রাজধানীর বিভিন্ন থানায় নাশকতার অভিযোগে দায়ের করা ১১ মামলায় স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেছেন যুবদলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক আলী সরকার।
রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মহানগর দায়রা জজশীপ ও চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের একাধিক শাখায় আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন তিনি। তবে আদালত তার আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ইসহাক আলীর পক্ষের আইনজীবী নজরুল ইসলাম জানান, তার বিরুদ্ধে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে মোট ৩৬৫টি মামলা দায়ের করা হয়। এর মধ্যে ৬ মামলায় মহানগর দায়রা জজ আদালতে ২২ বছর ৬ মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া সিএমএম আদালতের আরও ৫টি মামলায় তিনি আত্মসমর্পণ করেছেন। সবগুলো মামলায় জামিনের আবেদন করা হলেও বিচারক তা খারিজ করেন।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০২৩ সালের ৭ নভেম্বর রাজধানীতে নাশকতার এক মামলায় তাকে ৩ বছরের কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগের নির্দেশ দেন আদালত।
একই বছরের ৭ আগস্ট গাড়ি ভাঙচুর ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে দায়ের করা কোতোয়ালি থানার একটি মামলায় ইসহাক আলী সরকারসহ ২১ জনকে ২ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে ইসহাক আলীর বিরুদ্ধে একাধিক নাশকতা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতার অভিযোগ আনা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে করা এসব মামলার মধ্যে ১১টিতে তিনি সাজাপ্রাপ্ত হন।
রোববার আদালতে আত্মসমর্পণকালে আদালত প্রাঙ্গণ ও আশপাশ এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। জামিন আবেদন নামঞ্জুর হওয়ায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।