মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

ইসলাম ও জীবন

নতুন বছরে সুন্দর ভবিষ্যত পেতে যা করবেন?

প্রত্যেকটা পরতে পরতে ,সময়ের প্রতিটি ফরে ফরে, আল্লাহর মহিমা নব নব রূপে দীপ্তমান। আকাশের নীলিমা, সাগরের গভীরতা, মাটির পরত, বালুর রেণু, শব্দের তরঙ্গ, প্রাণের বৈচিত্র,পাতার মড়মড়ে শব্দে এগুলি সব সময় আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, জীবনের প্রতিটি মুহূর্তের মূল্যায়ন করতে হবে, কঠোর পরিশ্রম করার মাধ্যমে। আমাদের জীবনযাত্রার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো জীবিকা অর্জন। ইসলামে এই […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জানুয়ারী ২০২৫, ১৬:৩২

প্রত্যেকটা পরতে পরতে ,সময়ের প্রতিটি ফরে ফরে, আল্লাহর মহিমা নব নব রূপে দীপ্তমান। আকাশের নীলিমা, সাগরের গভীরতা, মাটির পরত, বালুর রেণু, শব্দের তরঙ্গ, প্রাণের বৈচিত্র,পাতার মড়মড়ে শব্দে এগুলি সব সময় আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, জীবনের প্রতিটি মুহূর্তের মূল্যায়ন করতে হবে, কঠোর পরিশ্রম করার মাধ্যমে।

আমাদের জীবনযাত্রার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো জীবিকা অর্জন। ইসলামে এই অর্জনকে ফরজ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে, এবং এই পথে কঠোর পরিশ্রমই হলো সফলতার একমাত্র চাবিকাঠি। কুরআনের সূরা নাজিয়াতে বলা হয়েছে, মানুষকে তার কৃত কর্ম অনুযায়ী ফল দেওয়া হবে।

অর্থাৎ, আমরা যত পরিশ্রম করব, তার ফল ততই বেশি পাব। দুনিয়াতে জীবন যাপন এক অবিরাম সংগ্রাম, আর এই সংগ্রামে সফল হতে হলে আমাদেরকে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। রোদের তাপে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে, ঘাম ঝরিয়ে নিজেদেরকে গড়ে তুলতে হবে। এই পরিশ্রমই আমাদের লক্ষ্য অর্জনের পথ খুলে দিবে। ইনশাআল্লাহ ।

কুরআনে কারিমে আল্লাহ তায়ালা বলেন, یٰۤاَیُّہَا الۡاِنۡسَانُ اِنَّکَ کَادِحٌ اِلٰی رَبِّکَ کَدۡحًا فَمُلٰقِیۡہِ
হে মানুষ! তুমি নিজের প্রতিপালকের কাছে না পৌঁছা পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্নভাবে পরিশ্রম করে যাবে, পরিশেষে তুমি তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে।(সূরা ইনশিরাহ, আয়াত: ৬)
এই আয়াত আমাদেরকে জানিয়ে দেয় যে, দুনিয়ার জীবন একটি পরীক্ষা, আর এই পরীক্ষায় সফল হতে হলে আমাদেরকে ক্রমাগত পরিশ্রম করে যেতে হবে। আমাদের কাজের প্রতি লজ্জা না হয়ে, অলসতা ও ফুটানি নিয়ে লজ্জিত হওয়া উচিত।

আরেকটি আয়াতে আল্লাহ তায়ালা স্পষ্টভাবে বলেন, لَقَدۡ خَلَقۡنَا الۡاِنۡسَانَ فِیۡ کَبَدٍ
নিশ্চয় আমি মানুষকে কষ্ট ও পরিশ্রম নির্ভর করে সৃষ্টি করেছি। (সূরা আল-বালাদ, আয়াত: ৪)
অর্থাৎ, মানুষের স্বভাবই হলো পরিশ্রম করা। পৃথিবীতে টিকে থাকার জন্য এবং সফলতার জন্য আমাদেরকে অবশ্যই কঠোর পরিশ্রম করতে হবে।

