শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

নারী নিয়ে এক রুমে ভাগাভাগি করে থাকতেন : পলক-মুরাদ

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সময় সময় নানা বিতর্কিত ঘটনা উঠে আসে, যা জনগণের মনে প্রশ্ন তৈরি করে। সম্প্রতি একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে, যেখানে বলা হচ্ছে, সাবেক প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান এবং বর্তমান প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন ছড়িয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, তারা একসঙ্গে এক রুমে থেকে নারীদের নিয়ে সময় কাটাতেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে […]

নিউজ ডেস্ক

২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ২১:০৬

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সময় সময় নানা বিতর্কিত ঘটনা উঠে আসে, যা জনগণের মনে প্রশ্ন তৈরি করে। সম্প্রতি একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে,

যেখানে বলা হচ্ছে, সাবেক প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান এবং বর্তমান প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন ছড়িয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, তারা একসঙ্গে এক রুমে থেকে নারীদের নিয়ে সময় কাটাতেন।

বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চললেও এখনো স্পষ্ট কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, অতীতেও ক্ষমতাসীন দলের কিছু নেতা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছেন, যা পরবর্তীতে জনসম্মুখে উঠে এসেছে।

একজন রাজনৈতিক নেতার নৈতিকতা এবং ব্যক্তিগত জীবন জনসাধারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়ায়, বিশেষ করে যখন তারা জনসেবায় নিয়োজিত থাকেন। জনগণের টাকায় পরিচালিত রাষ্ট্রীয় সুবিধা ভোগ করে যদি কোনো জনপ্রতিনিধি অনৈতিক কাজে লিপ্ত হন, তবে তা অবশ্যই তদন্তের দাবি রাখে।

বাংলাদেশ সরকারের প্রতিমন্ত্রীরা নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে কাজ করেন এবং তারা দেশের জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য। যদি তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সত্য হয়, তবে এটি তাদের দায়িত্বশীল অবস্থানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

গেল ৫ আগস্ট ছাত্রজনতার প্রবল গণ আন্দোলনের মুখে পতন হয় আওয়ামী লীগ সরকারের।তারপর থেকে আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মীরা রয়েছেন বিচারের মুখোমুখি আবার অনেকে আছেন পলাতক।

সম্প্রতি স্যোশাল মিডিয়া ইনিস্টাগ্রামে মনোয়ার ইসলামের এক পোস্টকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া।যেখানে বেশিরভার নেটিজেনরা মনোয়ার এর বক্তব্যকে সমর্থন করছেন।

গেল ২০ ফেব্রুয়ারি হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকাতে মোট পাঁচটা প্রেসিডেনশিয়াল সুইটস আছে। লীগের আমলে সারাবছর জুড়ে পাঁচটা সুইটস অলিখিতভাবে বুকড থাকতো। লীগের শেষ ১০ বছরের বিভিন্ন সময়ে তৎকালীন সর্বোচ্চ ক্ষমতাশীল ব্যক্তিদের নামেই এসব সুইটস বুকড থাকতো।

২০১৯-২১ সাল, এই সময়ে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের পাঁচটা প্রেসিডেনশিয়াল সুইটস এর মধ্যে চারটা সুইটস বরাদ্দ ছিলো যথাক্রমে ওবায়দুল কাদের, সালমান এফ রহমান, বেনজির আহমেদ, জিয়াউল আহসানের নামে।

তবে পাঁচ নাম্বার প্রেসিডেনশিয়াল সুইটটা বরাদ্দ ছিলো ভিন্ন ভিন্ন দুইজন ব্যক্তির নামে। অর্থাৎ একটা সুইট দুইজন আলাদা ব্যক্তি শেয়ার করতো। মাঝে মাঝে এমনও হইছে সেই দুইজন ব্যক্তি একই সময়ে হোটেলে হাজির হয়ে গেছে।

যদিও প্রেসিডেনশিয়াল সুইটে দুইটা রুম আছে। তবু প্রাইভেসির একটা ব্যাপার স্যাপার তো আছে! কিন্তু এই দুইজন ব্যক্তি যেহেতু পূর্বপরিচিত, তাই তাদের লজ্জা-শরমের বালাই ছিলো না।

আবার মাঝেমাঝে এমনও হইছে যে, রুমে একই সাথে তিনজন ব্যক্তিকে এন্ট্রি করা লাগছে। কারণ একজন তার লুডো খেলার সঙ্গী পাইছে। অন্যদিকে অপরজনের লুডো খেলার সঙ্গী ডায়রিয়া হইছে। তখন সঙ্গিবিহীন ব্যক্তি লুডো খেলা বাদ দিয়ে ঘুমাইতো, নাকি তিনজন একসাথে লুডো খেলতো সেইটা খোদা মাবুদ ভালো জানে!

যাইহোক। এই দুইজন ব্যক্তির একজন ছিলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডাক্তার মুরাদ হাসান, অপরজন ছিলেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক

তিনি আরো জানান, এত কথা বললাম। কারণ ভাগাভাগি করে খাওয়ার বিষয়টা আসলে পলকের পুরানা অভ্যাস। সে জেলে বইসা ব্যারিস্টার সুমনের সঙ্গে কলা-রুটি ভাগ করে খায়। আর জেলের বাইরে ইন্টারকন্টিনেন্টালে ডা. মুরাদের সঙ্গে শুয়ে শুয়ে ভাগ করে খাইতো।

আরেকটা ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হইতাছে, ডা. মুরাদ তেমন ক্ষমতাবান কোনো ব্যক্তি না হয়েও ইন্টারকন্টিনেন্টালে একটা প্রেসিডেনশিয়াল সুইট বাগায় নিছিলো। কারণ নারীলিপ্সু মুরাদ তথ্য প্রতিমন্ত্রী হওয়ার পর মিডিয়া জগতে অপকর্মের অবাধ বিচরণ শুরু করে।

সেই সুবাধে আরেক নারীলিপ্সু ওবায়দুল কাদেরের প্রধান সাপ্লায়ার হিসাবে ডা. মুরাদ নিয়মিত সেবা প্রদান করতো। ওবায়দুল কাদেরকে নিয়মিত খেদমত করার জন্য গিফট হিসাবে ড. মুরাদকে দেওয়া হয় একটি প্রেসিডেনশিয়াল সুইট!

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১০১

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১০১

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০২৫

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১০১