ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ গাজা সিটি নিয়ে ভয়াবহ হুমকি দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, হামাস যদি অস্ত্র জমা না দেয় এবং সব জিম্মিকে মুক্তি না দেয়, তবে গাজা সিটিকে রাফা ও বেইত হানুনের মতো মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হবে। ইতোমধ্যেই ওই দুটি শহর ইসরায়েলি বোমাবর্ষণে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। কাটজ সতর্ক করে বলেছেন, “হামাস ইসরায়েলের শর্ত না মানলে তাদের জন্য নরকের দরজা খুলে যাবে।”
রয়টার্স জানায়, ইসরায়েলি মন্ত্রিসভা গাজা সিটিতে ব্যাপক সামরিক অভিযান চালানোর অনুমোদন দেওয়ার পরপরই কাটজের এই হুমকি আসে।
এর আগে কাতার ও মিশরের মধ্যস্থতায় হামাস ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব মেনে নেয়। প্রস্তাব অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির সময় অর্ধেক জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সেই প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি ঘোষণা দেন, সব জিম্মির মুক্তি ও যুদ্ধের সমাপ্তি সংক্রান্ত আলোচনা কেবলমাত্র ইসরায়েলের শর্তে হবে।
এদিকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গাজা সিটির প্রায় ১০ লাখ মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, এমন কোনো পদক্ষেপ তারা নেবে না, যা পুরো স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়।
জাতিসংঘ সমর্থিত আইপিসি (ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্লাসিফিকেশন) সতর্ক করে জানিয়েছে, গাজায় এখন ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের আকস্মিক হামলার পর থেকে চলমান ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে এ পর্যন্ত অন্তত ৬২ হাজার ১৯২ জন ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?