সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

‘৭১ এর স্বাধীনতা যদি বাঘ হয়ে থাকে, ২৪ এর স্বাধীনতা কিন্তু বিড়াল’

একাত্তর প্রসঙ্গে কোনো ছাড় নয়, এমন বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ‘সারাদিন রাজনীতির কথা বলে ঘুরে বেড়াও, আমরা বসে আছি রাজনীতি বুঝি না কিছুই, আমাদের অভিজ্ঞতা নাই, জ্ঞান নাই, একাত্তর কোনো কিছুই না, অইটা কোনো স্বাধীনতা ছিল না, তোমরা স্বাধীনতা দিবা, আরে বাবা! একাত্তরের স্বাধীনতা আর এই স্বাধীনতা, বিড়ালরে কিন্তু বাঘের মাসি বলা হয়। একাত্তরের স্বাধীনতা […]

নিউজ ডেস্ক

১১ জানুয়ারী ২০২৫, ১৮:৪৮

একাত্তর প্রসঙ্গে কোনো ছাড় নয়, এমন বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ‘সারাদিন রাজনীতির কথা বলে ঘুরে বেড়াও, আমরা বসে আছি রাজনীতি বুঝি না কিছুই, আমাদের অভিজ্ঞতা নাই, জ্ঞান নাই, একাত্তর কোনো কিছুই না, অইটা কোনো স্বাধীনতা ছিল না, তোমরা স্বাধীনতা দিবা, আরে বাবা! একাত্তরের স্বাধীনতা আর এই স্বাধীনতা, বিড়ালরে কিন্তু বাঘের মাসি বলা হয়। একাত্তরের স্বাধীনতা যদি বাঘ হয়ে থাকে, তোমাদের স্বাধীনতা কিন্তু বিড়াল।

বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের পথ ছাড়বে না, হুঁশিয়ারি দেন ফজলুর রহমান। তিনি বলেন, ‘যারা একাত্তরকে ভুলাইতে চান, তাদের বলতে চাই, এই বাঙ্গালি জাতি কখনও একাত্তরকে ভুলবে না। আমি বলি এই দেশে বেলি-চামেলি ফুলই ফোটে না, এ দেশে রক্তজবাও ফোটে। এই দেশের জঙ্গলে শুধু কোকিল ডাকে না, এই দেশে রয়েল বেঙ্গল টাইগারও ডাকে। এই দেশে মীরজাফর, জগৎ শেঠ, রায় দুর্লভ, ইয়ার লতিফ, রাজবল্লভ, রাজাকার, আলবদর জন্মায় না, এই দেশে যুগে যুগে জন্মগ্রহণ করে সিরাজ, মীর মদন, মোহনলাল, সূর্যসেন, ক্ষুদিরাম, শহীদ জিয়াউর রহমানের মতো, মুক্তিযোদ্ধাদের মতো বীর সন্তানেরা। এই দেশকে কখনো ধ্বংস করা যাবে না। এই দেশ স্বাধীনতার পথে থাকবে, মুক্তিযুদ্ধের পথে থাকবে।’

এরপর মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘যুদ্ধ করতে গিয়েছি, দেখেছি গুলি লাগছে গায়ে, উঠে বলছে মা’কে দেইখো তুমি, সেই মা পাগল হয়ে মারা গেছে। যারা নয় মাস যুদ্ধ করে কাটিয়েছেন যোদ্ধারা, তার সঙ্গে কিছুর তুলনা হয় বলেন আপনারা? আপনারা কি সব ভুইলা বইসা আছেন নাকি? যখন বলে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ কিছু না, তাহলে আপনারা চুপ করে থাকেন কেন? আপনারা কি চুপ করে থাকবেন?’

