শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আইন-আদালত

ফয়াসলই আমাকে হাদির কাছে নিয়ে গিয়েছিল : ফয়সালের সহযোগী

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী মো. কবির আদালতে দাবি করেছেন, তিনি ফয়সালের গাড়ি চালাতেন এবং ফয়সালই তাকে হাদির কাছে নিয়ে গিয়েছিলেন। ঘটনার বিষয়ে এর বাইরে তিনি আর কিছু জানেন না বলে আদালতকে জানান কবির। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) বিকেলে রিমান্ড শুনানিতে এসব কথা বলেন তিনি। শুনানি […]

নিউজ ডেস্ক

১৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২:০২

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী মো. কবির আদালতে দাবি করেছেন, তিনি ফয়সালের গাড়ি চালাতেন এবং ফয়সালই তাকে হাদির কাছে নিয়ে গিয়েছিলেন। ঘটনার বিষয়ে এর বাইরে তিনি আর কিছু জানেন না বলে আদালতকে জানান কবির।

মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) বিকেলে রিমান্ড শুনানিতে এসব কথা বলেন তিনি। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুজ্জামানের আদালত কবিরের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে গত রোববার রাতে নারায়ণগঞ্জে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার বিকাল ৪টা ৫৩ মিনিটে রিমান্ড শুনানি শুরু হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।

শুনানিতে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় দেখা যায়—আসামি কবির ফয়সাল করিম মাসুদসহ অন্যদের সঙ্গে ওসমান হাদির কালচারাল সেন্টারে যান। হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি কবিরের মালিকানাধীন বলে উল্লেখ করেন তিনি। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত এবং পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের স্বার্থে ১০ দিনের রিমান্ড প্রয়োজন বলে আদালতকে অবহিত করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. কাইয়ুম হোসেন নয়ন রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে বলেন, আসামি কবির আদাবর থানার স্বেচ্ছাসেবক লীগের ১ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক। মোটরসাইকেলযোগে হাদিকে গুলি করা হয়েছে এবং তার জীবন এখনো সংকটাপন্ন। তিনি আরও বলেন, ঘটনার পর সংশ্লিষ্টদের ছবি ভাইরাল হলে কবির আত্মগোপনে যান। হত্যাচেষ্টার সঙ্গে আর কারা জড়িত, তা জানতে রিমান্ড প্রয়োজন।

এ সময় বিচারক কাঠগড়ায় দাঁড়ানো কবিরের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, “স্যার, আমি ১৮ দিন আগে উনার (ফয়সাল) গাড়ি ও পাঠাও চালাতাম। উনি আমাকে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যেতেন। উনিই আমাকে হাদির কাছে নিয়ে যান। ফুটেজে আমাকে দেখা গেছে—এর বাইরে আমি আর কিছুই জানি না।”

উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর পুরানা পল্টনের বক্স-কালভার্ট রোডে মোটরসাইকেল আরোহীরা ওসমান হাদির মাথায় গুলি করে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে, পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়।

উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়েছে। একই ঘটনায় মোটরসাইকেলের মালিক মো. আব্দুল হান্নানসহ ফয়সালের স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ সিপু ও বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমার রিমান্ডও মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আইন-আদালত

১৫ সেনা কর্মকর্তার আইনজীবী থাকছেন না ব্যারিস্টার সরোয়ার

আওয়ামী লীগ শাসনামলে টিএফআই-জেআইসি সেলে গুম-খুনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের পৃথক তিনটি মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারের মুখোমুখি ১৫ জন সেনা কর্মকর্তার আইনজীবী থাকছেন না ব্যারিস্টার এম সরোয়ার হোসেন। বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, আমি যে গুমের অভিযোগ দায়ের করেছিলাম, গ্রেফতার হওয়া ১৫ কর্মকর্তার মধ্যে একজন রয়েছেন। তাই আর আইনি […]

১৫ সেনা কর্মকর্তার আইনজীবী থাকছেন না ব্যারিস্টার সরোয়ার

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ অক্টোবর ২০২৫, ১৫:২৯

আওয়ামী লীগ শাসনামলে টিএফআই-জেআইসি সেলে গুম-খুনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের পৃথক তিনটি মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারের মুখোমুখি ১৫ জন সেনা কর্মকর্তার আইনজীবী থাকছেন না ব্যারিস্টার এম সরোয়ার হোসেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, আমি যে গুমের অভিযোগ দায়ের করেছিলাম, গ্রেফতার হওয়া ১৫ কর্মকর্তার মধ্যে একজন রয়েছেন। তাই আর আইনি লড়াইয়ে থাকছি না।

