁচাতে পারেন। যুক্তরাষ্ট্রে বিএনপির সোনালি অতীত ছিল। এখন অবস্থা একেবারে বাজে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০১

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৩২

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৩২

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০১