মহাকাশ মিশনে বড় ধরনের হোঁচট খেল ভারত। সোমবার জানুয়ারি বারো তারিখে দেশটির পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকলের ষোলটি স্যাটেলাইট বহনকারী মিশন সি ছেষট্টি উৎক্ষেপণের পর অস্বাভাবিক পরিস্থিতির মুখে পড়ে। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা জানিয়েছে, রকেটের তৃতীয় ধাপে একটি গুরুতর বিচ্যুতি লক্ষ্য করা গেছে, যা মিশনের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।
ইসরোর চেয়ারম্যান ডা ভি নারায়ণন বলেন, প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে এবং যত দ্রুত সম্ভব বিস্তারিত জানানো হবে। তবে মিশনটি সফল না ব্যর্থ, সে বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি। সোমবার স্থানীয় সময় সকাল দশটা আঠারো মিনিটে শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে পিএসএলভি সি ছেষট্টি উৎক্ষেপণ করা হয়।
ইসরোর দেওয়া তথ্যে জানা যায়, উৎক্ষেপণের পর প্রথম কয়েক মিনিট রকেটের কার্যক্রম স্বাভাবিক ছিল। চার ধাপবিশিষ্ট এই লঞ্চ ভেহিকলের প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপ প্রত্যাশামতো কাজ করে। কিন্তু তৃতীয় ধাপে পৌঁছানোর পরই সমস্যার সৃষ্টি হয় এবং রকেটের গতিপথে স্পষ্ট বিচ্যুতি ধরা পড়ে। সাধারণভাবে পিএসএলভির তৃতীয় ধাপে এমন ত্রুটি দেখা দিলে তা প্রায় সম্পূর্ণ মিশন ব্যর্থতার দিকেই নিয়ে যায় বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
এই মিশনটিকে পিএসএলভির জন্য একটি প্রত্যাবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছিল। কারণ দুই হাজার পঁচিশ সালে এই লঞ্চ ভেহিকলের মাধ্যমে মাত্র একটি রকেট উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল এবং সেটিও ব্যর্থ হয়। ওই ব্যর্থতাও রকেটের তৃতীয় ধাপেই ঘটেছিল বলে তখন জানিয়েছিল ইসরো। ফলে একই ধাপে আবারও ত্রুটি দেখা দেওয়ায় ভারতের মহাকাশ কর্মসূচি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
পিএসএলভি সি ছেষট্টি মিশনে মোট ষোলটি উপগ্রহ বহন করা হচ্ছিল। এর মধ্যে ছিল ইওএস এন এক এবং প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থার উন্নত একটি গোয়েন্দা স্যাটেলাইট অন্বেষা। এই মিশনের ফলাফল কী দাঁড়ায়, তা নির্ধারণে এখন ইসরোর বিশ্লেষণের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে দেশটির মহাকাশ সংশ্লিষ্ট মহল।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?