উত্তর আফ্রিকার দেশ মরক্কোতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরুণদের বিক্ষোভে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। সিএনএন জানায়, শনিবার একযোগে অন্তত ১১টি শহরে জেন-জি প্রজন্মের শত শত তরুণ রাস্তায় নেমে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেয়। তাদের মূল অভিযোগ—স্বাস্থ্য ও শিক্ষার মতো মৌলিক খাত উপেক্ষা করে বিপুল অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আয়োজনের পেছনে।
বিক্ষোভকারীরা সরাসরি স্লোগান তুলেছেন
“স্টেডিয়াম এখানে, হাসপাতাল কোথায়?”। তারা অভিযোগ করেন, জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পড়লেও হাসপাতাল নির্মাণে বিনিয়োগ নেই, অথচ ২০৩০ সালের ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য নতুন স্টেডিয়াম বানানো হচ্ছে এবং পুরোনোগুলো সংস্কার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে মরক্কো চলতি বছরের শেষ দিকে আফ্রিকা কাপ অব নেশনসেরও আয়োজক।
সরকারের এই নীতির বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ তরুণরা রাজধানী রাবাত, মারাকেশ ও কাসাব্লাঙ্কাসহ বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভে যোগ দেন। কাসাব্লাঙ্কা থেকে বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ। অনেক বিক্ষোভকারীকে মারধরের খবরও দিয়েছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো। তারা বলছে, গ্রেপ্তার ও দমনপীড়নের মাধ্যমে মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে বাধাগ্রস্ত করছে সরকার।
২৭ বছর বয়সী প্রকৌশলী ইউসুফ বলেন,
“আমি শুধু স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে সংস্কার চাই না, চাই গোটা ব্যবস্থার সংস্কার।” তরুণদের এই ক্ষোভ এখন পুরো দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে, যা প্রমাণ করছে মরক্কোর শাসনব্যবস্থা আর আগের মতো নিস্তরঙ্গ নেই।
উত্তর আফ্রিকার দেশ মরক্কোতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরুণদের বিক্ষোভে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। সিএনএন জানায়, শনিবার একযোগে অন্তত ১১টি শহরে জেন-জি প্রজন্মের শত শত তরুণ রাস্তায় নেমে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেয়। তাদের মূল অভিযোগ—স্বাস্থ্য ও শিক্ষার মতো মৌলিক খাত উপেক্ষা করে বিপুল অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আয়োজনের পেছনে।
বিক্ষোভকারীরা সরাসরি স্লোগান তুলেছেন
“স্টেডিয়াম এখানে, হাসপাতাল কোথায়?”। তারা অভিযোগ করেন, জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পড়লেও হাসপাতাল নির্মাণে বিনিয়োগ নেই, অথচ ২০৩০ সালের ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য নতুন স্টেডিয়াম বানানো হচ্ছে এবং পুরোনোগুলো সংস্কার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে মরক্কো চলতি বছরের শেষ দিকে আফ্রিকা কাপ অব নেশনসেরও আয়োজক।
সরকারের এই নীতির বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ তরুণরা রাজধানী রাবাত, মারাকেশ ও কাসাব্লাঙ্কাসহ বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভে যোগ দেন। কাসাব্লাঙ্কা থেকে বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ। অনেক বিক্ষোভকারীকে মারধরের খবরও দিয়েছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো। তারা বলছে, গ্রেপ্তার ও দমনপীড়নের মাধ্যমে মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে বাধাগ্রস্ত করছে সরকার।
২৭ বছর বয়সী প্রকৌশলী ইউসুফ বলেন,
“আমি শুধু স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে সংস্কার চাই না, চাই গোটা ব্যবস্থার সংস্কার।” তরুণদের এই ক্ষোভ এখন পুরো দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে, যা প্রমাণ করছে মরক্কোর শাসনব্যবস্থা আর আগের মতো নিস্তরঙ্গ নেই।
ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
