এই বর্বরতার জবাবে ইরান প্রতিক্রিয়া জানায় সুনির্দিষ্টভাবে—ইসরাইল অধিকৃত ভূখণ্ডে ও কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের আল-উদেইদ ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে দেয় প্রবল বার্তা। ফলাফল, ২৪ জুনের সেই পাল্টা আঘাতে আগ্রাসী জোট থমকে যায় এবং তাদের আগুন জ্বালানো পরিকল্পনায় একপ্রকার ‘ব্রেক’ পড়ে।
ইসরাইল যদি আবার আগ্রাসনের পথ বেছে নেয়, তাহলে এবার তাদের জবাব আরও বিধ্বংসী হবে—সরাসরি হুঁশিয়ারি দিলেন ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আবদুর রহিম মুসাভি। লেবাননের আল-মায়াদিন টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান,
“আগামী বার ইসরাইল শুধু চপেটাঘাত নয়, সম্পূর্ণ মুখ থুবড়ে পড়বে।”
জেনারেল মুসাভি বলেন, “গত মাসের মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসনের জবাবে আমরা এখনো আমাদের সব সামরিক ক্ষমতা ব্যবহার করিনি। ইসরাইল একটি বড় পরাজয় বরণ করেছে, অথচ তারা এখনও শিক্ষা নেয়নি। যদি আবারও তারা একই ভুল করে, তাহলে তাদের সামনে দাঁড়াবার শক্তি থাকবে না।”
তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরেই ইসরাইল ও তার পশ্চিমা মিত্ররা ইরানকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে আসছে। ‘পারমাণবিক ইস্যু’র নামে ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে দেশটিকে ভাঙার গভীর চক্রান্ত চলছে।
১৩ জুনের প্রকাশ্য হামলার ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন,
“সেই হামলায় ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার, বিজ্ঞানী ও নিরীহ জনগণকে হত্যা করে সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণা করে ইসরাইল। এর এক সপ্তাহের মাথায় যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় বোমাবর্ষণ করে—যা ছিল আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের নির্লজ্জ লঙ্ঘন।”
এই বর্বরতার জবাবে ইরান প্রতিক্রিয়া জানায় সুনির্দিষ্টভাবে—ইসরাইল অধিকৃত ভূখণ্ডে ও কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের আল-উদেইদ ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে দেয় প্রবল বার্তা। ফলাফল, ২৪ জুনের সেই পাল্টা আঘাতে আগ্রাসী জোট থমকে যায় এবং তাদের আগুন জ্বালানো পরিকল্পনায় একপ্রকার ‘ব্রেক’ পড়ে।
জেনারেল মুসাভি আরও বলেন, “ইসরাইল যুদ্ধবিরতির অনুরোধ করেছে—কারণ তারা জানে, পরবর্তী ধাপে গেলে তারা ইরানের এমন সব শক্তি দেখতে পাবে, যা এখনো আমরা ব্যবহারই করিনি।”
তার ভাষায়,
“ইরান কোনো অবস্থায় নিজের মূলনীতি থেকে এক ইঞ্চিও সরে আসবে না। ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন ও প্রতিরোধ সংগ্রামে তেহরানের অবস্থান চূড়ান্ত এবং অটল।”
ইসরাইল আবার আগ্রাসন চালালে আরও কঠোর চপেটাঘাত খাবে: ইরান
Published on: 04 July, 2025
ইসরাইল যদি আবার আগ্রাসনের পথ বেছে নেয়, তাহলে এবার তাদের জবাব আরও বিধ্বংসী হবে—সরাসরি হুঁশিয়ারি দিলেন ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আবদুর রহিম মুসাভি। লেবাননের আল-মায়াদিন টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান,
“আগামী বার ইসরাইল শুধু চপেটাঘাত নয়, সম্পূর্ণ মুখ থুবড়ে পড়বে।”
জেনারেল মুসাভি বলেন, “গত মাসের মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসনের জবাবে আমরা এখনো আমাদের সব সামরিক ক্ষমতা ব্যবহার করিনি। ইসরাইল একটি বড় পরাজয় বরণ করেছে, অথচ তারা এখনও শিক্ষা নেয়নি। যদি আবারও তারা একই ভুল করে, তাহলে তাদের সামনে দাঁড়াবার শক্তি থাকবে না।”
তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরেই ইসরাইল ও তার পশ্চিমা মিত্ররা ইরানকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে আসছে। ‘পারমাণবিক ইস্যু’র নামে ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে দেশটিকে ভাঙার গভীর চক্রান্ত চলছে।
১৩ জুনের প্রকাশ্য হামলার ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন,
