পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) প্লট বরাদ্দে জালিয়াতির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ব্রিটিশ সংসদ সদস্য টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিকের অনুপস্থিতিতে যে রায় ঘোষণা করা হয়েছে, সেটিকে ‘ত্রুটিপূর্ণ ও প্রহসনমূলক’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন তিনি।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর দেওয়া রায় নিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
টিউলিপ সিদ্দিক বলেন, “এর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটি ত্রুটিপূর্ণ ও প্রহসনমূলক ছাড়া আর কিছুই নয়।” তিনি আরও বলেন, “এই ক্যাঙ্গারু কোর্টের সম্পূর্ণ অযৌক্তিক রায় আগে থেকেই অনুমান করা যাচ্ছিল। আমার মনোযোগ সবসময় হ্যাম্পস্টেড ও হাইগেটের ভোটারদের প্রতি। বাংলাদেশে নোংরা রাজনীতিতে জড়ানোর কোনো ইচ্ছা আমার নেই।”
এর আগে বিবিসি বাংলা একটি প্রতিবেদনে জানায়, রায় ঘোষণার পরপরই লেবার পার্টি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে—তারা এই রায়কে মানছে না। দলের যুক্তি, বিচার প্রক্রিয়ায় টিউলিপ সিদ্দিককে আত্মপক্ষ সমর্থনের ন্যায্য সুযোগ দেওয়া হয়নি। ফলে রায়টি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ডের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
এদিকে, গত সপ্তাহেই যুক্তরাজ্যের শীর্ষস্থানীয় আইনজীবীদের একটি প্রতিনিধিদল লন্ডনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করে। তারা জানিয়েছিলেন, টিউলিপের অনুপস্থিতিতে পরিচালিত বিচার কার্যক্রম ছিল ‘সাজানো’, ‘কল্পিত’ ও ‘অন্যায্য’। প্রতিনিধিদলের দাবি, এ ধরনের বিচারকাজ একজন ব্রিটিশ সংসদ সদস্যের সুনাম ক্ষুন্ন করার উদ্দেশ্যেই পরিচালিত হয়েছে।
উল্লেখ্য, পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ক্ষমতার অপব্যবহার ও জালিয়াতির অভিযোগে টিউলিপ সিদ্দিকসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার রায় সোমবার ঘোষণা করে আদালত। রায়ের সমালোচনায় টিউলিপ এবং লেবার পার্টির অবস্থান বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য রাজনৈতিক সম্পর্কেও নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?