ইরানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বুকান শহরে শিশু ধর্ষণ ও হত্যার এক মর্মান্তিক ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জনসমক্ষে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। শনিবার (১২ জুলাই) ভোরে এই ফাঁসি কার্যকর করা হয় বলে জানিয়েছে ইরানের বিচার বিভাগ সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম মিজান অনলাইন।
প্রকাশ্যে এই শাস্তি কার্যকরের পেছনে ছিল নিহত শিশুটির পরিবারের অনুরোধ। পরিবারটি বিচার বিভাগের কাছে আবেদন জানায়, যাতে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হিসেবে জনসমক্ষে ফাঁসি দেওয়া হয়।
প্রাদেশিক প্রধান বিচারপতি নাসের আতাবাতি জানান,
“এই মামলাটি ইরানি সমাজে প্রবল আবেগ ও প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। তাই আদালত বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে বিষয়টি বিবেচনা করেছে।”
তিনি আরও বলেন,
“ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি এবং সমাজের চাপের প্রেক্ষিতে মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করা হয়। চলতি বছরের মার্চে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নিম্ন আদালত মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করে, পরে তা ইরানের সর্বোচ্চ আদালতও বহাল রাখে।”
ধর্ষণ ও হত্যার মতো ঘৃণ্য অপরাধে ইরানে মৃত্যুদণ্ড বরাবরই প্রচলিত শাস্তি। তবে এবার যে কায়দায় জনসমক্ষে ফাঁসির দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হলো, তা দেশটির বিচার ব্যবস্থার কঠোর অবস্থান স্পষ্ট করেছে।
মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, চীনের পর ইরান বিশ্বে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংখ্যক মৃত্যুদণ্ড কার্যকরকারী দেশ। তবে এই ধরণের অপরাধে জনসাধারণের কঠোর শাস্তির দাবির প্রেক্ষিতে ইরান সরকার প্রকাশ্য ফাঁসির পথ বেছে নিয়েছে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?