বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

ইলেকশন যত দেরি হবে, বিএনপির জনপ্রিয়তা তত কমবে : সারোয়ার তুষার

জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেছেন, “বিএনপির একটা শংকা হচ্ছে, যত ইলেকশন দেরি হবে, বিএনপির মাঠ পর্যায়ে জনপ্রিয়তা তত কমবে।” সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের আলোচনায় তিনি এ মন্তব্য করেন। সারোয়ার তুষার বলেন, “তার কারণ হচ্ছে, বিএনপির স্থানীয় পর্যায়ের নেতারা,যদিও কেন্দ্র থেকে একটা আন্তরিকতা দেখা যায়, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানসহ কেন্দ্র একটি আন্তরিক ভূমিকা রাখছে,তবুও […]

ইলেকশন যত দেরি হবে, বিএনপির জনপ্রিয়তা তত কমবে : সারোয়ার তুষার

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৮ এপ্রিল ২০২৫, ১৩:৪৬

জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেছেন, “বিএনপির একটা শংকা হচ্ছে, যত ইলেকশন দেরি হবে, বিএনপির মাঠ পর্যায়ে জনপ্রিয়তা তত কমবে।” সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের আলোচনায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

সারোয়ার তুষার বলেন, “তার কারণ হচ্ছে, বিএনপির স্থানীয় পর্যায়ের নেতারা,যদিও কেন্দ্র থেকে একটা আন্তরিকতা দেখা যায়, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানসহ কেন্দ্র একটি আন্তরিক ভূমিকা রাখছে,তবুও সারা দেশে যেভাবে বিচ্ছিন্ন ঘটনাগুলো ঘটছে, তাতে একটা উদ্বেগ আছে। এসব ঘটনা এত নিরবিচ্ছিন্নভাবে ঘটছে যে, বাস্তবতা হচ্ছে এগুলো মহামারি আকারে রূপ নিয়েছে।”

তিনি বলেন, “ফলে বিএনপির দিক থেকে একটা উদ্বেগ আছে যে, ইলেকশন দেরিতে হলে তাদের জনপ্রিয়তা হ্রাস পেতে থাকবে। কারণ, ইন দ্য মিনটাইম জামায়াতে ইসলামী কাজ করছে, এনসিপি নতুন দল হিসেবে এন্ট্রি নিয়েছে, গণঅধিকার পরিষদও সক্রিয়। ফলে এবারের ইলেকশন ‘গিভেন’ না। তারেক রহমান দুই-তিন মাস আগেই বলেছিলেন, এবার অনেক সুইং ভোট, অনেক হিসাব থাকবে। সেসব হিসেব থেকেই বিএনপির এই উদ্বেগ।”

সরকারের বক্তব্য প্রসঙ্গে সারোয়ার তুষার বলেন, “দেখুন, সরকার কিন্তু এটা বলেনি যে ডিসেম্বরে ইলেকশন হবে না। তারা বলছে, ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে যে কোনো সময় হবে—ডিসেম্বরও তো পড়ে এর মধ্যে।

আমাদের দিক থেকে বক্তব্য হচ্ছে, ডিসেম্বরে ইলেকশন করুক, উই ডোন্ট হ্যাভ এনি প্রবলেম। তবে আমরা যে কথাগুলো বলছি, এসিওরেন্স চাইছি কারণ এবারের ইলেকশনের এজেন্ডা হচ্ছে—সংস্কারের ভিত্তিতে নির্বাচন হবে। কিন্তু এই নির্বাচনটা করে ফেলাটাই এক ধরনের সংস্কার।”

সারোয়ার তুষার বলেন, “অনেকে বলছেন, নির্বাচিত সরকার এসে সংস্কার করবে। কিন্তু এটা নিয়ে দুই স্তরের সমস্যা আছে—একটা হচ্ছে কমিটমেন্ট, আরেকটা হচ্ছে পদ্ধতিগত।কিছু সংস্কার তো এই সরকার অধ্যাদেশ দিয়েই করতে পারে—যেগুলো সংবিধানের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।

পরবর্তী সরকার এসে সেগুলোকে অনুমোদন করবে।আর সংবিধান যেহেতু একটি মৌলিক নথি, আপনি এটা সংসদে গিয়ে সরাসরি পরিবর্তন করতে পারবেন না। সংবিধান সংস্কার করতে হলে গণভোট করতে হবে অথবা গণপরিষদ নির্বাচনে যেতে হবে—যেটা আমাদের জাতীয় ঐক্যমঞ্চের স্প্রেডশিটে বলা হয়েছে।”

তিনি বলেন, “আমাদের প্রস্তাব খুবই সহজ—আগামী নির্বাচিত বডি একযোগে গণপরিষদ এবং আইনসভা হিসেবে কাজ করবে। পৃথিবীর অনেক দেশে এটা ঘটেছে। এই অঞ্চলেও অনেক দৃষ্টান্ত রয়েছে।

দুর্ভাগ্যজনকভাবে, বিএনপির কাছ থেকে আমরা এ বিষয়ে খুব ইতিবাচক সাড়া পাইনি। তারা যে যুক্তি দিচ্ছে, তা ধোপে টেকে না। তারা বলছে, এটা তো একেবারে নতুন দেশ নয়, নতুন সংবিধান নয়—তাহলে কেন লাগবে?