আল্লাহ তায়ালা দিনের আলোকে সৃষ্টি করেছেন আমাদের কাজ করার জন্য। সূরা নাবাতে বলা হয়েছে, وَّجَعَلۡنَا النَّهَارَ مَعَاشًا
আর দিনকে বানিয়েছি কাজের জন্য।(সূরা নাবা, আয়াত: ১১)
এই আয়াত থেকে বোঝা যায়, দিনের আলো আমাদেরকে কাজ করার জন্য দেওয়া হয়েছে, যাতে আমরা রাতে বিশ্রাম নিয়ে পরবর্তী দিন আরও ভালোভাবে কাজ করতে পারি। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত আমরা এই সময়ের সদ্ব্যবহার না করে, প্রাপ্ত সুযোগ হারিয়ে ফেলছি।

ইসলামে নামাজের পরপরই পরিশ্রমের গুরুত্ব বোঝানো হয়েছে। সূরা জুময়ায় আল্লাহ তায়ালা বলেন, فَاِذَا قُضِیَتِ الصَّلٰوۃُ فَانۡتَشِرُوۡا فِی الۡاَرۡضِ وَابۡتَغُوۡا مِنۡ فَضۡلِ اللّٰہِ وَاذۡکُرُوا اللّٰہَ کَثِیۡرًا لَّعَلَّکُمۡ تُفۡلِحُوۡنَ
যখন তোমাদের নামাজ শেষ হয়ে যাবে, তোমরা যমীনে ছড়িয়ে পড় এবং আল্লাহর অনুগ্রহ সন্ধান কর, এবং আল্লাহকে স্মরণ কর বেশি বেশি, যাতে তোমরা সফলকাম হও। (সূরা জুমা, আয়াত: ১০)
এই আয়াত আমাদের জানায় যে, নামাজ আদায়ের পর শুধু মসজিদে বসে থাকা নয়; বরং পার্থিব জীবনের সফলতার জন্যও পরিশ্রম করতে হবে।

ইসলাম পরিশ্রমে বিশ্বাসী,  হাদিস শরিফে এসেছে, وَعَنِ الْمِقدَامِ بنِ مَعْدِيْكَرِبَ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ مَا أكَلَ أَحَدٌ طَعَامًا قَطُّ خَيْرًا مِنْ أنْ يَأكُلَ مِنْ عَمَلِ يَدِه وَإنَّ نَبيَّ الله دَاوُدَ كَانَ يَأكُلُ مِنْ عَمَلِ يَدِهِ رواه البخاري
নিজের হাতের উপার্জন থেকে উত্তম খাবার কেউ কখনো খায়নি। হযরত দাউদ আ. যিনি নিজ হাতে বর্মা বানিয়ে জীবিকা অর্জন করতেন।(বুখারী, হাদিস: ২০৭২) এতে প্রমাণিত হয় যে, ইসলামে পরিশ্রমকে প্রচণ্ড গুরুত্ব দেয় হয়েছে।

বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ সা. ছিলেন একজন কঠোর পরিশ্রমী ব্যক্তি। তাঁর প্রথম কর্মজীবন ছিল রাখাল হিসেবে, যেখানে তিনি মক্কাবাসীদের জন্য বকরি চরাতেন। হাদিসে এসেছে, وَعَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ مَا بَعَثَ اللهُ نَبِيّاً إِلاَّ رَعَى الْغَنَمَ فَقَالَ أصْحَابُهُ : وأنْتَ ؟ قَالَ نَعَمْ كُنْتُ أرْعَاهَا عَلَى قَرَارِيطَ لأَهْلِ مَكَّةَ رواه البخاري
আল্লাহ তায়ালা এমন কোন নবী প্রেরণ করেননি, যিনি বকরী চাড়াননি। (বুখারী, হাদিস: ২২৬২)
এটা প্রমাণ করে যে, নবীগণ সাধারণ মানুষের মতো পরিশ্রমী ছিলেন এবং তাঁরা দেখিয়েছেন , যে কোনো কাজই সম্মানজনক, জীবনকে সুন্দর করতে কঠোর প্ররিশ্রম করার কনো বিকল্প নেই ।