“সেই হামলায় ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার, বিজ্ঞানী ও নিরীহ জনগণকে হত্যা করে সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণা করে ইসরাইল। এর এক সপ্তাহের মাথায় যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় বোমাবর্ষণ করে—যা ছিল আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের নির্লজ্জ লঙ্ঘন।”
এই বর্বরতার জবাবে ইরান প্রতিক্রিয়া জানায় সুনির্দিষ্টভাবে—ইসরাইল অধিকৃত ভূখণ্ডে ও কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের আল-উদেইদ ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে দেয় প্রবল বার্তা। ফলাফল, ২৪ জুনের সেই পাল্টা আঘাতে আগ্রাসী জোট থমকে যায় এবং তাদের আগুন জ্বালানো পরিকল্পনায় একপ্রকার ‘ব্রেক’ পড়ে।
জেনারেল মুসাভি আরও বলেন, “ইসরাইল যুদ্ধবিরতির অনুরোধ করেছে—কারণ তারা জানে, পরবর্তী ধাপে গেলে তারা ইরানের এমন সব শক্তি দেখতে পাবে, যা এখনো আমরা ব্যবহারই করিনি।”
তার ভাষায়,
“ইরান কোনো অবস্থায় নিজের মূলনীতি থেকে এক ইঞ্চিও সরে আসবে না। ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন ও প্রতিরোধ সংগ্রামে তেহরানের অবস্থান চূড়ান্ত এবং অটল।”
ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
ইরান ওয়্যারের তথ্যের বরাতে মার্কিন বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস জানায়, ইরানের ভেতরে হাজার হাজার স্টারলিংক ইউনিট চালু রয়েছে এমন দাবি শোনা গেলেও বাস্তবে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট স্যাটেলাইট সংযোগকেও গ্রাস করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শুরুতে স্টারলিংকের আপলিংক ও ডাউনলিংক ট্র্যাফিকের প্রায় ত্রিশ শতাংশ ব্যাহত হয়েছিল। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেখা যায়, স্টারলিংক ইন্টারনেটের আশিরও বেশি শতাংশ ট্র্যাফিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, আগের ব্ল্যাকআউটগুলোর তুলনায় বর্তমানে ইরানে স্টারলিংক রিসিভারের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। তবে একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইরান সরকার কখনোই স্টারলিংক ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি। ফলে এই সেবাটি চালু রাখা ও ব্যবহার করা দেশটির আইনে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
স্টারলিংক রিসিভার স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে জিপিএস ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে বারো দিনের যুদ্ধের পর থেকেই ইরান জিপিএস সিগন্যাল ব্যাহত করে আসছে। এর ফলে শাটডাউনগুলো অঞ্চলভেদে ভিন্নভাবে কার্যকর হচ্ছে এবং স্টারলিংক সংযোগে খণ্ডিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট দেখা যাচ্ছে।
মিয়ান গ্রুপের আমির রাশিদি টেকরাডারকে বলেন, ‘আমি গত বিশ বছর ধরে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করছি, কিন্তু জীবনে এমন কিছু কখনো দেখিনি।’ স্টারলিংক ডেটা প্যাকেট পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিবিদরাও জানান, স্যাটেলাইট সংযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইরানে স্টারলিংকের ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত ব্যাহত হচ্ছে।
সাম্প্রতিক ইন্টারনেট শাটডাউন নিয়ে বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা সাইমন মিগলিয়ানো ফোর্বসের প্রতিবেদককে বলেন, ‘এই কিল সুইচ পদ্ধতির খরচ অত্যন্ত ভয়াবহ। ইন্টারনেট বন্ধ থাকলে প্রতি ঘণ্টায় ইরানের অর্থনীতি থেকে পনেরো লাখ ষাট হাজার ডলার খসে যাচ্ছে।’ এই তথ্য ইরানে চলমান যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণের অর্থনৈতিক প্রভাবকেও স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে।
ইসরাইল আবার আগ্রাসন চালালে আরও কঠোর চপেটাঘাত খাবে: ইরান
Published on: 04 July, 2025
ইসরাইল যদি আবার আগ্রাসনের পথ বেছে নেয়, তাহলে এবার তাদের জবাব আরও বিধ্বংসী হবে—সরাসরি হুঁশিয়ারি দিলেন ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আবদুর রহিম মুসাভি। লেবাননের আল-মায়াদিন টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান,
“আগামী বার ইসরাইল শুধু চপেটাঘাত নয়, সম্পূর্ণ মুখ থুবড়ে পড়বে।”
