বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

বিধ্বস্ত গাজা শহর ‘সিল’ করে দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী

'অব্যাহত পূর্ণাঙ্গ অভিযানের মুখে গাজার বাসিন্দাদের দক্ষিণে সরে যাওয়ার এবং শহরে হামাস কর্মীদের বিচ্ছিন্ন করে রাখার জন্য এটিই শেষ সুযোগ।' তিনি আরও জানিয়েছেন, যারা চলে যাবেন তাদের সামরিক বাহিনী যাচাই-বাছাই করবে—ব্যক্তিদের বিকল্প নিরাপত্তা ও যাচাই প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে তার বক্তব্য যুদ্ধজ্যান্ত পরিস্থিতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।

নিউজ ডেস্ক

০৩ অক্টোবর ২০২৫, ০১:৫২

ইসরায়েলি বাহিনী ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকাকে কঠোরভাবে ঘিরে রেখে শহরকে কার্যত ‘সিল’ করে দিয়েছে, ফলে শহরের বাইরে চলে যাওয়া মানুষদের আবার ফিরে আসতে বাধা দিচ্ছে সৈন্যরা। আল জাজিরার লাইভ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ইসরায়েলি ট্যাঙ্কগুলো গাজার প্রধান সড়কগুলো বন্ধ করেছে এবং শহরের দক্ষিণভাগে রাস্তায় বালির বাঁধ দিয়ে নিজ ঘাঁটিতে পাঠানো হচ্ছে মানুষের চলাচলকে কড়াভাবে নিয়ন্ত্রিত করা হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানায়, যারা খাদ্য ও দৈনন্দিন জিনিসপত্র সংগ্রহের উদ্দেশ্যে বের হচ্ছেন তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে; অনেকেই নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটছে, কিন্তু তাদের ফিরে আসার পথ বন্ধ করে দেয়ায় মানুষের তীব্র দুর্ভোগ বাড়ছে। এই সংঘবদ্ধ কৌশলিক অভিযানকে ঘিরে মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তার পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাটজ এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘অব্যাহত পূর্ণাঙ্গ অভিযানের মুখে গাজার বাসিন্দাদের দক্ষিণে সরে যাওয়ার এবং শহরে হামাস কর্মীদের বিচ্ছিন্ন করে রাখার জন্য এটিই শেষ সুযোগ।’ তিনি আরও জানিয়েছেন, যারা চলে যাবেন তাদের সামরিক বাহিনী যাচাই-বাছাই করবে—ব্যক্তিদের বিকল্প নিরাপত্তা ও যাচাই প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে তার বক্তব্য যুদ্ধজ্যান্ত পরিস্থিতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।

ঘটনাটি এমন সময় ঘটল যখন হামাস মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০ দফা প্রস্তাবটি বিশ্লেষণ করছে। হোয়াইট হাউসের বরাতে জানা গেছে, ওই প্রস্তাবে গাজায় একটি অস্থায়ী টেকনোক্র্যাট সরকার গঠন, গাজার প্রাতিষ্ঠানিক পরিস্থিতি পুনর্গঠন এবং কাউকে জোর করে গাজা ছেড়ে যেতে বাধ্য করা হবে না—সহজ কথায় এটি যুদ্ধবিরতি ও পুনর্নির্মাণ সংক্রান্ত একটি কাঠামো প্রস্তাব করে। প্রস্তাবটি বলছে, দুইপক্ষ যদি এ পরিকল্পনা গ্রহণ করে তাহলে যুদ্ধ অবিলম্বে শেষ হবে, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জীবিত ও মৃত সব বন্দী প্রতিদান করা হবে এবং অতিরিক্ত বন্দীদের মুক্তি পরবর্তী সময়সূচি অনুযায়ী কার্যকর হবে।

এই প্রস্তাবনায় উল্লেখ আছে, ৭ অক্টোবর ২০২৩ সালের পরে আটক গাজা থেকে ২৫০ জন যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত বন্দী ও ১৭০০ ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দেওয়া হবে। এছাড়া ইসরায়েলি সৈন্যদের ধাপে ধাপে প্রত্যাহারের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সামরিক অভিযান স্থগিত করার ব্যাবস্থা আনা হবে এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বাহিনী নিরাপত্তা প্রদান করে ফিলিস্তিনি পুলিশকে প্রশিক্ষণ দেবে—তবে মাঠের বাস্তবতা ও জনগণের নিরাপত্তা নির্ভর করবে স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক প্রয়াস ও উপস্থাপনার ওপর।

