শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

রূপপুর প্রকল্পের দুর্নীতির টাকায় টিউলিপ সিদ্দিকের লন্ডনের ফ্ল্যাটটি কেনা

বাংলাদেশের রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্প নিয়ে সম্প্রতি উঠে এসেছে একটি নতুন বিতর্ক, যেখানে অভিযোগ করা হয়েছে যে, এই প্রকল্পের দুর্নীতির টাকায় বিদেশে ফ্ল্যাট কেনার একটি চক্র সক্রিয় ছিল। অভিযোগ উঠেছে, রূপপুর প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা অবৈধভাবে অর্থ সংগ্রহ করে সেই টাকা ব্যবহার করে লন্ডনে ফ্ল্যাট কিনেছেন। এই ফ্ল্যাটটি টিউলিপ সিদ্দিকের নামে রেজিস্টার করা হয়েছে, যিনি […]

নিউজ ডেস্ক

০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৫:৫৩

বাংলাদেশের রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্প নিয়ে সম্প্রতি উঠে এসেছে একটি নতুন বিতর্ক, যেখানে অভিযোগ করা হয়েছে যে, এই প্রকল্পের দুর্নীতির টাকায় বিদেশে ফ্ল্যাট কেনার একটি চক্র সক্রিয় ছিল। অভিযোগ উঠেছে, রূপপুর প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা অবৈধভাবে অর্থ সংগ্রহ করে সেই টাকা ব্যবহার করে লন্ডনে ফ্ল্যাট কিনেছেন।

এই ফ্ল্যাটটি টিউলিপ সিদ্দিকের নামে রেজিস্টার করা হয়েছে, যিনি একজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা এবং ব্রিটেনের পার্লামেন্ট সদস্য।

রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্প বাংলাদেশে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প, যেখানে রাশিয়ার সহায়তায় পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে। তবে প্রকল্পের কাজের বিভিন্ন পর্যায়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বিশেষভাবে, প্রকল্পের বিভিন্ন অংশে অস্বাভাবিক খরচ, অনুমোদনের বাইরে অর্থ প্রদান এবং অবৈধ লেনদেনের তথ্য প্রকাশ পায়।

এই দুর্নীতি সম্পর্কিত একাধিক তদন্তের পর উঠে আসে একটি নাম—টিউলিপ সিদ্দিক। অভিযোগ করা হয়, রূপপুর প্রকল্পে ঘুষ ও অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে যে টাকার লেনদেন হয়েছিল, তার একটি বড় অংশ ব্যবহার করা হয়েছে লন্ডনে ফ্ল্যাট কেনার জন্য।

টিউলিপ সিদ্দিক ব্রিটেনে একজন প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত। তিনি লন্ডনের হ্যামস্টেড এবং কিলবার্ন নির্বাচনী এলাকা থেকে পর পর কয়েকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। কিছু দিন আগে তার বিরুদ্ধে রূপপুর প্রকল্পের দুর্নীতির টাকায় লন্ডনের ফ্ল্যাট কেনার অভিযোগ উঠেছে, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্কের সৃষ্টি করেছে।

তবে, সিদ্দিক এখনও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং বলেছেন, এই ধরনের কোনও অবৈধ লেনদেনের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি দাবি করেছেন যে, তার সম্পত্তি আইনগতভাবে কেনা এবং তার সবকিছু স্বচ্ছ।

এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাজনৈতিক মহলে এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই মনে করছেন, দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত টাকার লেনদেনের ঘটনা জাতির জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক এবং এর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, রূপপুর প্রকল্পের মতো বড় মাপের প্রকল্পে দুর্নীতি হওয়া দেশটির উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করে এবং দেশের ইমেজকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। তারা সরকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন করে দায়ীদের শাস্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

ব্রিটিশ এমপি ও শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিকের মালিকানাধীন ৭ লাখ পাউন্ডের লন্ডনের একটি ফ্ল্যাটের উৎস নিয়ে তদন্ত চলছে। ধারণা করা হচ্ছে, বাংলাদেশ থেকে পাচার করা টাকার একটি অংশ দিয়ে সেটি কেনা হয়েছে। কিন্তু দুর্নীতি ঢাকতে সেটি উপহার পাওয়ার নাটক সাজায় শেখ পরিবার।

বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এ তদন্ত করছে। দেশের বৃহত্তম অবকাঠামো প্রকল্পগুলোর একটির সাথে যুক্ত তহবিল ব্যবহার করে টিউলিপ লন্ডনের সম্পত্তি কিনেছিলেন কি না, সে প্রমাণ সংগ্রহের চেষ্টা করছে দুদক। দ্য টেলিগ্রাফ এমন তথ্য জানায়।

তদন্তের এক আপডেটে দুদক বলেছে, তারা অভিযোগ পেয়েছে যে টিউলিপ সিদ্দিক লন্ডনে ৭০০,০০০ পাউন্ডের একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট পেয়েছেন। ফ্ল্যাটটি বাংলাদেশের ১২.৬৫ বিলিয়ন ডলারের (১০.১ বিলিয়ন পাউন্ড) রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে আত্মসাৎ করা অর্থের একটি অংশ দিয়ে কেনা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

তদন্তকারীরা দাবি করেছেন, হাসিনার ঘনিষ্ঠ মহলের সদস্যদের জন্য উচ্চমূল্যের সম্পত্তি অর্জনের আগে মালয়েশিয়ার অফশোর ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অবৈধ অর্থ পাচার করা হয়। এরপর সেটি বিভিন্ন চ্যানেল ঘুরে লন্ডনে পাঠানো হয়।

দুদকের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা দ্য টেলিগ্রাফকে বলেছেন, আমাদের গোপন তদন্তে এই অভিযোগগুলো নিশ্চিত হওয়ার পর, আমরা এটির একটি প্রকাশ্য তদন্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তিনি (টিউলিপ) দুর্নীতি এবং আর্থিক অসদাচরণের অভিযোগে জড়িত। আমরা অভিযোগ পেয়েছি, তিনি বাংলাদেশে তার পরিবারের সদস্যদের সাথে যুক্ত অর্থ পাচার এবং অবৈধ আর্থিক লেনদেনের সাথে জড়িত ছিলেন।

অভিযোগ রয়েছে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুক্তির মাধ্যমে টিউলিপ ও তার পরিবারের সদস্যরা ৩ দশমিক ৯ বিলিয়ন পাউন্ড আত্মসাৎ করেছেন। এ প্রকল্পের ৯০ শতাংশ ঋণ এসেছে ক্রেমলিন থেকে, আর দায়িত্বে আছে রাশিয়ান কোম্পানি রোসাটম।

এর সূত্র ধরে টিউলিপের বিরুদ্ধে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীর কাছ থেকে লন্ডনে বিনামূল্যে ফ্ল্যাট পেয়েছেন কি না সেটিই এখন তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪০৯৩

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪০৯৩

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪০৯৩

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০১৭