বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

৩০-৩৫ লাখে পুলিশের এসআই, সার্জেন্ট বানাতেন আসাদুজ্জামান খান

গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতা হারানো আওয়ামী লীগ সরকারের সময় পুলিশের এসআই ও সার্জেন্ট পদে নিয়োগের মাধ্যমে শতকোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একজন চাকরিপ্রার্থীর কাছ থেকে ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের একটি সিন্ডিকেট এই বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেয়। এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরে একটি গোপন […]

৩০-৩৫ লাখে পুলিশের এসআই, সার্জেন্ট বানাতেন আসাদুজ্জামান খান

আসাদুজ্জামান খান

নিউজ ডেস্ক

০১ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৫:০০

গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতা হারানো আওয়ামী লীগ সরকারের সময় পুলিশের এসআই ও সার্জেন্ট পদে নিয়োগের মাধ্যমে শতকোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একজন চাকরিপ্রার্থীর কাছ থেকে ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের একটি সিন্ডিকেট এই বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেয়। এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরে একটি গোপন প্রতিবেদন জমা হয়েছে।

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র এই তথ্য দিয়েছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তালিকা অনুযায়ী পুলিশে ব্যাপক নিয়োগ বাণিজ্য হতো। এই নিয়োগ প্রদানের ফলাফল প্রস্তুতসহ অন্যান্য কার্যক্রম অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে সম্পাদন করতেন তাঁর ঘনিষ্ঠ একজন এআইজিসহ আরো কয়েকজন সাবেক দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা। তাঁরা পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে নানা কৌশলে ঘুষ গ্রহণ করেন।

সম্প্রতি প্রাথমিক তদন্তে এসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত শুরু হয়েছে। তাঁদের নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই শুরু হয় পুলিশে নিয়োগের নামে ঘুষ-দুর্নীতি। এ ক্ষেত্রে তিনি একটি সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন।

তাঁর নির্দেশে চক্রটি এসআই (সাব-ইন্সপেক্টর) ও সার্জেন্ট নিয়োগে মেধাবী ও যোগ্যদের বঞ্চিত করে অযোগ্য ও অদক্ষদের নিয়োগ দেওয়া শুরু করে।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, ২০২৪ সালে আউটসাইড ক্যাডেটের নতুন একটি ব্যাচ নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। এরই মধ্যে এই ব্যাচের লিখিত পরীক্ষা পর্যন্ত সম্পন্ন হয়েছে। লিখিত পরীক্ষায় তিন হাজার ২০০ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। উত্তীর্ণ প্রার্থীদের কাছ থেকে আগের মতোই একইভাবে ওই চক্র বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করে।

এই নিয়োগে সাবেক এক এআইজি ও যুগ্ম সচিব সরাসরি দুর্নীতির টাকা লেনদেন করতেন। মাঠ পরীক্ষা থেকে চূড়ান্ত নিয়োগ পর্যন্ত পার করার উদ্দেশ্যে একেকজন পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা প্যাকেজ আকারে তাঁরা গ্রহণ করেছেন বলে তথ্য পেয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

তদন্তসংশ্লিষ্ট পুলিশ সূত্র বলছে, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সময়ে দুর্নীতির মাধ্যমে অনেক এসআই নিয়োগ দেওয়া হয়। এরপর সারদায় পুলিশ একাডেমিতে মৌলিক প্রশিক্ষণরত বেশির ভাগ প্রার্থীর কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া হয়েছিল বিপুল পরিমাণ অর্থ। চাকরি নিশ্চিতের নিমিত্তে প্রার্থীপ্রতি ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকা নেওয়া হয় বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।

প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগ পেয়ে এরই মধ্যে বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, রাজধানীর উত্তরা এলাকার দুটি ফ্ল্যাটে চক্রের সদস্যরা এই ঘুষের টাকা লেনদেন করতেন। এই চক্রে রয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক তিন কর্মকর্তা এবং পুলিশ সদর দপ্তরের একজন সহকারী উপমহাপরিদর্শক (এআইজি)।

তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানতে পেরেছেন, ২০২৩ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এই ব্যাচের নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হয়। তাদের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ পাঁচ হাজার ৮০০ জনের মধ্য থেকে ব্যাপক নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে ৮২০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

এরই মধ্যে তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এ নিয়ে একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন সরকারের উচ্চ পর্যায়ে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৪০তম আউটসাইড ক্যাডেট ব্যাচের এই ৮২০ জন বর্তমানে এক বছর মেয়াদি মৌলিক প্রশিক্ষণে রয়েছেন সারদা পুলিশ একাডেমিতে। ২০২৩ সালের ৫ নভেম্বর তাঁদের প্রশিক্ষণ শুরু হয়।

মানবাধিকারকর্মী নূর খান লিটন মনে করেন, দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা অনিয়ম-দুর্নীতিকে এখনই ‘না’ বলা উচিত। যারাই দুর্নীতি করবে তাদের মুখোশ উন্মোচন করতে হবে। না হলে সমাজে যোগ্য ব্যক্তিরা পিছিয়ে পড়বেন। এতে বৈষম্য বাড়বে।

এ ব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশ সদর দপ্তরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ‘এই দুর্নীতির বিষয়ে একটি তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষেই বিস্তারিত বলা যাবে।’

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল পুলিশের এই নিয়োগ বাণিজ্যের অন্তরালে ছিলেন। তিনি তাঁর প্রভাব বিস্তার করে মন্ত্রণালয় এবং পুলিশ সদর দপ্তরে নিজর পছন্দের কর্মকর্তার সমন্বয়ে গঠন করাতেন নিয়োগ বোর্ড।

ওই নিয়োগ বোর্ডের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন পুলিশের সাবেক এক অতিরিক্ত আইজি। এ ছাড়া ওই বোর্ডে তাঁর কথিত ক্যাশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের একজন যুগ্ম সচিব ছিলেন। এ ছাড়া ছিলেন একজন উপসচিব, পুলিশের একজন ডিআইজি ও এআইজি। তাঁরা মূলত এই নিয়োগ বাণিজ্যে সহায়তা করতেন।

প্রাথমিক তদন্তে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানতে পেরেছেন, এই নিয়োগে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষে একেকজন প্রার্থীর কাছ থেকে ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে পছন্দের তালিকা প্রস্তুত করা হয়। আর চাহিদামতো ঘুষ না দিলে তাকে ভাইভায় ফেল করিয়ে দেওয়া হয়।

সার্বিক বিষয়ে পুলিশের নতুন নিয়োগ পাওয়া আইজি ময়নুল ইসলাম বলেন, ‘পুলিশকে এখন ঢেলে সাজানো হচ্ছে। গত ১৫ বছরে পুলিশের অনেক ক্ষতি হয়েছে।’

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৫৭

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২৩৪

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৫৭

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৫৭