আমরা বলছি, পৃথিবীতে অনেক দেশ আছে যারা প্রয়োজনে চার-পাঁচবার গণপরিষদ নির্বাচন করেছে। যদি মনে হয় এই কনস্টিটিউশনে আর কিছু হচ্ছে না, তাহলে করতেই হবে।”

তিনি বলেন, “৩১ দফার মধ্যে সংবিধানের প্রসঙ্গ তো স্পষ্টভাবে এসেছে। সেই সংবিধান কমিশন তো এখনো হয়নি। ফলে অন্তত একটি দফা তো বিএনপির বাতিল।

এই ৩১ দফা ফ্যাসিবাদের সময় এসেছে এবং বিএনপি এখন যেভাবে সংস্কারের ক্রেডিট নেওয়ার চেষ্টা করছে, সেটা ইতিহাসকে সরলীকরণ।

আমরা তো গণতন্ত্র মঞ্চ, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন এবং অনেক অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। আমরা জানি কিভাবে সংস্কার প্রক্রিয়াটি এসেছে—প্রথমে গণতন্ত্র মঞ্চের ১৪ দফা, তারপর বিএনপির ২৭ দফা, তারপর ৩১ দফা, আবার গণতন্ত্র মঞ্চের নিজস্ব ৩১ দফা।

বিএনপি এখন বলছে, তারা সবার আগে সংস্কার বলেছে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, এ সমস্ত ছোট ছোট দলই আগে সংবিধান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিএনপি আগে কখনও এসব প্রশ্ন তোলে নাই।”

সারোয়ার তুষার বলেন, “গণসংহতি আন্দোলন, রাষ্ট্রচিন্তা, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন, যাসদ (রব ভাইয়ের দল)—সবাই কিন্তু ৭২-এর সংবিধান নিয়ে অনেক সমালোচনামূলক প্রশ্ন তুলেছে।

মূল সমস্যা হচ্ছে—এক ব্যক্তির হাতে সকল ক্ষমতা। এটা শুধু গত ১৬ বছরে না, বরং ৭২-এর সংবিধানের গোড়ার সমস্যা। এখানে প্রধান নির্বাহীকে কোনোভাবেই আটকে রাখার ব্যবস্থা নেই।

ইলেকশন কমিশন ভাগ্য নির্ধারণ করে না। প্রধান নির্বাহীর হাতে কতটা ক্ষমতা, তার ইনটেনশন কী—সেই অনুযায়ী নির্বাচন পরিবর্তন হয়।”

তিনি বলেন, “মূল সংস্কারটাই যদি বিএনপি বিরোধিতা করে, তাহলে অন্য সব সংস্কারে একমত হয়েও লাভ নেই।

প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ কতদিন থাকবে, নারী আসন কয়টা থাকবে, জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল থাকবে কি না, নিয়োগ কে দেবে—এসব হচ্ছে খুবই মৌলিক প্রশ্ন।

যদি নিয়োগ আপনার হাতে থাকে, আপনি প্রধান নির্বাহী হন, তাহলে আপনি বললেন—আমি তো বিচার বিভাগের সংস্কার চাই, দুদকের সংস্কার চাই, ইসি সংস্কার চাই—কিন্তু প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়োগ যদি আপনার হাতেই থাকে, তাহলে সংস্কার টিকবে না।

সুতরাং, ফান্ডামেন্টাল সংস্কার হচ্ছে সংবিধান সংস্কার। এতে বিএনপি সম্মত না হলে, সংস্কারের দাবিও অমূলক হয়ে যায়।”

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৭৯

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২৫৭

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২৫৭

রাজনীতি

১১ দলীয় জোটেই যাচ্ছে জামায়াত, শিগগিরই ঘোষণা

১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে ফের ১১ দলীয় জোটে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী৷ আগামীকাল আসতে পারে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। এমনটিই জানিয়েছেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জনসভার মাঠ পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা জানান। মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, আমাদের ইশতেহারে উত্তরাঞ্চলকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পিছিয়ে […]

নিউজ ডেস্ক

২২ জানুয়ারী ২০২৬, ২১:০৬

১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে ফের ১১ দলীয় জোটে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী৷ আগামীকাল আসতে পারে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। এমনটিই জানিয়েছেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জনসভার মাঠ পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা জানান।

মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, আমাদের ইশতেহারে উত্তরাঞ্চলকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

পিছিয়ে পড়া জেলাগুলোকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। জামায়াতের আমিরের এই জনসভা আরও বেশি ত্বরান্বিত করবে।

একটি দল শিরক করছে তারেক রহমানের এমন বক্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সবার কথা বলার সুযোগ রয়েছে। তিনি নির্দিষ্ট করে কোনো দলের নাম বলেননি৷ আর জামায়াতে ইসলাম কিভাবে পরিচালনা হয়, দেশের মানুষ তা জানেন।

এসময় জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক বেলাল উদ্দীন প্রধান, জামায়াত মনোনীত ঠাকুরগাঁও-১ আসনের প্রার্থী-দেলাওয়ার হোসেনসহ দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২৫৭