সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

যার সন্তান হারায়নি, সে এর যন্ত্রণা বুঝবে না: শহীদ আল আমিনের মা

 ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর উল্লাসে মেতে ওঠে সারাদেশ। ওই দিন দুপুরের পর থেকেই সব শ্রেণি-পেশার মানুষ বিজয় মিছিল নিয়ে নেমে পড়ে রাস্তায়। সেই মিছিলে পুলিশ ও আওয়ামী সমর্থিত বিভিন্ন সংগঠনের সন্ত্রাসীদের এলোপাথাড়ি গুলিতে শাহাদত বরণ করেন আল আমিন। ৫ আগস্ট দুপুরে সারাদেশের মানুষের মত রাজধানীর বাড্ডা এলাকায়ও […]

যার সন্তান হারায়নি, সে এর যন্ত্রণা বুঝবে না: শহীদ আল আমিনের মা

ছবি: সংগৃহিত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৪ মার্চ ২০২৫, ২০:৪৯

 ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর উল্লাসে মেতে ওঠে সারাদেশ। ওই দিন দুপুরের পর থেকেই সব শ্রেণি-পেশার মানুষ বিজয় মিছিল নিয়ে নেমে পড়ে রাস্তায়। সেই মিছিলে পুলিশ ও আওয়ামী সমর্থিত বিভিন্ন সংগঠনের সন্ত্রাসীদের এলোপাথাড়ি গুলিতে শাহাদত বরণ করেন আল আমিন।

৫ আগস্ট দুপুরে সারাদেশের মানুষের মত রাজধানীর বাড্ডা এলাকায়ও আনন্দ মিছিলে নামে উৎফুল্ল জনতা। মিছিলে যোগ দেন আল আমিন হোসেন আগমন চিশতীও।
পুরো রাজধানী জুড়ে যখন মানুষের বিজয় উৎসব চলছে তখনও বাড্ডা এলাকায় পুলিশ এবং আওয়ামীলিগ ও  এর বিভিন্ন  অঙ্গ সংগঠনের সন্ত্রাসীরা এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। এর এক পর্যায়ে একটি গুলি আল আমিনের মাথায় লাগে। উপস্থিত ছাত্র-জনতা তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়, কিন্তু তাতে কোনো লাভ হয়নি। দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আল আমিন হোসেন আগমনের গ্রামের বাড়ি বরগুনা সদর উপজেলার নাপিতখালী গ্রামে। তার বাবা হানিফ চিশতী (৬৬)। মা মনিহার বেগম (৪৬)। আল আমিনের তিনটি ছোট বোন রয়েছে। তিনি বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন । স্বেচ্ছাসেবক দল ভাটারা থানার যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্বে ছিলেন আল আমিন।
রাজধানীর পল্টনের অফিসে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস-এর প্রতিবেদকের সাথে আলাপকালে গণ-অভ্যুত্থানে  শহীদ আল আমিন হোসেন চিশতীর বাবা হানিফ চিশতী এসব কথা বলেন।

শহীদ আল আমিন দরিদ্র মানুষকে সবসময় সাহায্য করতেন জানিয়ে বাবা হানিফ চিশতী বলেন, ছেলেটা আমার শান্ত স্বভাবের ছিল।  সে দরিদ্র মানুষকে সহযোগিতা করত। কার ঘরে খাবার নেই, কে টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছে না-খোঁজ নিয়ে সবাইকে সহযোগিতা করত। আমার ছেলেটার জন্য মহল্লার মানুষ এখনও কাঁদে।
 
৫ আগস্ট দুপুর ৩ টার দিকে বাড্ডা থানায় প্রবেশের মুখের রাস্তায় (ফুলকলি মিষ্টির দোকানের সামনে) গুলিবিদ্ধ হন তিনি। ৬ আগস্ট বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সামনে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এরপর আল আমিনের লাশ ৭ আগস্ট দুপুরের দিকে বরগুনার নাপিত খালি গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

বাবা হানিফ চিশতী বলেন, ‘ও আমার একমাত্র সন্তান ছিল। বিএনপির রাজনীতি করার কারণে বিগত ১৬ বছর ওর সাথে আমার ঠিক মত দেখা হয়নি। পুলিশের গ্রেফতারের ভয়ে সে কখন কোথায় থেকেছে তার ঠিক ছিল না।’
তিনি বলেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন যখন শুরু হয় তখন থেকেই সে আন্দোলনে সক্রিয় হয়ে পডে। বাসায় ঠিক মত আসত না। ফোনেই ওর সাথে বেশি যোগাযোগ হত।আমি অফিসের কাজে ব্যস্ত থাকতাম।