জেনারেল মুসাভি বলেন, “গত মাসের মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসনের জবাবে আমরা এখনো আমাদের সব সামরিক ক্ষমতা ব্যবহার করিনি। ইসরাইল একটি বড় পরাজয় বরণ করেছে, অথচ তারা এখনও শিক্ষা নেয়নি। যদি আবারও তারা একই ভুল করে, তাহলে তাদের সামনে দাঁড়াবার শক্তি থাকবে না।”
তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরেই ইসরাইল ও তার পশ্চিমা মিত্ররা ইরানকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে আসছে। ‘পারমাণবিক ইস্যু’র নামে ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে দেশটিকে ভাঙার গভীর চক্রান্ত চলছে।
১৩ জুনের প্রকাশ্য হামলার ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন,
“সেই হামলায় ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার, বিজ্ঞানী ও নিরীহ জনগণকে হত্যা করে সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণা করে ইসরাইল। এর এক সপ্তাহের মাথায় যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় বোমাবর্ষণ করে—যা ছিল আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের নির্লজ্জ লঙ্ঘন।”
এই বর্বরতার জবাবে ইরান প্রতিক্রিয়া জানায় সুনির্দিষ্টভাবে—ইসরাইল অধিকৃত ভূখণ্ডে ও কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের আল-উদেইদ ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে দেয় প্রবল বার্তা। ফলাফল, ২৪ জুনের সেই পাল্টা আঘাতে আগ্রাসী জোট থমকে যায় এবং তাদের আগুন জ্বালানো পরিকল্পনায় একপ্রকার ‘ব্রেক’ পড়ে।
জেনারেল মুসাভি আরও বলেন, “ইসরাইল যুদ্ধবিরতির অনুরোধ করেছে—কারণ তারা জানে, পরবর্তী ধাপে গেলে তারা ইরানের এমন সব শক্তি দেখতে পাবে, যা এখনো আমরা ব্যবহারই করিনি।”
তার ভাষায়,
“ইরান কোনো অবস্থায় নিজের মূলনীতি থেকে এক ইঞ্চিও সরে আসবে না। ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন ও প্রতিরোধ সংগ্রামে তেহরানের অবস্থান চূড়ান্ত এবং অটল।”
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন বলেছেন, ইরান চাইলে তাদের সহায়তা করতে প্রস্তুত পিয়ংইয়ং। এক বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, ইসরায়েলকে ধ্বংস করতে একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট। তার এ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। আঞ্চলিক সংঘাত ও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দেওয়া এই বক্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিভিন্ন দেশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন […]
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন বলেছেন, ইরান চাইলে তাদের সহায়তা করতে প্রস্তুত পিয়ংইয়ং। এক বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, ইসরায়েলকে ধ্বংস করতে একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট। তার এ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
আঞ্চলিক সংঘাত ও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দেওয়া এই বক্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিভিন্ন দেশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন মন্তব্য কেবল পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে। ইরান ও ইসরায়েল-এর মধ্যে দীর্ঘদিনের বৈরিতার মধ্যে উত্তর কোরিয়ার এই অবস্থান নতুন কূটনৈতিক চাপ তৈরি করতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর কোরিয়া প্রায়ই কঠোর ভাষায় বক্তব্য দিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান জোরালো করার চেষ্টা করে। তবে বাস্তবে সামরিক সহায়তা বা সরাসরি জড়িত হওয়ার প্রশ্নে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইতোমধ্যে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে। কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজে বের করার ওপর জোর দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা, যাতে উত্তেজনা আরও না বাড়ে এবং বৃহত্তর সংঘাতে রূপ না নেয়।
ইসরাইল আবার আগ্রাসন চালালে আরও কঠোর চপেটাঘাত খাবে: ইরান
Published on: 04 July, 2025
