চাপে মন্ত্রীত্ব হারাতে পারেন টিউলিপ সিদ্দিক।ফ্ল্যাট-কাণ্ডে বিপর্যস্ত যুক্তরাজ্যের অর্থ ও নগরবিষয়ক মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিক। ফিন্যান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে, লন্ডনের বিতর্কিত ওই ফ্ল্যাটটি নিয়ে।
যুক্তরাজ্যের আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সিটি মিনিস্টার টিউলিপ সিদ্দিক চাপে পড়লেও আপাতত তার মন্ত্রিত্ব হারানোর সম্ভাবনা কম, যদি না তিনি নিজেই পদত্যাগ করেন।যুক্তরাজ্যের সিটি মিনিস্টার টিউলিপ সিদ্দিককে মন্ত্রিত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার কথা ভাবছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার। এ লক্ষ্যে টিউলিপকে তার পদ থেকে সরিয়ে ওই পদে দায়িত্ব পালনের জন্য সম্ভাব্য ব্যক্তিদের শর্টলিস্টও করা হয়েছে।
এদিকে, ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস তাদের সম্পাদকীয়তে টিউলিপ সিদ্দিকের সিটি মিনিস্টারের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে।সম্প্রতি বিভিন্ন বিষয়ে তার দায়িত্ব নিয়ে সমালোচনা ও বিতর্কের মুখে রয়েছেন টিউলিপ, যা তার মন্ত্রিত্বের ওপর চাপ তৈরি করেছে।
তবে আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রধানত তার নিজস্ব পদক্ষেপ এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর আগে গত সপ্তাহে সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস জানায়, টিউলিপ তার ক্ষমতাচ্যুত খালা শেখ হাসিনার এক সহযোগীর কাছ থেকে ফ্ল্যাট উপহার পেয়েছেন। যেটির তথ্য তিনি গোপন রেখেছেন। ওই সংবাদ প্রকাশের পর বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) প্রথম প্রকাশ্যে দেখা গেছে টিউলিপকে।
সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল জানিয়েছে, তাকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অফিসে যেতে দেখা গেছে। ডেইলি মেইল আরও জানিয়েছে, মিথ্যা কথা বলার অভিযোগে টিউলিপের বিরুদ্ধে তদন্ত হতে পারে। টিউলিপকে ‘প্রতারক মন্ত্রী’ হিসেবে অভিহিত করে তারা।
যদিও বাংলাদেশে আর্থিক দুর্নীতির মামলার তদন্তে যুক্তরাজ্যের অর্থ ও নগরবিষয়ক মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিকের ওপর পদত্যাগের চাপ বাড়লেও অতীতে তার পাশেই দাঁড়িয়েছিলেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার।
শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) বেশ কয়েকটি সূত্রের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সাবেক স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার সঙ্গে সম্পর্কের কারণে টিউলিপ সিদ্দিককে তার পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হলে তার স্থলাভিষিক্ত হবেন এমন প্রার্থীদের নাম প্রধানমন্ত্রী স্যার কেয়ার স্টারমারের জ্যেষ্ঠ সহযোগীরা বিবেচনা করছেন বলে টাইমসকে বলা হয়েছে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?