শহীদ আল আমিনের বাবা হানিফ চিশতী বলেন, বিকেল সাড়ে ৩ টার দিকে আমার এক আত্মীয় ফোন করে জানায় আল আমিনের গুলি লাগছে। এই কথা শুনে বলি, কোথায় আছে আল আমিন? তখন সে বলে বাড্ডায় যেতে। আমি সেখানে গিয়ে শুনি ওকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হয়েছে। পরে অনেক কষ্ট করে ঢাকা মেডিকেলে যাই।

সেদিন পুরো ঢাকা ছিল মিছিলের নগরী। ঢাকা মেডিকেলে পৌঁছে দেখে একের পর এক লাশ আর আহত রোগী আসছে। চারদিকে শুধু মানুষের কান্নার রোল। পরে অনেক সময় খোঁজাখুজি করে মর্গে গিয়ে আল আমিনের লাশ পাই। দেখি, গুলিতে ঝাঁজরা রক্তমাখা নিথর দেহ পড়ে আছে। ডাক্তার বলেন, আপনার ছেলে মারা গেছে, দ্রুত লাশ নিয়ে যান।

গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ আল আমিনের মা মনিহার বেগম বলেন, ‘যার সন্তান হারায়নি, সে সন্তান হারানোর যন্ত্রণা বুঝবে না। এখনো শুনতে পাই, আল আমিন আমাকে মা মা বলে ডাকছে। কিন্তু আমার বাবা তো চলে গেছে অনেক দূরে। বিগত ১৬ বছর আমার ছেলেডারে ঠিক মত রান্না করে খাওয়াতে পারি নাই।’

আল আমিন হোসেন শহীদ হওয়ার ঘটনায় ২১ সেপ্টেম্বর বাড্ডা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন তাঁর মা মনিহার বেগম। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করা হয়। এছাড়াও এই মামলায় আরও ২৯ জনকে আসামি করা হয়েছে।

জাতীয়

হাদি হ/ত্যা/য় জড়িত প্রত্যেকের নাম উন্মোচন করে দেবো : ডিএমপি কমিশনার

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক ব্যক্তির নাম ও ঠিকানা প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শেখ মো. সাজ্জাত আলী। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে তিনি এ কথা বলেন। ডিএমপি কমিশনার বলেন, এই হত্যাকাণ্ড একটি রহস্যজনক ঘটনা এবং এর পেছনে একাধিক ব্যক্তি জড়িত […]

হাদি হ/ত্যা/য় জড়িত প্রত্যেকের নাম উন্মোচন করে দেবো : ডিএমপি কমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ০১:৩৬

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক ব্যক্তির নাম ও ঠিকানা প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শেখ মো. সাজ্জাত আলী।

শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, এই হত্যাকাণ্ড একটি রহস্যজনক ঘটনা এবং এর পেছনে একাধিক ব্যক্তি জড়িত থাকার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। এ পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং হত্যার মূল পরিকল্পনাকারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে শনাক্ত করতে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে যারা রয়েছেন, তাদের প্রত্যেকের পরিচয় জনসম্মুখে আনা হবে বলে তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, হাদিকে গুলির ঘটনায় ব্যবহৃত দুটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে। অস্ত্রগুলো বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার জন্য সিআইডি-তে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি ডিবি পুলিশ উদ্ধার করেছে।

হত্যাকাণ্ডে বিপুল অর্থ ব্যয়ের বিষয়টি উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার জানান, তদন্তে ২১৮ কোটি টাকার সই করা একটি চেক উদ্ধার করা হয়েছে, যা ঘটনার অর্থনৈতিক যোগসূত্র বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

তিনি বলেন, আগামী ১০ দিনের মধ্যে, অর্থাৎ ৭ জানুয়ারির মধ্যেই এ মামলার চার্জশিট আদালতে দাখিল করা হবে।

এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানসহ ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

হাদির হত্যার বিচার দাবিতে শনিবার টানা দ্বিতীয় দিনের মতো শাহবাগে অবরোধ কর্মসূচি পালন করে ইনকিলাব মঞ্চ। এর আগে শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) জুমার নামাজের পর ইনকিলাব মঞ্চ ও জুলাই মঞ্চের নেতাকর্মীসহ সাধারণ শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শাহবাগ মোড়ে এসে অবস্থান নেন। অবস্থান কর্মসূচি শুরু হলে এতে সমাজের নানা স্তরের মানুষের অংশগ্রহণ দেখা যায়।