ইসরাইল যদি আবার আগ্রাসনের পথ বেছে নেয়, তাহলে এবার তাদের জবাব আরও বিধ্বংসী হবে—সরাসরি হুঁশিয়ারি দিলেন ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আবদুর রহিম মুসাভি। লেবাননের আল-মায়াদিন টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান,
“আগামী বার ইসরাইল শুধু চপেটাঘাত নয়, সম্পূর্ণ মুখ থুবড়ে পড়বে।”
জেনারেল মুসাভি বলেন, “গত মাসের মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসনের জবাবে আমরা এখনো আমাদের সব সামরিক ক্ষমতা ব্যবহার করিনি। ইসরাইল একটি বড় পরাজয় বরণ করেছে, অথচ তারা এখনও শিক্ষা নেয়নি। যদি আবারও তারা একই ভুল করে, তাহলে তাদের সামনে দাঁড়াবার শক্তি থাকবে না।”
তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরেই ইসরাইল ও তার পশ্চিমা মিত্ররা ইরানকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে আসছে। ‘পারমাণবিক ইস্যু’র নামে ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে দেশটিকে ভাঙার গভীর চক্রান্ত চলছে।
১৩ জুনের প্রকাশ্য হামলার ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন,
“সেই হামলায় ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার, বিজ্ঞানী ও নিরীহ জনগণকে হত্যা করে সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণা করে ইসরাইল। এর এক সপ্তাহের মাথায় যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় বোমাবর্ষণ করে—যা ছিল আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের নির্লজ্জ লঙ্ঘন।”
এই বর্বরতার জবাবে ইরান প্রতিক্রিয়া জানায় সুনির্দিষ্টভাবে—ইসরাইল অধিকৃত ভূখণ্ডে ও কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের আল-উদেইদ ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে দেয় প্রবল বার্তা। ফলাফল, ২৪ জুনের সেই পাল্টা আঘাতে আগ্রাসী জোট থমকে যায় এবং তাদের আগুন জ্বালানো পরিকল্পনায় একপ্রকার ‘ব্রেক’ পড়ে।
জেনারেল মুসাভি আরও বলেন, “ইসরাইল যুদ্ধবিরতির অনুরোধ করেছে—কারণ তারা জানে, পরবর্তী ধাপে গেলে তারা ইরানের এমন সব শক্তি দেখতে পাবে, যা এখনো আমরা ব্যবহারই করিনি।”
তার ভাষায়,
“ইরান কোনো অবস্থায় নিজের মূলনীতি থেকে এক ইঞ্চিও সরে আসবে না। ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন ও প্রতিরোধ সংগ্রামে তেহরানের অবস্থান চূড়ান্ত এবং অটল।”
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে ভারতকে হুঁশিয়ারিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ–নওয়াজ (পিএমএল–এন)–এর এক যুব নেতা। ভারতের সংবাদমাধ্যম India Today–এর বরাতে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় এ মন্তব্য করেন পিএমএল–এনের নেতা কামরান সাঈদ উসমানি। ভিডিও বার্তায় উসমানি বলেন, ভারত যদি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত হানে বা বাংলাদেশের দিকে […]
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে ভারতকে হুঁশিয়ারিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ–নওয়াজ (পিএমএল–এন)–এর এক যুব নেতা। ভারতের সংবাদমাধ্যম India Today–এর বরাতে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় এ মন্তব্য করেন পিএমএল–এনের নেতা কামরান সাঈদ উসমানি।
ভিডিও বার্তায় উসমানি বলেন, ভারত যদি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত হানে বা বাংলাদেশের দিকে কুনজর দেয়, তাহলে পাকিস্তানের জনগণ, সশস্ত্র বাহিনী ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা প্রস্তুত রয়েছে।
তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশে ‘অখণ্ড ভারত’ ধারণা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হলে পাকিস্তান তা মেনে নেবে না। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, সীমান্তে বিএসএফ বাংলাদেশকে উসকানি দিচ্ছে এবং দেশটিকে হিন্দু রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা চলছে।
এ সময় কামরান উসমানি বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে আনুষ্ঠানিক সামরিক জোট গঠনের প্রস্তাব দেন। তাঁর ভাষায়, বাংলাদেশে পাকিস্তানের এবং পাকিস্তানে বাংলাদেশের সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করা উচিত।
