বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান ঘোষণা দিয়েছেন, জামায়াত ইসলামী দল ও সমমনা দেশপ্রেমিক দলগুলোকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গড়ে দেশ ও জাতিকে মুক্ত করার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
বুধবার রাত সাড়ে ৯টায় রাজশাহী থেকে ঢাকায় ফেরার পথে নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার রয়না ফিলিং স্টেশনে আয়োজিত পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। এসময় জেলা ও উপজেলা জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং ছাত্রশিবিরের কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
রফিকুল ইসলাম বলেন, “জামায়াত একটি নির্বাচনমুখী রাজনৈতিক দল। তবে নির্বাচনের আগে গণহত্যার বিচার, মৌলিক সংস্কার এবং প্রশাসনের ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা ফ্যাসিবাদের দোসরদের গ্রেফতার করতে হবে। জনগণের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত না করে যেনতেনভাবে কোনো নির্বাচন দেশবাসী আর চায় না।”
তিনি আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে বলেন, “ফ্যাসিবাদী সরকার আমাদের দাঁড়িপাল্লা প্রতীক কেড়ে নিয়েছিল, নিবন্ধন বাতিল করেছিল, এমনকি জামায়াতকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। কিন্তু এসব করেও জামায়াতের অগ্রযাত্রা রুখতে পারেনি। বরং তারাই ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে।”
তিনি দাবি করেন, জামায়াত রাজনীতি করে দেশের মাটি ও মানুষের কল্যাণের জন্য, কোনো ব্যক্তি বা পরিবারের স্বার্থে নয়। এবারের নির্বাচনে দল-মত, জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধভাবে অংশ নিয়ে দখলদার, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসমুক্ত একটি ইসলামী কল্যাণ রাষ্ট্র গড়ে তোলাই জামায়াতের লক্ষ্য।