ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান পরোক্ষ আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর সংশয় প্রকাশ করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। সোমবার, সাবেক প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির প্রথম শাহাদাতবার্ষিকীতে তেহরানে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “আমরা আমাদের কোনো বিষয়ে অন্য কারও অনুমতির অপেক্ষায় থাকি না।”
এ পর্যন্ত ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চার দফা পরোক্ষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে, সর্বশেষটি রবিবার ওমানে। আলোচনায় অংশ নেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। যদিও উভয় পক্ষ এই আলোচনাকে “অগ্রগতিশীল” বলছে, খামেনির বক্তব্য নতুন করে অনিশ্চয়তার জন্ম দিয়েছে।
খামেনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র বলছে, আমরা ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে দেব না—এটা একেবারেই অর্থহীন কথা। ইরান তার নিজস্ব নীতি ও পথ স্বাধীনভাবে অনুসরণ করে।” তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি না এই আলোচনায় বাস্তব কোনো ফল আসবে।”
তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ঠেকাতে মরিয়া হওয়ার প্রকৃত কারণ “উপযুক্ত সময় হলে জনগণকে জানানো হবে।” তার এই বক্তব্যে বোঝা যায়, ইরান কূটনীতির পাশাপাশি বিকল্প প্রস্তুতির দিকেও নজর দিচ্ছে।
ওমানে হওয়া আলোচনার মূল বিষয় ছিল ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তির বিকল্প সমঝোতা এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার।
তবে সর্বোচ্চ নেতার এমন মনোভাব ইঙ্গিত দেয়—কূটনৈতিক পথচলা এখন ঘন অন্ধকারে ঢেকে যাচ্ছে। আলোচনার ফলাফল নিয়ে তেহরান যেমন আশাবাদী নয়, তেমনি কূটনৈতিক সমাধানও হয়ে উঠছে আরও কঠিন।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?