কাশ্মীরের পহেলগাঁওতে সাম্প্রতিক প্রাণঘাতী হামলাটি বিশ্বের অন্যতম সুরক্ষিত অঞ্চল হিসেবে পরিচিত এই এলাকায় গুরুতর নিরাপত্তা ঘাটতির প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। হামলায় একাধিক পর্যটকের মৃত্যু ও আহত হওয়ার ঘটনায় ভারতের পক্ষ থেকে পাকিস্তানকে দায়ী করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো উপযুক্ত প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি দেশটি।
ফলে বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশ্ন উঠছে এবং পারমাণবিক অস্ত্রধারী দুই প্রতিবেশীর মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
ব্লুমবার্গে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের অন্যতম নিরাপত্তাবেষ্টিত অঞ্চলে দিনের আলোয় এমন হামলা কীভাবে ঘটল—এটি নিয়েই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এক রাজনৈতিক বৈঠকে নিরাপত্তা ঘাটতির কথা স্বীকার করলেও এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলেননি।
কংগ্রেসের তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে, গোয়েন্দা তথ্য থাকা সত্ত্বেও বাহিনীগুলো তা কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে ব্যর্থ হয়েছে। একজন বিরোধী দলের নেতার ভাষায়, হামলার স্থানের ২০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে কোনো সেনা ইউনিট ছিল না। কংগ্রেস নেতা সিদ্দারামাইয়া একে সরাসরি নিরাপত্তা ব্যর্থতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
প্রাক্তন সেনা কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা মনে করছেন, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণে বড় ধরণের গাফিলতি ছিল। ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক সুশান্ত সিং বলেন, “তারা হয় তথ্য সংগ্রহ করতে পারেনি, অথবা তা বিশ্লেষণে ব্যর্থ হয়েছে—উভয়ই উদ্বেগজনক।”
নয়াদিল্লির মার্কিন কূটনীতিক অ্যাশলি টেলিসের মতে, সন্ত্রাসীগোষ্ঠীগুলো এখন আরও নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থায় দক্ষ হয়ে উঠেছে, যা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আঞ্চলিক উত্তেজনা ও নিরাপত্তা নীতির কার্যকারিতা নিয়ে ভারত সরকারের ওপর চাপ বাড়ছে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?