বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকাণ্ডকে দেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠী ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করেছে—এমন তথ্য উঠে এসেছে মার্কিন পর্যবেক্ষক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই)–এর সাম্প্রতিক জরিপে। প্রতিষ্ঠানটি জানায়, দেশের দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি নাগরিক মনে করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ভালোভাবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং দেশকে সুশাসনের দিকে এগিয়ে নিচ্ছেন।
২০২৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত পরিচালিত জনমত জরিপে অংশ নেওয়া ৬৯ শতাংশ উত্তরদাতা জানান—ড. ইউনূসের নেতৃত্বে সরকার যেভাবে স্বচ্ছতা, আইনশৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসে কাজ করছে, তা তাদের আস্থাকে আরও শক্তিশালী করেছে। সর্বমোট ৭০ শতাংশ অংশগ্রহণকারী সরাসরি মত দিয়েছেন যে, অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া পদক্ষেপগুলো দেশকে স্থিতিশীলতার পথে ফিরিয়ে এনেছে।
আইআরআই–এর এশিয়া-প্যাসিফিক বিভাগের সিনিয়র ডিরেক্টর জোহানা কাও বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ এখনো ড. ইউনূস এবং অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আস্থাশীল। নাগরিকরা একটি জবাবদিহিমূলক, সংস্কারমুখী প্রশাসন দেখতে চায়—এই জরিপ তারই প্রতিফলন।”
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে জনগণের ভাবনাও উঠে এসেছে জরিপে। ৮০ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, আসন্ন নির্বাচনটি হবে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য। গণতান্ত্রিক উত্তরণের এই সময়ে জনগণের এমন আশাবাদ বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রত্যাশাকে আরও স্পষ্ট করেছে।
জরিপটি পরিচালনা করেছে আইআরআই–এর সেন্টার ফর ইনসাইটস ইন সার্ভে রিসার্চ, যারা দীর্ঘ দিন ধরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করে আসছে।
আইআরআই জানায়, এটিকে তারা বাংলাদেশের প্রাক-নির্বাচন মূল্যায়ন মিশনের রিপোর্ট হিসেবে দেখছে এবং নিশ্চিত করেছে যে, আগামী ফেব্রুয়ারিতে প্রস্তাবিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সীমিত পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে প্রতিষ্ঠানটি।
সমগ্র মূল্যায়নে আইআরআই বলেছে—বাংলাদেশিরা এখনো দৃঢ়ভাবে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্ব এবং অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মদক্ষতার ওপর আস্থা রাখছে, যা দেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?