রাজনীতির অস্থির প্রেক্ষাপটে এক ব্যতিক্রমী বক্তব্য দিয়েছেন ইসলামী আন্দোলনের শীর্ষ নেতা মাওলানা ফায়জুল কারীম। তিনি বলেন, “এ দেশে এখন নিয়ম হচ্ছে—চাঁদা দিলে পুরস্কার, ধরা পড়লে বহিষ্কার, আর যদি ভিডিও ভাইরাল হয় তাহলে গ্রে/প্তার।” শনিবার (১২ জুলাই) বিকেলে বরিশালে এক গণসমাবেশে তিনি এই বক্তব্য দেন।
ফায়জুল কারীম বলেন, “এই সমাজে অন্যায় করলে যদি তা ধামাচাপা দেওয়া যায়, তবে সেটা চালিয়ে যাওয়া যায়। কিন্তু যদি কেউ সেই অন্যায়ের ভিডিও তুলে ফেলে ফেসবুকে—তখনই সবাই সচেতন হয়, প্রশাসন নড়ে ওঠে। এটা কেমন রাষ্ট্রব্যবস্থা?”
তিনি অভিযোগ করেন, চাঁদাবাজি, দখলবাজি, টেন্ডারবাজি—সবই চলে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায়। কিন্তু যখন কেউ সত্য প্রকাশ করে দেয়, তখন সেটাকেই রাষ্ট্রদ্রোহ হিসেবে দেখানো হয়। তিনি বলেন, “গণতন্ত্র মানে শুধু ভোট নয়, জনতার অধিকার প্রতিষ্ঠা। সেটা আজ ভুলে গেছে শাসকগোষ্ঠী।”
সমাবেশে তিনি আরও বলেন, “আমরা ইসলামের পক্ষে কথা বললে বলা হয়—এই ভাষণ উস্কানিমূলক। অথচ যারা মঞ্চে দাঁড়িয়ে দেশের বিরুদ্ধে, মানুষের বিরুদ্ধে, নৈতিকতার বিরুদ্ধে কথা বলছে, তাদের কেউ কিছু বলে না। বরং পদোন্নতি দেয়।”
উল্লেখ্য, দেশের বিভিন্ন জায়গায় হঠাৎ করে চাঁদাবাজি, দখল ও অপব্যবস্থার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ সোচ্চার হয়ে উঠছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বারবার ভাইরাল হওয়া ভিডিওগুলো প্রশাসনকে প্রশ্নের মুখে ফেলছে। ফায়জুল কারীম সেই ইস্যুগুলোই এবার সরাসরি ভাষণে তুলে ধরলেন।