জাতীয়

সবার হাতে এ কে-৪৭ থাকবে, ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না : এডিসি জুয়েল

নির্বাচনী নিরাপত্তা নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এডিসি জুয়েল। তিনি বলেছেন, নির্বাচন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে থাকবে এবং ব্যালট বাক্সে হাত দেওয়ার চেষ্টা করলে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। তার বক্তব্য—“সবার হাতে এ কে-৪৭ থাকবে, ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না।” সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে এসব […]

নিউজ ডেস্ক

১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৮:৫৯

নির্বাচনী নিরাপত্তা নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এডিসি জুয়েল। তিনি বলেছেন, নির্বাচন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে থাকবে এবং ব্যালট বাক্সে হাত দেওয়ার চেষ্টা করলে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। তার বক্তব্য—“সবার হাতে এ কে-৪৭ থাকবে, ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না।”

সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন এডিসি জুয়েল। তিনি বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে। কোনো ধরনের সন্ত্রাস, ভোট কারচুপি কিংবা কেন্দ্র দখলের চেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না।

এডিসি জুয়েল আরও বলেন, নির্বাচনের দিন প্রতিটি কেন্দ্র থাকবে কড়া নজরদারিতে। পুলিশ, বিজিবি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করবে। যারা ভোটের পরিবেশ নষ্ট করতে চাইবে, তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। কেউ কেউ এটিকে কঠোর বার্তা হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ ভাষা ব্যবহারের সমালোচনাও করছেন।

তবে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য ছিল নির্বাচন নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে আস্থা তৈরি করা এবং দুষ্কৃতকারীদের সতর্ক করা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নির্বাচনকে ঘিরে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা হতে দেবে না বলেও তারা পুনর্ব্যক্ত করেছে।

জাতীয়

থানার ওসি যেন মন্ত্রীকে ফোন না করে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

যেকোনো মূল্যে কমান্ড চেইন বজায় রাখার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। থানার ওসি যেন কখনো সরাসরি মন্ত্রীকে ফোন না করেন—এমন কড়া নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পাশাপাশি কোনো ধরনের তদবির ও দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের সচিব ও কর্মকর্তাদের […]

থানার ওসি যেন মন্ত্রীকে ফোন না করে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০০:৩১

যেকোনো মূল্যে কমান্ড চেইন বজায় রাখার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। থানার ওসি যেন কখনো সরাসরি মন্ত্রীকে ফোন না করেন—এমন কড়া নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পাশাপাশি কোনো ধরনের তদবির ও দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের সচিব ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব নির্দেশনা দেন।

বৈঠকে উপস্থিত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের সচিব ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া ঢাকার পুলিশ কমিশনার ও ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজিও অংশ নেন।

উপস্থিত কর্মকর্তারা জানান, শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উপস্থিত কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিত হন। পরে তাঁর বক্তব্যে তিনি বলেন, যেকোনো মূল্যে চেইন অব কমান্ড বজায় রাখতে হবে। পুলিশের সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ করা যাবে না। থানার ওসির ফোন যেন সরাসরি মন্ত্রীর কাছে না আসে। এসব বিষয়ে তিনি কঠোর অবস্থানের কথা জানান।

গত ১৭ বছরের পুলিশি কার্যক্রমের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বৈঠকে মন্ত্রী জানান, অতীতে যা ঘটেছে, তা নিয়ে তিনি পেছনে ফিরতে চান না। তিনি নিজেও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে উল্লেখ করেন। তবে সামনে এগিয়ে গিয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করাই হবে প্রধান লক্ষ্য। তিনি কাজের মূল্যায়নে বিশ্বাসী বলেও জানান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক কর্মকর্তা জানান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন কোনো ধরনের তদবির গ্রহণযোগ্য হবে না এবং দুর্নীতির ক্ষেত্রে শূন্য সহনশীলতা নীতি অনুসরণ করা হবে। বাহিনীর মধ্যে কেউ অপরাধে জড়িত থাকলে সঙ্গে সঙ্গে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসব বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

এই কর্মকর্তা আরও জানান, সড়কে জনগণের ভোগান্তির বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেছেন, জনগণকে দুর্ভোগে ফেলে কোনো কর্মসূচি নেওয়া যাবে না। প্রয়োজনে রাস্তার এক লেন চালু রেখে কর্মসূচি পরিচালনার বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হবে বলে পুলিশকে তিনি নির্দেশ দেন।