কান্ডারিকভাবে দেখা যাচ্ছে, সামরিকভাবে কড়া পদক্ষেপের সঙ্গে সঙ্গে মানুষকে শহর ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশনা ও বাস্তব বাধা—এ ধরনের অবস্থায় ঘরছাড়া ও সাহায্য না পাওয়ার আশঙ্কা তীব্র। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার পর্যবেক্ষক ও সাহায্য সংস্থাগুলি ইতিমধ্যেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যে, বসতি-বিশিষ্ট নগরকে ঘিরে রেখে তৎপরতার ফলে মানবিক সহায়তা পৌঁছানো ব্যাহত হচ্ছে এবং অসহায় জনগোষ্ঠীর দুর্দশা আরও গভীর হচ্ছে।

সামরিক পর্যায়ের কার্যক্রম, কূটনৈতিক প্রস্তাব ও মাঠের বাস্তবতার মধ্যকার এ দ্বন্দ্ব এখন আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করেছে; ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি নির্ভর করবে ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক আলোচনা, মানবিক সহায়তা প্রবাহ বজায় রাখা এবং যেখানে সম্ভব সেখানে শান্তি-উপলক্ষ্য প্রতিষ্ঠার ওপর।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৫৩৬

আন্তর্জাতিক

পৃথিবীর প্রথম দেশ হিসেবে ইলন মাস্কের স্টারলিংক অচল করে দিলো ইরান

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

নিউজ ডেস্ক

১২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:৪৩

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ইরান ওয়্যারের তথ্যের বরাতে মার্কিন বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস জানায়, ইরানের ভেতরে হাজার হাজার স্টারলিংক ইউনিট চালু রয়েছে এমন দাবি শোনা গেলেও বাস্তবে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট স্যাটেলাইট সংযোগকেও গ্রাস করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শুরুতে স্টারলিংকের আপলিংক ও ডাউনলিংক ট্র্যাফিকের প্রায় ত্রিশ শতাংশ ব্যাহত হয়েছিল। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেখা যায়, স্টারলিংক ইন্টারনেটের আশিরও বেশি শতাংশ ট্র্যাফিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, আগের ব্ল্যাকআউটগুলোর তুলনায় বর্তমানে ইরানে স্টারলিংক রিসিভারের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। তবে একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইরান সরকার কখনোই স্টারলিংক ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি। ফলে এই সেবাটি চালু রাখা ও ব্যবহার করা দেশটির আইনে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্টারলিংক রিসিভার স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে জিপিএস ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে বারো দিনের যুদ্ধের পর থেকেই ইরান জিপিএস সিগন্যাল ব্যাহত করে আসছে। এর ফলে শাটডাউনগুলো অঞ্চলভেদে ভিন্নভাবে কার্যকর হচ্ছে এবং স্টারলিংক সংযোগে খণ্ডিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট দেখা যাচ্ছে।

মিয়ান গ্রুপের আমির রাশিদি টেকরাডারকে বলেন, ‘আমি গত বিশ বছর ধরে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করছি, কিন্তু জীবনে এমন কিছু কখনো দেখিনি।’ স্টারলিংক ডেটা প্যাকেট পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিবিদরাও জানান, স্যাটেলাইট সংযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইরানে স্টারলিংকের ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত ব্যাহত হচ্ছে।

সাম্প্রতিক ইন্টারনেট শাটডাউন নিয়ে বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা সাইমন মিগলিয়ানো ফোর্বসের প্রতিবেদককে বলেন, ‘এই কিল সুইচ পদ্ধতির খরচ অত্যন্ত ভয়াবহ। ইন্টারনেট বন্ধ থাকলে প্রতি ঘণ্টায় ইরানের অর্থনীতি থেকে পনেরো লাখ ষাট হাজার ডলার খসে যাচ্ছে।’ এই তথ্য ইরানে চলমান যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণের অর্থনৈতিক প্রভাবকেও স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৫৩৬