বিশ্বনবী সা. এর সাহাবীগণও পরিশ্রমী ছিলেন। কেউ খেজুর বাগানে কাজ করতেন, কেউ কৃষি কাজ করতেন, কেউ ব্যবসা করতেন। তারা প্রত্যেকে নিজেদের জীবিকা অর্জনে কঠোর পরিশ্রম করেছেন। তাঁদের পরিশ্রমী জীবন আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে রয়েছে। সাহাবীগণের এই পরিশ্রম আমাদের শেখায় যে, সফল হতে হলে কঠোর পরিশ্রম করা অপরিহার্য, এবং কোনো কাজই ছোট নয়।

নতুন বছরে আমরা সবাই যেন এই শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে চলতে পারি, আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে শক্তি ও সাহস দান করুন, যেন আমরা প্রতিটি কাজে সফলতা লাভ করতে পারি। আমিন।

ইসলাম ও জীবন

শবে বরাত: ক্ষমা, রহমত ও ভাগ্যনির্ধারণের বরকতময় রজনী

মহান আল্লাহ তায়ালা তাঁর বান্দাদের প্রতি অসীম দয়ালু ও ক্ষমাশীল। তিনি বিভিন্ন সময় ও উপলক্ষ নির্ধারণ করে দেন, যাতে গুনাহগার বান্দারা অনুতপ্ত হয়ে তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে পারে। এমনই একটি বিশেষ রজনী হলো শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাত, যা মুসলমানদের কাছে শবে বরাত নামে পরিচিত। কোরআনুল কারিমে এই রাতকে বলা হয়েছে ‘লাইলাতুম মুবারাকা’—বরকতময় […]

শবে বরাত: ক্ষমা, রহমত ও ভাগ্যনির্ধারণের বরকতময় রজনী

শবে বরাত: ক্ষমা, রহমত ও ভাগ্যনির্ধারণের বরকতময় রজনী

নিউজ ডেস্ক

০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৮:৫৯

মহান আল্লাহ তায়ালা তাঁর বান্দাদের প্রতি অসীম দয়ালু ও ক্ষমাশীল। তিনি বিভিন্ন সময় ও উপলক্ষ নির্ধারণ করে দেন, যাতে গুনাহগার বান্দারা অনুতপ্ত হয়ে তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে পারে। এমনই একটি বিশেষ রজনী হলো শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাত, যা মুসলমানদের কাছে শবে বরাত নামে পরিচিত।

কোরআনুল কারিমে এই রাতকে বলা হয়েছে ‘লাইলাতুম মুবারাকা’—বরকতময় রাত। আর হাদিসে একে উল্লেখ করা হয়েছে ‘লাইলাতুন নিস্ফ মিন শাবান’ হিসেবে।

শবে বরাতের ফজিলত ও তাৎপর্য
হজরত মুআজ ইবনে জাবাল (রা.) সূত্রে বর্ণিত এক হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন,
“শাবান মাসের অর্ধ রজনীতে আল্লাহ তায়ালা সৃষ্টিজগতের প্রতি রহমতের দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও হিংসুক ছাড়া সবাইকে ক্ষমা করে দেন।”
(সহিহ ইবনে হিব্বান, হাদিস: ৫৬৬৫)

অষ্টম শতাব্দীর প্রখ্যাত হাদিস বিশারদ আল্লামা নূরুদ্দীন হাইসামি (রহ.) এই হাদিসের সব বর্ণনাকারীকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।

এ বিষয়ে হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত এক হাদিসে জানা যায়, শবে বরাতের রাতে রাসুলুল্লাহ (সা.) দীর্ঘ সময় সিজদায় মগ্ন ছিলেন। পরে তিনি বলেন,
“এ রাতে আল্লাহ তায়ালা তাঁর বান্দাদের প্রতি বিশেষ করুণার দৃষ্টি দেন এবং ক্ষমাপ্রার্থীদের ক্ষমা করেন।”
(শুআবুল ইমান)