শেষ দুই দশকে বিএনপি আর জামায়াতে ইসলামী একই সঙ্গে রাজনীতির ময়দানে ছিল। তবে গত ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্কটা দাঁড়িয়েছে রীতিমতো সাপে-নেউলে। সম্প্রতি এক সভায় আবারও জামায়াতে ইসলামীকে একহাত নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও দলটির নেতা ফজলুর রহমান।

তার অভিমত, বিএনপিকে ছাড়া নির্বাচনে গেলে ১০ আসনও পাবে না জামায়াত।

এছাড়াও তিনি এই সভায় প্রশ্ন তুলেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নিয়েও। তিনি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। সঙ্গে একাত্তরকে খাটো করার প্রবণতাকেও একহাত নিয়েছেন।

তিনি জামায়াত প্রসঙ্গে বলেন, ‘আল্লাহর রহমত আমরাই জিতব। বাকবাকুম করে যারা কথা বলত, তাদের নেতারা ৭০ সালেও কথা বলছে, পরে দেখা গেছে ভোট পেয়েছেন ৬ পারসেন্ট। আমি চ্যালেঞ্জ করলাম, ইসলামের নাম নিয়ে যারা মানুষকে বিভ্রান্ত করেছেন, ৭০ সালে, ৭১ সালে, এখনও যারা করতে চান, তারা ১০ পারসেন্টের বেশি ভোট পান, তাহলে ভোটের পরে ফজলুর রহমানের সঙ্গে দেখা করবেন।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘বড় বড় কথা বলেন, ভোট একা করে দেখান তো পারলে? তিন বার ভোট করেছেন, একবার ১ আরেকবার ৩ আসন পেয়েছেন। বিএনপির নামে খুব দুর্নাম করতেছেন, বিএনপি খুব লুটপাট করতেছে, বিএনপি খারাপ বলে বলে ফেসবুক ইউটিউবে অপপ্রচার করতেছেন।’

যদিও বিএনপির বিরুদ্ধে লুটপাটের অভিযোগ অস্বীকার করেননি এই নেতা।সেই সঙ্গে পালটা প্রশ্ন তুলতেও ভুল করেননি। তার কথায়, ‘আমি অস্বীকার করি না, বিএনপির কর্মীরা ১৫ বছর না খেয়ে ছিল। অনেক অত্যাচার অবিচার সহ্য করেছে, মা-বাপ মরেছে জেলে থাকার কারণে দেখতে পারে নাই, জানাজা পড়তে এসেছে ডাণ্ডাবেড়ি পরে, সেই কর্মীর যখন পেটে ভাত থাকে না, যদি ১০ টাকা রোজগার করতে চায়, তার যদি দুর্নাম হয়, তাহলে যারা ব্যাংক দখল করে তাদের দুর্নাম হবে না?’

এরপর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাদের নিয়েও মন্তব্য করেন ফজলুর রহমান।বলেন, ‘এখন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দলের নাম সমন্বয়কের দল। আমি কিশোরগঞ্জে গেছিলাম, দেখলাম তিনটা ছেলে হাতে ডায়েরি নিয়ে হাঁটে, আমি জিজ্ঞেস করলাম বাবা তোমরা কারা, ওদের একজন বলল আমরা সমর নায়ক, আমি বললাম তুমি সমর নায়ক? সে বলল স্যার ভুল হয়ে গেছে আমরা সমন্বয়ক। জিজ্ঞেস করলাম কেন আসছিলা, সে বলল ডিসি স্যারের সঙ্গে দেখা করতে আসছি। কোন ক্লাসে পড়ো? বলল, কলেজে ফার্স্ট ইয়ারে পড়ি গুরুদয়াল কলেজে।’

তার অভিমত, এতে করে প্রজন্ম ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। রাজনীতি ছেড়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় ফেরার আহ্বান জানান, ‘এভাবে তিনটা জেনারেশন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশে। আমরা যে এইম ইন লাইফ রচনায় লেখতাম ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হতে চাই, এখন ছেলেরা লেখবে সমন্বয়ক হইতে চাই। এসব ছেড়ে পড়াশোনায় যাও। ভারতকে সারা দিন বকো? বকা দেও হাজারবার, আমরাও দেই। কিন্তু জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থেকে ভালো ছাত্র হও, বেঙ্গালুরুর আইআইটির বিজ্ঞানীর থেকেও ভালো বিজ্ঞানী হও।’

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২০২

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৩৩

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৩৩

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৩৩