তবে উসমানির এসব বক্তব্য ব্যক্তিগত ও দলীয় পর্যায়ের বলে মনে করা হচ্ছে। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত পাকিস্তান বা বাংলাদেশের সরকারিভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। ভারতও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
বিশ্লেষকদের মতে, এমন বক্তব্য দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক পরিবেশকে আরও সংবেদনশীল করে তুলতে পারে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি করতে পারে।
ইসরাইল আবার আগ্রাসন চালালে আরও কঠোর চপেটাঘাত খাবে: ইরান
Published on: 04 July, 2025
ইসরাইল যদি আবার আগ্রাসনের পথ বেছে নেয়, তাহলে এবার তাদের জবাব আরও বিধ্বংসী হবে—সরাসরি হুঁশিয়ারি দিলেন ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আবদুর রহিম মুসাভি। লেবাননের আল-মায়াদিন টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান,
“আগামী বার ইসরাইল শুধু চপেটাঘাত নয়, সম্পূর্ণ মুখ থুবড়ে পড়বে।”
জেনারেল মুসাভি বলেন, “গত মাসের মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসনের জবাবে আমরা এখনো আমাদের সব সামরিক ক্ষমতা ব্যবহার করিনি। ইসরাইল একটি বড় পরাজয় বরণ করেছে, অথচ তারা এখনও শিক্ষা নেয়নি। যদি আবারও তারা একই ভুল করে, তাহলে তাদের সামনে দাঁড়াবার শক্তি থাকবে না।”
তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরেই ইসরাইল ও তার পশ্চিমা মিত্ররা ইরানকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে আসছে। ‘পারমাণবিক ইস্যু’র নামে ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে দেশটিকে ভাঙার গভীর চক্রান্ত চলছে।
১৩ জুনের প্রকাশ্য হামলার ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন,
“সেই হামলায় ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার, বিজ্ঞানী ও নিরীহ জনগণকে হত্যা করে সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণা করে ইসরাইল। এর এক সপ্তাহের মাথায় যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় বোমাবর্ষণ করে—যা ছিল আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের নির্লজ্জ লঙ্ঘন।”
এই বর্বরতার জবাবে ইরান প্রতিক্রিয়া জানায় সুনির্দিষ্টভাবে—ইসরাইল অধিকৃত ভূখণ্ডে ও কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের আল-উদেইদ ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে দেয় প্রবল বার্তা। ফলাফল, ২৪ জুনের সেই পাল্টা আঘাতে আগ্রাসী জোট থমকে যায় এবং তাদের আগুন জ্বালানো পরিকল্পনায় একপ্রকার ‘ব্রেক’ পড়ে।
জেনারেল মুসাভি আরও বলেন, “ইসরাইল যুদ্ধবিরতির অনুরোধ করেছে—কারণ তারা জানে, পরবর্তী ধাপে গেলে তারা ইরানের এমন সব শক্তি দেখতে পাবে, যা এখনো আমরা ব্যবহারই করিনি।”
তার ভাষায়,
“ইরান কোনো অবস্থায় নিজের মূলনীতি থেকে এক ইঞ্চিও সরে আসবে না। ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন ও প্রতিরোধ সংগ্রামে তেহরানের অবস্থান চূড়ান্ত এবং অটল।”
সিনিয়র সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাসুদ কামাল এক টকশোতে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, “যে উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতিকে সম্মান দেন না, তিনি বেয়াদব উপদেষ্টা।” তিনি মনে করেন, রাষ্ট্রপতির…
মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুরঃ মেহেরপুরের গাংনীতে আতিয়ার রহমান (৩০) নামের এক ভ্যান চালকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রোব্বার দুপুরে গাংনী থানা পুলিশের একটি টীম উপজেলার ছাতিয়ান— বাদিয়াপাড়া মাঠের…
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেস শহর ভয়াবহ দাবানলে পুড়ে ছারখার হয়ে যাচ্ছে। আকাশজুড়ে কালো ধোঁয়ার আস্তরণ, চারদিকে সাইরেনের শব্দ আর আতঙ্কিত মানুষের ছুটোছুটি হাজার হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে অজানা গন্তব্যের পথে।…
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) জানিয়েছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে। তিনি বলেন, এ জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৫…