শবে বরাতে ইবাদত ও রোজার গুরুত্ব
হজরত আলী (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন,
“১৪ শাবানের রাত তোমরা ইবাদতের মাধ্যমে অতিবাহিত করো এবং পরদিন রোজা রাখো।”
(সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস: ১৩৮৮)

হাদিস বিশারদদের মতে, ফজিলতের ক্ষেত্রে এই হাদিস গ্রহণযোগ্য।

ভাগ্য নির্ধারণের রাত
পবিত্র কোরআনে সুরা দুখানে আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন—
“এই বরকতময় রাতে হেকমতপূর্ণ সব বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।”
(সুরা দুখান: ২–৩)

তাফসিরকারদের একাংশের মতে, এখানে শবে বরাতের কথাই বোঝানো হয়েছে। হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন,
“অর্ধ শাবানের রাতে সব ফয়সালা নির্ধারিত হয়, আর শবে কদরে তা দায়িত্বপ্রাপ্ত ফেরেশতাদের কাছে অর্পণ করা হয়।”

হাদিসে আরও এসেছে—এই রাতে মানুষের জন্ম-মৃত্যু, রিজিক ও আমলনামা নির্ধারণ করা হয়।

করণীয় কী?

শবে বরাতের রাতে বেশি বেশি—

  • তসবিহ-তাহলিল
  • ইসতিগফার
  • দরুদ শরিফ
  • কোরআন তেলাওয়াত
  • নফল ও কাজা নামাজ
  • দোয়া ও মুনাজাত
  • কবর জিয়ারত
  • করার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

উপসংহার
শবে বরাত কোনো বিদআত নয়; বরং কোরআন ও সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত একটি ফজিলতপূর্ণ রাত। এই রাতে আল্লাহর দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা, আত্মশুদ্ধি ও ইবাদতের মাধ্যমে নিজেকে পরিশুদ্ধ করার সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে।

আল্লাহ তায়ালা যেন আমাদের সবাইকে শবে বরাতের ফজিলত উপলব্ধি করে যথাযথভাবে আমল করার তাওফিক দান করেন। আমিন।

লেখক:
মাওলানা মির্জা নাইমুল হাসান বেগ

ইসলাম ও জীবন

জনপ্রিয় ব্রিটিশ র‍্যাপার সেন্ট্রাল সির ইসলাম গ্রহণ

২৭ বছর বয়সী এই শিল্পী একটি লাইভস্ট্রিমে ইসলাম গ্রহণের ঘোষণা দেন। তার আগের নাম ছিল ওকলি নীল সিজার-সু (Oakley Neil Caesar-Su)। লন্ডনের শেফার্ডস বুশ থেকে উঠে আসা এই র‍্যাপার বর্তমানে বিশ্বসংগীতের অন্যতম পরিচিত মুখ। কনটেন্ট ক্রিয়েটর ‘PlaqueBoyMax’-এর সাথে একটি লাইভ চলাকালীন তিনি জানান, তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। এখন থেকে তিনি ‘আখিল’ নামে পরিচিত হতে […]

জনপ্রিয় ব্রিটিশ র‍্যাপার সেন্ট্রাল সির ইসলাম গ্রহণ

জনপ্রিয় ব্রিটিশ র‍্যাপার সেন্ট্রাল সির ইসলাম গ্রহণ

নিউজ ডেস্ক

০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:২৪

২৭ বছর বয়সী এই শিল্পী একটি লাইভস্ট্রিমে ইসলাম গ্রহণের ঘোষণা দেন। তার আগের নাম ছিল ওকলি নীল সিজার-সু (Oakley Neil Caesar-Su)।

লন্ডনের শেফার্ডস বুশ থেকে উঠে আসা এই র‍্যাপার বর্তমানে বিশ্বসংগীতের অন্যতম পরিচিত মুখ। কনটেন্ট ক্রিয়েটর ‘PlaqueBoyMax’-এর সাথে একটি লাইভ চলাকালীন তিনি জানান, তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। এখন থেকে তিনি ‘আখিল’ নামে পরিচিত হতে চান। এর আগে সেন্ট্রাল সি তার ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে জনসমক্ষে খুব একটা কথা বলেননি।

