বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

মায়ের সাথে জানুয়ারীতেই দেশে ফিরতে চান তারেক রহমান

আগামী জানুয়ারিতে দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দিনতারিখ চূড়ান্ত না হলেও নতুন বছরের শুরুতেই তাঁর দেশে ফেরার বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দলের শীর্ষনেতার দেশে ফেরা উপলক্ষে রাজধানী ঢাকায় এদিন দল ও অঙ্গসংগঠনের পক্ষ থেকে বিশাল শোডাউনের আয়োজন করা হবে। সারা দেশ থেকে আসা মানুষের ঢল নামবে মহানগরীতে। বিমানবন্দর থেকে শুরু করে বাসভবন […]

নিউজ ডেস্ক

০২ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৫:২৭

আগামী জানুয়ারিতে দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দিনতারিখ চূড়ান্ত না হলেও নতুন বছরের শুরুতেই তাঁর দেশে ফেরার বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দলের শীর্ষনেতার দেশে ফেরা উপলক্ষে রাজধানী ঢাকায় এদিন দল ও অঙ্গসংগঠনের পক্ষ থেকে বিশাল শোডাউনের আয়োজন করা হবে।

সারা দেশ থেকে আসা মানুষের ঢল নামবে মহানগরীতে। বিমানবন্দর থেকে শুরু করে বাসভবন পর্যন্ত লাখো নেতা-কর্মী ও সমর্থক স্বাগত জানাবেন তাদের এ প্রিয় নেতাকে। সেদিন রাজধানীতে ‘মহাসমাবেশ’ আয়োজনের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। প্রায় ১৭ বছর বিদেশে অবস্থানের পর দেশে ফিরে সেই মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন তারেক রহমান।

দলের একাধিক নির্ভরযোগ্যসূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। জানা যায়, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতার পালাবদলের পর যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন দলের কেন্দ্র থেকে তৃণমূল ও মাঠ পর্যায়ের সর্বস্তরের নেতা-কর্মী-সমর্থক। স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশে ফেরার পথ উন্মুক্ত থাকলেও ফেরেননি দলের এ কান্ডারি।

এরই মধ্যে মুক্ত হয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও একের পর এক রাজনৈতিক মামলা থেকে মুক্তি পাচ্ছেন। সর্বশেষ গতকাল ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা থেকে খালাস পেলেন তিনি।

এ মামলায় বিচারিক (নিম্ন) আদালতের রায়ে তাঁর যাবজ্জীবন কারাদে র রায় দেওয়া হয়েছিল। বাকি রাজনৈতিক মামলাগুলো থেকেও আগামী এক মাসের মধ্যে তিনি মুক্ত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে। দলের দায়িত্বশীল নেতারা জানিয়েছেন, তারেক রহমান শিগগিরই দেশে ফিরবেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি দেশে থেকেই দল ও জোটের নেতৃত্ব দেবেন।

এ বিষয়ে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, ‘সব মামলা প্রত্যাহারের মাধ্যমে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান খুব তাড়াতাড়ি দেশে ফিরে আসবেন।’ তিনি বলেন, ‘বিগত দিনগুলোয় আমরা ন্যায়বিচার পাইনি। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে অনেক অত্যাচার সহ্য করতে হয়েছে। আশা করি তিনি আমাদের মাঝে খুব তাড়াতাড়ি ফিরে আসবেন।

স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য বেগম সেলিমা রহমান বলেন, ‘তারেক রহমান বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের প্রচ রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। তাদের পতনের পর পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বর্তমানে লন্ডন সফররত বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সঙ্গে মামলাগুলোর নিষ্পত্তি ও তাঁর দেশে ফেরার বিষয়ে কথা বলবেন।

ফলে তিনি দ্রুতই দেশে ফিরবেন বলে আশা করছি।’ স্থায়ী কমিটির অন্য সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘শিগগিরই দেশে ফিরে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য তারেক রহমান বিএনপির নেতৃত্ব দেবেন। সমগ্র বাংলাদেশ তাকিয়ে আছে তাঁর আগমনের অপেক্ষায়।’

আরও চার মামলায় তারেক রহমানের সাজা বহাল : বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান গতকাল খালাস পেলেন বহুল আলোচিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায়। বর্তমানে অর্থ পাচার, দুর্নীতি, মানহানিসহ আরও চার মামলায় তাঁর সাজা বহাল রয়েছে। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার মতো বাকি মামলাগুলোতেও তারেক রহমান ন্যায়বিচার পাবেন বলে আশা করছেন তাঁর আইনজীবী।

বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে জামিনে মুক্তি নিয়ে চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেই থেকে তিনি লন্ডনে অবস্থান করছেন। ২০০৭ সাল থেকে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় পর্যন্ত তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অন্তত ৮৪টি মামলায় হয়। এর মধ্যে পাঁচটিতে সাজা হয় তাঁর। আর খারিজ, খালাস ও অব্যাহতি পেয়েছেন ৩৯ মামলায়।

বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক কায়সার কামাল  বলেন, ‘তারেক রহমান আরও মিথ্যা, সাজানো চার মামলায়।

যেভাবে ন্যায়বিচার পেয়েছেন বাকি চার মামলায়ও আশা করছি ন্যায়বিচার পাবেন।’ তিনি বলেন, ‘তারেক রহমানের বিরুদ্ধে প্রায় ৮৪টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে ৬০-৬৫টি মানহানির। ইতোমধ্যে ৩৯টি মামলায় খালাস, খারিজ ও চার্জশিট থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন।’

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৫০

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৫০

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২২১

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৫০