ইরান ওয়্যারের তথ্যের বরাতে মার্কিন বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস জানায়, ইরানের ভেতরে হাজার হাজার স্টারলিংক ইউনিট চালু রয়েছে এমন দাবি শোনা গেলেও বাস্তবে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট স্যাটেলাইট সংযোগকেও গ্রাস করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শুরুতে স্টারলিংকের আপলিংক ও ডাউনলিংক ট্র্যাফিকের প্রায় ত্রিশ শতাংশ ব্যাহত হয়েছিল। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেখা যায়, স্টারলিংক ইন্টারনেটের আশিরও বেশি শতাংশ ট্র্যাফিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, আগের ব্ল্যাকআউটগুলোর তুলনায় বর্তমানে ইরানে স্টারলিংক রিসিভারের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। তবে একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইরান সরকার কখনোই স্টারলিংক ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি। ফলে এই সেবাটি চালু রাখা ও ব্যবহার করা দেশটির আইনে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
স্টারলিংক রিসিভার স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে জিপিএস ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে বারো দিনের যুদ্ধের পর থেকেই ইরান জিপিএস সিগন্যাল ব্যাহত করে আসছে। এর ফলে শাটডাউনগুলো অঞ্চলভেদে ভিন্নভাবে কার্যকর হচ্ছে এবং স্টারলিংক সংযোগে খণ্ডিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট দেখা যাচ্ছে।
মিয়ান গ্রুপের আমির রাশিদি টেকরাডারকে বলেন, ‘আমি গত বিশ বছর ধরে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করছি, কিন্তু জীবনে এমন কিছু কখনো দেখিনি।’ স্টারলিংক ডেটা প্যাকেট পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিবিদরাও জানান, স্যাটেলাইট সংযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইরানে স্টারলিংকের ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত ব্যাহত হচ্ছে।
সাম্প্রতিক ইন্টারনেট শাটডাউন নিয়ে বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা সাইমন মিগলিয়ানো ফোর্বসের প্রতিবেদককে বলেন, ‘এই কিল সুইচ পদ্ধতির খরচ অত্যন্ত ভয়াবহ। ইন্টারনেট বন্ধ থাকলে প্রতি ঘণ্টায় ইরানের অর্থনীতি থেকে পনেরো লাখ ষাট হাজার ডলার খসে যাচ্ছে।’ এই তথ্য ইরানে চলমান যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণের অর্থনৈতিক প্রভাবকেও স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে।
উত্তর আফ্রিকার দেশ মরক্কোতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরুণদের বিক্ষোভে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। সিএনএন জানায়, শনিবার একযোগে অন্তত ১১টি শহরে জেন-জি প্রজন্মের শত শত তরুণ রাস্তায় নেমে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেয়। তাদের মূল অভিযোগ—স্বাস্থ্য ও শিক্ষার মতো মৌলিক খাত উপেক্ষা করে বিপুল অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আয়োজনের পেছনে।
বিক্ষোভকারীরা সরাসরি স্লোগান তুলেছেন
“স্টেডিয়াম এখানে, হাসপাতাল কোথায়?”। তারা অভিযোগ করেন, জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পড়লেও হাসপাতাল নির্মাণে বিনিয়োগ নেই, অথচ ২০৩০ সালের ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য নতুন স্টেডিয়াম বানানো হচ্ছে এবং পুরোনোগুলো সংস্কার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে মরক্কো চলতি বছরের শেষ দিকে আফ্রিকা কাপ অব নেশনসেরও আয়োজক।
সরকারের এই নীতির বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ তরুণরা রাজধানী রাবাত, মারাকেশ ও কাসাব্লাঙ্কাসহ বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভে যোগ দেন। কাসাব্লাঙ্কা থেকে বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ। অনেক বিক্ষোভকারীকে মারধরের খবরও দিয়েছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো। তারা বলছে, গ্রেপ্তার ও দমনপীড়নের মাধ্যমে মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে বাধাগ্রস্ত করছে সরকার।
২৭ বছর বয়সী প্রকৌশলী ইউসুফ বলেন,
“আমি শুধু স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে সংস্কার চাই না, চাই গোটা ব্যবস্থার সংস্কার।” তরুণদের এই ক্ষোভ এখন পুরো দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে, যা প্রমাণ করছে মরক্কোর শাসনব্যবস্থা আর আগের মতো নিস্তরঙ্গ নেই।
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত […]
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা।
মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত সূত্রের বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, চলমান সংঘাতে সরাসরি জড়িত না থাকা সত্ত্বেও ইউএই ইতোমধ্যে প্রায় ৮০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, যদিও ইউএই কোনোভাবেই এই যুদ্ধে অংশ নেয়নি, তবুও দেশটি ৮০০টি হামলা মোকাবিলা করেছে।
সূত্রটি আরও জানিয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বের এমন কোনো দেশ নেই, যারা নিজেদের নীতিমালা পুনর্বিবেচনা করবে না। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে এখনো সংযুক্ত আরব আমিরাত বা ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি।
এর আগে শিয়া ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ কামাল আল-হাইদারি মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জিহাদের আহ্বান জানিয়েছেন। তার কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই আক্রমণগুলো ইরানের সভ্যতা ও ধর্মীয় কর্তৃত্বকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে। খবর শাফাক নিউজের।
আল-হাইদারি মুসলমানদের সতর্ক করেছেন, নিজেদের ভূমি, মর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুত থাকতে হবে এবং ইহুদি ও আমেরিকানদের অহংকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করতে হবে।
শিয়া ধর্মমতে, এই ধরনের জিহাদ সাধারণত প্রতিরক্ষা ভিত্তিক এবং আক্রমণাত্মক নয়। দ্বাদশ শিয়াদের মধ্যে এই ধরনের সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা একজন মারজা’ আল-তাকলিদ বা সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার কাছে সীমাবদ্ধ।
এর আগে ২০১৪ সালে ইরাকের শীর্ষ শিয়া নেতা আয়াতুল্লাহ আলি আল-সিস্তানি আইএসআইএসের বিরুদ্ধে লড়াই করার আহ্বান করেছিলেন, যা পরে পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসে (পিএমই) পরিণত হয়।
উত্তর আফ্রিকার দেশ মরক্কোতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরুণদের বিক্ষোভে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। সিএনএন জানায়, শনিবার একযোগে অন্তত ১১টি শহরে জেন-জি প্রজন্মের শত শত তরুণ রাস্তায় নেমে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেয়। তাদের মূল অভিযোগ—স্বাস্থ্য ও শিক্ষার মতো মৌলিক খাত উপেক্ষা করে বিপুল অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আয়োজনের পেছনে।
বিক্ষোভকারীরা সরাসরি স্লোগান তুলেছেন
“স্টেডিয়াম এখানে, হাসপাতাল কোথায়?”। তারা অভিযোগ করেন, জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পড়লেও হাসপাতাল নির্মাণে বিনিয়োগ নেই, অথচ ২০৩০ সালের ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য নতুন স্টেডিয়াম বানানো হচ্ছে এবং পুরোনোগুলো সংস্কার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে মরক্কো চলতি বছরের শেষ দিকে আফ্রিকা কাপ অব নেশনসেরও আয়োজক।
সরকারের এই নীতির বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ তরুণরা রাজধানী রাবাত, মারাকেশ ও কাসাব্লাঙ্কাসহ বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভে যোগ দেন। কাসাব্লাঙ্কা থেকে বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ। অনেক বিক্ষোভকারীকে মারধরের খবরও দিয়েছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো। তারা বলছে, গ্রেপ্তার ও দমনপীড়নের মাধ্যমে মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে বাধাগ্রস্ত করছে সরকার।
২৭ বছর বয়সী প্রকৌশলী ইউসুফ বলেন,
“আমি শুধু স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে সংস্কার চাই না, চাই গোটা ব্যবস্থার সংস্কার।” তরুণদের এই ক্ষোভ এখন পুরো দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে, যা প্রমাণ করছে মরক্কোর শাসনব্যবস্থা আর আগের মতো নিস্তরঙ্গ নেই।
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন বলেছেন, ইরান চাইলে তাদের সহায়তা করতে প্রস্তুত পিয়ংইয়ং। এক বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, ইসরায়েলকে ধ্বংস করতে একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট। তার এ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। আঞ্চলিক সংঘাত ও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দেওয়া এই বক্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিভিন্ন দেশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন […]
