শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

নির্বাচনী রোডম্যাপ নিয়ে বাড়ছে সব দলের রাজনৈতিক চাপ

নির্বাচনী রোডম্যাপ নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ওপর রাজনৈতিক দলগুলোর প্রত্যাশার চাপ বাড়ছে। বিশেষ করে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার পর এর প্রতিক্রিয়ায় নির্বাচন ইস্যুতে কথা বলেছে বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল। এর মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারপ্রধানের ভাষণের প্রশংসা করলেও তিনি নির্বাচনের রোডম্যাপ সম্পর্কে কিছু না বলায় হতাশা প্রকাশ করেছে বিএনপি ও জামায়াত। গত […]

নিউজ ডেস্ক

২৮ আগস্ট ২০২৪, ১৬:২৩

নির্বাচনী রোডম্যাপ নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ওপর রাজনৈতিক দলগুলোর প্রত্যাশার চাপ বাড়ছে। বিশেষ করে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার পর এর প্রতিক্রিয়ায় নির্বাচন ইস্যুতে কথা বলেছে বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল। এর মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারপ্রধানের ভাষণের প্রশংসা করলেও তিনি নির্বাচনের রোডম্যাপ সম্পর্কে কিছু না বলায় হতাশা প্রকাশ করেছে বিএনপি ও জামায়াত।
গত ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত রোববার সর্বপ্রথম জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এতে রাষ্ট্র সংস্কারের নানা বিষয় উল্লেখ করা হলেও নির্বাচনী রোডম্যাপ নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো নির্দেশনা ছিল না। রাজনৈতিক দলগুলো প্রধান উপদেষ্টার ভাষণের বিভিন্ন দিকের প্রশংসা করলেও নির্বাচন নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো ঘোষণা না থাকায় সমালোচনা করেন।
প্রধান উপদেষ্টা ওই ভাষণে ব্যাংকিং খাতে সুশাসন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও জবাবদিহি, পুলিশ কমিশন গঠন, তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করা, শিক্ষাক্ষেত্রে সংস্কার, কৃষি-স্বাস্থ্য-পরিবেশ, পররাষ্ট্রনীতি, জাতীয় সংহতি উন্নয়ন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং পতিত সরকারের ১৫ বছরের দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশসহ নানা খাতের সংস্কারের বিষয় তুলে ধরেন। এ সময় গণতন্ত্র সুসংহত করতে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা এবং ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ নিশ্চিত করার কথাও বলেন তিনি। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানকে সফল পরিণতি দিতে প্রশাসন, বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনী ব্যবস্থা, আইনশৃঙ্খলা খাত এবং তথ্যপ্রবাহে প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পূর্ণ করে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করা হবে বলেও জানান প্রধান উপদেষ্টা। যাতে দুর্নীতি, লুটপাট ও গণহত্যার বিরুদ্ধে একটি জবাবদিহিমূলক রাজনৈতিক বন্দোবস্তের সূচনা হয়। এতে সংস্কারের অংশ হিসেবে নির্বাচন কমিশনকেও সংস্কার করে আদর্শ নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত রাখার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
তবে জাতীয় নির্বাচন নিয়ে কোনো রোডম্যাপ না দিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, ‘নির্বাচন কবে হবে, সেটা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। আর দেশবাসীকে ঠিক করতে হবে, আপনারা কখন আমাদের ছেড়ে দেবেন।’
প্রধান উপদেষ্টার এই ভাষণের প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি বলেছে, এই ভাষণে কিছুটা আশ্বস্ত হয়েছে তারা। তবে রোডম্যাপ না থাকায় নির্বাচন কবে হবে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি। প্রধান উপদেষ্টার ভাষণের পরদিন এক অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচন নিয়ে সুস্পষ্টভাবে কিছু বলেননি। আমরা আশা করেছিলাম যে তিনি নির্বাচনের ব্যাপারে কোনো রোডম্যাপ দেবেন; কিন্তু ভাষণে তা নেই।’
নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা ও দ্রুত সংলাপ আয়োজনের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। গতকাল রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘রোডম্যাপ ঘোষণা করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কোনো আপত্তি থাকার কথা নয়। গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে গণতন্ত্রের কোনো বিকল্প নেই। অতি অল্প সময়ের মধ্যে আপনারা (প্রধান উপদেষ্টা) রোডম্যাপ ঘোষণা করুন। একটি যৌক্তিক সময়ে নির্বাচন দিয়ে জনগণের প্রতিনিধিদের দায়িত্বভার গ্রহণ করার সুযোগ করে দিন।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা এবং উপদেষ্টা পরিষদের কাছে আমাদের অনুরোধ হলো, এ দেশের জনগণের স্টেকহোল্ডার হলো পলিটিক্যাল পার্টিগুলো। যদি গণতন্ত্র চান, পলিটিক্যাল পার্টিগুলোর সঙ্গে কথা বলুন। সংসদে অতীতে প্রতিনিধিত্ব পেয়েছে, এই ধরনের রাজনৈতিক দলের সঙ্গে দ্রুত আলাপ করুন। কীভাবে গণতন্ত্র উত্তরণ করা যায়, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ করে তাদের কাছ থেকে সুপারিশ গ্রহণ করুন।’
জামায়াতে ইসলামীর প্রতিক্রিয়াও বিএনপির মতোই। জাতীয় নির্বাচন দিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বেশি সময় নেওয়া উচিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। গতকাল রাজধানীতে ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের তিনি বলেছেন, ‘আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে উপযুক্ত সময় দেওয়া উচিত। তবে এটি খুব দীর্ঘ বা খুব কমও হওয়া উচিত নয়।’
এ সময় তিনি নির্বাচনের আগে বিচার বিভাগ ও নির্বাচন কমিশনের মতো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো মেরামতের বিষয়টিও উল্লেখ করেন।
বিএনপির যুগপতের মিত্র দলগুলোও প্রায় একই রকম প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম নেতা ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি প্রধান উপদেষ্টার ভাষণের প্রশংসা করে বলেছেন, নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ আশা করেছিলেন তারা।
ইসলামী আন্দোলনের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান প্রধান উপদেষ্টার ভাষণকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করে দলগুলোর প্রত্যাশা অনুযায়ী নির্বাচনের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু না বলায় নানামুখী সংশয়-সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন।
অন্যদিকে, ক্ষমতাচ্যুত দল আওয়ামী লীগ নেতারা আত্মগোপনে থাকায় প্রধান উপদেষ্টার ভাষণ নিয়ে তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। যদিও এর আগে শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় যুক্তরাষ্ট্র থেকে এক ভিডিও বার্তায় বলেছিলেন, তারা খুব শিগগির একটি নির্বাচনের ব্যাপারে আশাবাদী। সেই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ আবারও ক্ষমতায় আসবে বলেও মন্তব্য করেছিলেন তিনি।
এ ছাড়া দেড় দশকের শাসনামলে আওয়ামী লীগের সহযোগীর ভূমিকা পালনকারী দল জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু নির্বাচনের আগে সংস্কারের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারকে দু-তিন বছর সময় দেওয়া যেতে পারে বলে গণমাধ্যমে মন্তব্য করেছেন।
১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০২৫

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১০১

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১০১

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১০১