২০১৪ সালে যাত্রা শুরু করলেও ২০২১ সালের দিকে সেন্ট্রাল সি ইউকে র‍্যাপ জগতে এক প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। প্রথম ব্রিটিশ র‍্যাপার হিসেবে একটি একক প্ল্যাটফর্মে এক বিলিয়ন স্ট্রিম অর্জনের রেকর্ড রয়েছে তার। ড্রেক (Drake) এবং জে. কোল (J. Cole)-এর মতো বিশ্বসেরা তারকাদের সাথে কাজ করে তিনি গত কয়েক বছরে সাফল্যের তুঙ্গে রয়েছেন।

নিজের দ্রুত উত্থান সম্পর্কে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, সবকিছু এতো দ্রুত ঘটছে যে মাঝে মাঝে বিশ্বাস করা কঠিন হয়ে যায়। আমি এতোদিন ধরে এতো দ্রুত দৌড়াচ্ছি যে এসব নিয়ে ভাবার সময়টুকুও পাইনি।

পেশাদার জীবনের এই ব্যস্ততার মাঝে তার এই ব্যক্তিগত এবং আধ্যাত্মিক পরিবর্তন ভক্তদের মাঝে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে তার অনুসারীরা তাকে শুভকামনা জানাচ্ছেন। মুসলিম কমিউনিটির পক্ষ থেকে তার এই সিদ্ধান্তকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়েছে। সূত্র: ইসলামিক ইনফরমেশন

ইসলাম ও জীবন

পবিত্র শবে বরাত : মসজিদে মসজিদে ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল মুসল্লিরা

আজ পবিত্র লাইলাতুল বরাত বা শবে বরাত। শাবান মাসের মধ্যরাত—মুসলমানদের কাছে আত্মশুদ্ধি, তওবা ও ক্ষমা প্রার্থনার এক মহিমান্বিত রাত। হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে, এই রাতে আল্লাহ তাআলা তার বান্দাদের প্রতি বিশেষ রহমতের দৃষ্টি দেন এবং অসংখ্য মানুষ গুনাহ মাফের সুযোগ লাভ করেন। এ কারণে শবে বরাত মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ একটি রাত। শবে […]

পবিত্র শবে বরাত : মসজিদে মসজিদে ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল মুসল্লিরা

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৩০

আজ পবিত্র লাইলাতুল বরাত বা শবে বরাত। শাবান মাসের মধ্যরাত—মুসলমানদের কাছে আত্মশুদ্ধি, তওবা ও ক্ষমা প্রার্থনার এক মহিমান্বিত রাত।

হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে, এই রাতে আল্লাহ তাআলা তার বান্দাদের প্রতি বিশেষ রহমতের দৃষ্টি দেন এবং অসংখ্য মানুষ গুনাহ মাফের সুযোগ লাভ করেন। এ কারণে শবে বরাত মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ একটি রাত।

শবে বরাত উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন মসজিদে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের ঢল নেমেছে। নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আজকার ও দোয়া-মোনাজাতের মাধ্যমে তারা আল্লাহর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করছেন।

লাইলাতুল বরাত পালন উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ-এ পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, হামদ-না’ত, ওয়াজ মাহফিল ও বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়।

মাগরিবের নামাজের আগ থেকেই বায়তুল মোকাররমে মুসল্লিরা জড়ো হতে থাকেন। নামাজ শেষে শবে বরাতের ফজিলত ও তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বাদ এশা আবারও ধর্মীয় আলোচনা শেষে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ব্যক্তি, সমাজ ও দেশের কল্যাণ, শান্তি-সমৃদ্ধি এবং গুনাহ মাফের জন্য দোয়া করা হয়।

মোনাজাত শেষে মুসল্লিরা জানান, তারা নিজেদের গুনাহ মাফ এবং দেশ ও জাতির শান্তি কামনা করে দোয়া করেছেন।

এই পবিত্র রাতে নফল ইবাদত, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির ও তওবার মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল থাকেন। ফলে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের মসজিদগুলোতে আজ সারারাত ইবাদতের পরিবেশ বিরাজ করছে।