জানা গেছে, ট্রাইব্যুনাল ও গুম কমিশনে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) এস এম শফিউদ্দিন আহমেদসহ সাবেক তিন সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিজেই অভিযোগ দায়ের করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা ব্যারিস্টার এম সরোয়ার হোসেন। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন তাদেরই একজন এই ১৫ জনের মধ্যে গ্রেফতার আছেন।

এর আগে বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ ১৫ সেনা কর্মকর্তার পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সরোয়ার।

আইন-আদালত

ভারতে অবস্থানরত হাসিনাসহ ১৭ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

সরকারের ৩০৯ কোটি আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় পতিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার দল আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতা ও একাধিক মন্ত্রীসহ ১৭ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আদালত। রোববার ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের অবকাশকালীন বিচারক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন এই আদেশ দেন। দুদকের সহকারী পরিচালক মো. তানজিল হাসান নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন। সংস্থাটির সহকারী পরিচালক […]

নিউজ ডেস্ক

২১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬:৫৬

সরকারের ৩০৯ কোটি আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় পতিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার দল আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতা ও একাধিক মন্ত্রীসহ ১৭ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আদালত।

রোববার ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের অবকাশকালীন বিচারক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন এই আদেশ দেন।

দুদকের সহকারী পরিচালক মো. তানজিল হাসান নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন। সংস্থাটির সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) তানজির আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত সাবেক মন্ত্রীরা হলেন আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, খন্দকার মোশাররফ হোসাইন, ওবায়দুল কাদের, আনিসুল হক, মো. আব্দুল মান্নান। অন্যরা হলেন এম এ এন সিদ্দিক, রফিকুল জলিল, মোহাম্মদ শফিকুল কারীম, মো. ফিরোজ ইকবাল, ইবনে আলম হাসান, মো. আফতাব হোসাইন খান, মো. আব্দুস সালাম, মনির উজ জামান চৌধুরী, সেলিনা চৌধুরী, মো. ইকরাম ইকবাল।

নিষেধাজ্ঞার আবেদনে বলা হয়েছে, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেম লিমিটেড শতকরা ১৭.৭৫ শতাংশ হারে ৫ বছর মেয়াদে ৪৮৯ কোটি ৪৩ লাখ ৭৩ হাজার টাকা বিল গ্রহণ করে। এতে সরকারের ৩০৯ কোটি ৪২ লাখ ৪৫ হাজার ৮৯০ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়।

আসামিরা প্রতারণার মাধ্যমে পরস্পর যোগসাজশে নিজেরা লাভবান হয়ে আত্মসাৎ করেছেন। আসামিদের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছে।

মামলার এজাহারনামীয় আসামিরা দেশত্যাগ করতে পারেন মর্মে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়। এতে মামলার তদন্ত কার্যক্রম বাধাগ্রস্তসহ গুরুত্বপূর্ণ আলামত নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। তাই মামলা সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া প্রয়োজন। শুনানি শেষে তাদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দেন আদালত।

আইন-আদালত

বিপুল সংখ্যক জামিন দেয়ায় ৩ বিচারপতির কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছেন প্রধান বিচারপতি

বিপুল সংখ্যক আসামির জামিন দেয়ায় হাইকোর্টের তিন বিচারপতির কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। মঙ্গলবার সকালে এ তথ্য জানা গেছে। এদিকে জুলাই-আগস্টের একটি হত্যা মামলার আসামি আব্দুল হক প্রামাণিকের জামিন শুনতে বিব্রতবোধ করেছেন আপিল বিভাগ। হাইকোর্ট বিভাগের এ তিন বিচারপতি হলেন- বিচারপতি আবু তাহের সাইফুর রহমান, বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি […]

নিউজ ডেস্ক

২৮ অক্টোবর ২০২৫, ১১:৫১

বিপুল সংখ্যক আসামির জামিন দেয়ায় হাইকোর্টের তিন বিচারপতির কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। মঙ্গলবার সকালে এ তথ্য জানা গেছে।

এদিকে জুলাই-আগস্টের একটি হত্যা মামলার আসামি আব্দুল হক প্রামাণিকের জামিন শুনতে বিব্রতবোধ করেছেন আপিল বিভাগ।

হাইকোর্ট বিভাগের এ তিন বিচারপতি হলেন- বিচারপতি আবু তাহের সাইফুর রহমান, বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি জাকির হোসেন।