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন বলেছেন, ইরান চাইলে তাদের সহায়তা করতে প্রস্তুত পিয়ংইয়ং। এক বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, ইসরায়েলকে ধ্বংস করতে একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট। তার এ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
আঞ্চলিক সংঘাত ও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দেওয়া এই বক্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিভিন্ন দেশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন মন্তব্য কেবল পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে। ইরান ও ইসরায়েল-এর মধ্যে দীর্ঘদিনের বৈরিতার মধ্যে উত্তর কোরিয়ার এই অবস্থান নতুন কূটনৈতিক চাপ তৈরি করতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর কোরিয়া প্রায়ই কঠোর ভাষায় বক্তব্য দিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান জোরালো করার চেষ্টা করে। তবে বাস্তবে সামরিক সহায়তা বা সরাসরি জড়িত হওয়ার প্রশ্নে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইতোমধ্যে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে। কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজে বের করার ওপর জোর দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা, যাতে উত্তেজনা আরও না বাড়ে এবং বৃহত্তর সংঘাতে রূপ না নেয়।
উত্তর আফ্রিকার দেশ মরক্কোতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরুণদের বিক্ষোভে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। সিএনএন জানায়, শনিবার একযোগে অন্তত ১১টি শহরে জেন-জি প্রজন্মের শত শত তরুণ রাস্তায় নেমে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেয়। তাদের মূল অভিযোগ—স্বাস্থ্য ও শিক্ষার মতো মৌলিক খাত উপেক্ষা করে বিপুল অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আয়োজনের পেছনে।
বিক্ষোভকারীরা সরাসরি স্লোগান তুলেছেন
“স্টেডিয়াম এখানে, হাসপাতাল কোথায়?”। তারা অভিযোগ করেন, জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পড়লেও হাসপাতাল নির্মাণে বিনিয়োগ নেই, অথচ ২০৩০ সালের ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য নতুন স্টেডিয়াম বানানো হচ্ছে এবং পুরোনোগুলো সংস্কার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে মরক্কো চলতি বছরের শেষ দিকে আফ্রিকা কাপ অব নেশনসেরও আয়োজক।
সরকারের এই নীতির বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ তরুণরা রাজধানী রাবাত, মারাকেশ ও কাসাব্লাঙ্কাসহ বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভে যোগ দেন। কাসাব্লাঙ্কা থেকে বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ। অনেক বিক্ষোভকারীকে মারধরের খবরও দিয়েছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো। তারা বলছে, গ্রেপ্তার ও দমনপীড়নের মাধ্যমে মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে বাধাগ্রস্ত করছে সরকার।
২৭ বছর বয়সী প্রকৌশলী ইউসুফ বলেন,
“আমি শুধু স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে সংস্কার চাই না, চাই গোটা ব্যবস্থার সংস্কার।” তরুণদের এই ক্ষোভ এখন পুরো দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে, যা প্রমাণ করছে মরক্কোর শাসনব্যবস্থা আর আগের মতো নিস্তরঙ্গ নেই।
কথিত যুদ্ধবিরতির মাঝেও উত্তর ও দক্ষিণ গাজাজুড়ে অব্যাহত রয়েছে ইসরাইলি বাহিনীর ভয়াবহ বিমান হামলা ও গুলিবর্ষণ। দখলদার সেনাবাহিনীর এই আগ্রাসী তাণ্ডবে প্রতিদিনই ধ্বংস হচ্ছে অসংখ্য ঘরবাড়ি, নিহত-আহতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে।…
ইসরাইলে আটক গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার অভিযাত্রীরা আমরণ অনশনে নেমেছেন। শুক্রবার আন্তর্জাতিক সংগঠন ‘টু ব্রেক দ্য সিজ অব গাজা’ এক বিবৃতিতে জানায়, অনির্দিষ্টকালের জন্য এই অনশন চলবে যতক্ষণ না আটক কর্মীদের…
গাজা উপত্যকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করা মানবিক ত্রাণবাহী বহর গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলায় হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি নৌবাহিনী। আয়োজকদের দাবি, এতে অন্তত ৩১৭ জন কর্মীকে আটক করা হয়েছে। ইসরাইল জানিয়েছে, গাজাগামী ৪৪টি জাহাজের…