আন্তর্জাতিক

যদি ইরান চায়, আমরা সাহায্য করবো, ইসরায়েল কে মুছে ফেলার জন্য একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট : কিম জং উন

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন বলেছেন, ইরান চাইলে তাদের সহায়তা করতে প্রস্তুত পিয়ংইয়ং। এক বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, ইসরায়েলকে ধ্বংস করতে একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট। তার এ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। আঞ্চলিক সংঘাত ও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দেওয়া এই বক্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিভিন্ন দেশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন […]

নিউজ ডেস্ক

০৩ মার্চ ২০২৬, ২০:৫১

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন বলেছেন, ইরান চাইলে তাদের সহায়তা করতে প্রস্তুত পিয়ংইয়ং। এক বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, ইসরায়েলকে ধ্বংস করতে একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট। তার এ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

আঞ্চলিক সংঘাত ও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দেওয়া এই বক্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিভিন্ন দেশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন মন্তব্য কেবল পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে। ইরান ও ইসরায়েল-এর মধ্যে দীর্ঘদিনের বৈরিতার মধ্যে উত্তর কোরিয়ার এই অবস্থান নতুন কূটনৈতিক চাপ তৈরি করতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর কোরিয়া প্রায়ই কঠোর ভাষায় বক্তব্য দিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান জোরালো করার চেষ্টা করে। তবে বাস্তবে সামরিক সহায়তা বা সরাসরি জড়িত হওয়ার প্রশ্নে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইতোমধ্যে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে। কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজে বের করার ওপর জোর দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা, যাতে উত্তেজনা আরও না বাড়ে এবং বৃহত্তর সংঘাতে রূপ না নেয়।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৫৩৬

আন্তর্জাতিক

‘ভারত যদি বাংলাদেশের দিকে কুনজর দেয়, তাহলে মিসাইল ছুঁড়ে জবাব দেবে পাকিস্তান’ : পাকিস্তানি নেতা

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে ভারতকে হুঁশিয়ারিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ–নওয়াজ (পিএমএল–এন)–এর এক যুব নেতা। ভারতের সংবাদমাধ্যম India Today–এর বরাতে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় এ মন্তব্য করেন পিএমএল–এনের নেতা কামরান সাঈদ উসমানি। ভিডিও বার্তায় উসমানি বলেন, ভারত যদি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত হানে বা বাংলাদেশের দিকে […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৮:৩৬

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে ভারতকে হুঁশিয়ারিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ–নওয়াজ (পিএমএল–এন)–এর এক যুব নেতা। ভারতের সংবাদমাধ্যম India Today–এর বরাতে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় এ মন্তব্য করেন পিএমএল–এনের নেতা কামরান সাঈদ উসমানি।

ভিডিও বার্তায় উসমানি বলেন, ভারত যদি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত হানে বা বাংলাদেশের দিকে কুনজর দেয়, তাহলে পাকিস্তানের জনগণ, সশস্ত্র বাহিনী ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশে ‘অখণ্ড ভারত’ ধারণা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হলে পাকিস্তান তা মেনে নেবে না। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, সীমান্তে বিএসএফ বাংলাদেশকে উসকানি দিচ্ছে এবং দেশটিকে হিন্দু রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা চলছে।

এ সময় কামরান উসমানি বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে আনুষ্ঠানিক সামরিক জোট গঠনের প্রস্তাব দেন। তাঁর ভাষায়, বাংলাদেশে পাকিস্তানের এবং পাকিস্তানে বাংলাদেশের সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করা উচিত।

তবে উসমানির এসব বক্তব্য ব্যক্তিগত ও দলীয় পর্যায়ের বলে মনে করা হচ্ছে। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত পাকিস্তান বা বাংলাদেশের সরকারিভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। ভারতও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

বিশ্লেষকদের মতে, এমন বক্তব্য দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক পরিবেশকে আরও সংবেদনশীল করে তুলতে পারে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি করতে পারে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৫৩৬