রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আইন-আদালত

৮৫৭ কোটি টাকা আত্মসাৎ: গ্রেপ্তারের পর কারাগারে এক্সিম ব্যাংকের সাবেক এমডি

৮৫৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের দায়ের করা মামলায় এক্সিম ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

নিউজ ডেস্ক

০৬ নভেম্বর ২০২৫, ১৮:২০

৮৫৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের দায়ের করা মামলায় এক্সিম ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে তাকে ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে বিচারক তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আদালত সূত্র জানায়, দুদকের সহকারী পরিচালক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ আদালতে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ফিরোজ হোসেনকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অপরদিকে তার আইনজীবী জামিন আবেদন করলে দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর দেলোয়ার জাহান রুমি জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে বিচারক জামিন আবেদন নাকচ করেন।

এর আগে, বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে দুদকের সহকারী পরিচালক শাহজাহান মিরাজের নেতৃত্বে একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে।

উল্লেখ্য, ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ঋণ অনুমোদন করে এক্সিম ব্যাংকের ৮৫৭ কোটি ৯৩ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারসহ মোট ২১ জনের বিরুদ্ধে গত ১৭ আগস্ট মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০২২ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে মদিনা ডেটস অ্যান্ড নাটস নামের একটি প্রতিষ্ঠান কোনো জামানত ছাড়াই এবং কোনো পণ্য ক্রয় না করেই ব্যাংক কর্মকর্তাদের যোগসাজশে বিশাল অঙ্কের এ অর্থ আত্মসাৎ ও বিদেশে পাচার করে।

দুদকের তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এটি দেশের ব্যাংক খাতের ইতিহাসে অন্যতম বড় দুর্নীতির মামলা, যেখানে প্রভাবশালী ব্যাংক কর্মকর্তাদের ভূমিকা স্পষ্টভাবে চিহ্নিত হয়েছে।

আইন-আদালত

হাসনাতের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর আপিল শুনানি পেছালো

কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিলের ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা আপিল আবেদনের শুনানি পিছিয়েছে। এ বিষয়ে আগামী ২৮ জানুয়ারি পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন সুপ্রিম কোর্ট-এর আপিল বিভাগ। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ ও নিয়মিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন। এর আগে একই দিনে […]

নিউজ ডেস্ক

২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩:০৬

কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিলের ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা আপিল আবেদনের শুনানি পিছিয়েছে। এ বিষয়ে আগামী ২৮ জানুয়ারি পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন সুপ্রিম কোর্ট-এর আপিল বিভাগ।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ ও নিয়মিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন। এর আগে একই দিনে আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতও শুনানির জন্য নতুন দিন নির্ধারণ করেছিলেন।

উল্লেখ্য, কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী-এর মনোনয়নপত্র বাতিল করে নির্বাচন কমিশন। ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি হাইকোর্টে রিট করেন। তবে হাইকোর্ট রিটটি খারিজ করে দেন।

হাইকোর্টের সেই আদেশের বিরুদ্ধে মুন্সীর পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় আপিল আবেদন করেন তার আইনজীবী সাইফুল্লাহ আল মামুন। গত বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) চেম্বার জজ আদালতে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয় এবং সেখান থেকেই বিষয়টি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে পাঠানো হয়।

আইনি প্রক্রিয়ার এই অগ্রগতির দিকে নজর রাখছেন কুমিল্লা-৪ আসনের ভোটার ও রাজনৈতিক মহল। আগামী ২৮ জানানির শুনানিকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী পরিস্থিতিতে নতুন মোড় আসতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আইন-আদালত

৩ আসনের সব ব্যালট পেপার, রেজাল্ট শিটসহ সব নথি হাইকোর্টের হেফাজতে নেয়ার নির্দেশ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনটি আসনে কারচুপির অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে আবেদন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সংশ্লিষ্ট আসনগুলো হলো ঢাকা-৬, ঢাকা-৭ ও গাইবান্ধা-৪। আবেদনের পর নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল এসব আসনের সব ব্যালট পেপার, রেজাল্ট শিটসহ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র বাংলাদেশ হাইকোর্ট-এর হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) এ আদেশ দেওয়া হয়। এর আগে ১৯ ফেব্রুয়ারি গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ […]

নিউজ ডেস্ক

২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২:৩৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনটি আসনে কারচুপির অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে আবেদন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সংশ্লিষ্ট আসনগুলো হলো ঢাকা-৬, ঢাকা-৭ ও গাইবান্ধা-৪। আবেদনের পর নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল এসব আসনের সব ব্যালট পেপার, রেজাল্ট শিটসহ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র বাংলাদেশ হাইকোর্ট-এর হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) এ আদেশ দেওয়া হয়। এর আগে ১৯ ফেব্রুয়ারি গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনি অনিয়ম সংক্রান্ত আবেদন শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। বিচারপতি মো. জাকির হোসেন-এর নেতৃত্বে একক বেঞ্চ এসব আবেদনের শুনানি করবেন।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোটগ্রহণ হয় এবং ২৯৭টি আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়। পরে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন গেজেট প্রকাশ করে। তবে আদালতের নির্দেশনার কারণে দুটি আসনের গেজেট এখনো প্রকাশ হয়নি।

আইন-আদালত

বাদ দেওয়া হচ্ছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামকে

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি)-এর চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামের পরিবর্তে নতুন একজনকে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নতুন সরকার। এই পদে অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলামকে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। রোববার রাতে ফেসবুক প্রোফাইলে খবরটি প্রকাশ করেন ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান। আমিনুল ইসলাম আগে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দুর্নীতি মামলায় তার পক্ষে আইনজীবী […]

বাদ দেওয়া হচ্ছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামকে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:২৮

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি)-এর চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামের পরিবর্তে নতুন একজনকে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নতুন সরকার। এই পদে অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলামকে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। রোববার রাতে ফেসবুক প্রোফাইলে খবরটি প্রকাশ করেন ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান।

আমিনুল ইসলাম আগে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দুর্নীতি মামলায় তার পক্ষে আইনজীবী দলের সদস্য ছিলেন। ওই মামলায় খালেদা জিয়া কারাদণ্ড পান।

একটি সূত্র জানিয়েছে, এ সিদ্ধান্তের বিষয়ে তাজুল ইসলামকে অনানুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। তবে তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। রোববার চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলামকে আইনমন্ত্রী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান তার কার্যালয়ে ডেকে পাঠান। সেখানে তাজুল ইসলামকে জানানো হয় নতুন চিফ প্রসিকিউটর নিয়োগে সরকারের উচ্চ মহলের আগ্রহের কথা।