বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

সিরিয়া আবারও মুক্ত ও স্বাধীন হবে: ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর আসাদ

সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ যিনি হায়াত তাহারির আশ-শামের নেতৃত্বে সশস্ত্র বিরোধী গোষ্ঠী দামেস্কের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর সরকার থেকে সরে যান এবং মস্কোতে যান সোমবার সিরিয়ার প্রেসিডেন্সির টেলিগ্রাম চ্যানেলে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে ঘোষণা দিয়েছেন যে তিনি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সিরিয়ায় ছিলেন এবং ৮ ডিসেম্বর রোববার পর্যন্ত তিনি সিরিয়া ছেড়ে যাননি। আইএসএনএ-র উদ্ধৃতি দিয়ে পার্সটুডে […]

নিউজ ডেস্ক

২১ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৫:৩৯

সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ যিনি হায়াত তাহারির আশ-শামের নেতৃত্বে সশস্ত্র বিরোধী গোষ্ঠী দামেস্কের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর সরকার থেকে সরে যান এবং মস্কোতে যান সোমবার সিরিয়ার প্রেসিডেন্সির টেলিগ্রাম চ্যানেলে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে ঘোষণা দিয়েছেন যে তিনি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সিরিয়ায় ছিলেন এবং ৮ ডিসেম্বর রোববার পর্যন্ত তিনি সিরিয়া ছেড়ে যাননি।

আইএসএনএ-র উদ্ধৃতি দিয়ে পার্সটুডে অনুসারে,মস্কো থেকে আসাদের জারি করা বিবৃতিটির সম্পূর্ণ পাঠ্য নিম্নরূপ:

সিরিয়া জুড়ে সন্ত্রাসবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর তাহারির আশ-শামের নেতৃত্বে সশস্ত্র দলটি যখন গত ৭ ডিসেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় দামেস্কে পৌঁছায় তখন প্রেসিডেন্টের ভাগ্য এবং অবস্থান সম্পর্কে নানা গুজব প্রকাশ হতে থাকে। এসব ভুল তথ্যের ছড়াছড়ি এবং বানানো গল্প সত্য থেকে সম্পূর্ণ দূরে ছিল। আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদকে সিরিয়ার মুক্তির বিপ্লবী আন্দোলন হিসাবে উপস্থাপন করাই এর প্রধান লক্ষ্য ছিল।

দেশের ইতিহাসের এই সংকটময় মুহুর্তে যখন সত্যকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত তখন এসব বিকৃতি এবং গুজবগুলোর উত্তর দেয়া প্রয়োজন মনে করছি। দুর্ভাগ্যবশত নিরাপত্তার কারণে সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউটসহ সেই সময়ে পরিস্থিতি এই বিবৃতি প্রকাশে বিলম্ব করেছিল।

আসাদ বলেন, সিরিয়া থেকে আমার প্রস্থান পরিকল্পিত ছিল না যেমনটি যুদ্ধের শেষ সময়ে কেউ কেউ দাবি করেছেন। অথচ ৮ ডিসেম্বর রোববার পর্যন্ত আমি দামেস্কে ছিলাম এবং সেই সময় পর্যন্ত আমি আমার দায়িত্ব পালন করেছি। সন্ত্রাসী বাহিনী দামেস্কে অনুপ্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে আমাকে লাতাকিয়া (হামিমিম ঘাঁটি) তে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল যাতে আমাদের রাশিয়ান মিত্রদের সাথে সমন্বয় করে যুদ্ধ কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করা যায়।

সেই দিন সকালে হামিমিম বিমান ঘাঁটিতে পৌঁছে এটা পরিষ্কার হয়ে গেল যে আমাদের বাহিনী যুদ্ধের সমস্ত ফ্রন্ট থেকে নিজেদের সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করে নিয়েছে এবং শেষ সেনা অবস্থানগুলো ভেঙে পড়েছে। মাঠের পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার সাথে সাথে রাশিয়ান সামরিক ঘাঁটি নিজেই ভারী ড্রোন হামলার মুখে পড়ে।

যেহেতু ঘাঁটি থেকে বেরিয়ে আসার কোন উপায় ছিল না তাই মস্কো অনুরোধ করেছিল যে বেস কমান্ড ৮ ডিসেম্বর রোববার সন্ধ্যার রাশিয়ায় অবিলম্বে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করে। দামেস্কের পতনের একদিন পরে এবং সামরিক অবস্থানের চূড়ান্ত পতন এবং অবশিষ্ট সমস্ত সরকারী প্রতিষ্ঠানের অচলাবস্থার পর এটি ঘটেছিল।

এসব ঘটনার কোনো পর্যায়েই আমি পদত্যাগ বা উদ্বাস্তু হওয়ার কথা ভাবিনি এবং কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে এমন কোনো প্রস্তাব করা হয়নি। একমাত্র সম্ভাব্য পদক্ষেপ ছিল সন্ত্রাসী আক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়া।

আমি জোর দিয়ে বলছি যে ব্যক্তি যুদ্ধের প্রথম দিন থেকে তার ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য তার দেশের পরিত্রাণের জন্য দর কষাকষি করতে অস্বীকার করেছে এবং তার জনগণকে অসংখ্য প্রস্তাব এবং প্রলোভনের বিরুদ্ধে ঝুঁকি নিতে অস্বীকার করেছে। এই ব্যক্তি সেই একই ব্যক্তি যিনি কেবলমাত্র একজন সন্ত্রাসীদের থেকে কয়েক মিটার দূরে সবচেয়ে বিপজ্জনক ও তীব্র যুদ্ধক্ষেত্রে তিনি সামনের সারিতে সেনা কর্মকর্তা ও সৈন্যদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন।

আসাদ বলেন, আমি সেই ব্যক্তি যে যুদ্ধের অন্ধকারতম বছরগুলোতে দেশ ত্যাগ করি নি, পরিবার এবং আমার জনগণের সাথে থেকেছি এবং চৌদ্দ বছরের যুদ্ধে রাজধানীতে সন্ত্রাসীদের অনুপ্রবেশকারী বোমা হামলা এবং বারবার হুমকির পরিস্থিতিতে সন্ত্রাসবাদকে প্রতিহত করেছি। তদুপরি, যে ব্যক্তি ফিলিস্তিনি ও লেবাননের প্রতিরোধকে কখনোই পরিত্যাগ করেনি এবং তার পাশে দাঁড়ানো মিত্রদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেনি সে তার জনগণকে পরিত্যাগ করতে পারে না।

আসাদ বলেন, আমি কখনো ব্যক্তিগত লাভের জন্য পদ চাইনি। আমি সর্বদা নিজেকে সিরিয়ার জনগণের বিশ্বাস দ্বারা সমর্থিত একজন জাতীয় অভিভাবক হিসাবে বিবেচনা করেছি।

তিনি বলেন, জনগণের ইচ্ছাশক্তি ও রাষ্ট্রকে রক্ষা করার,প্রতিষ্ঠানগুলোকে রক্ষা করার এবং তাদের পছন্দগুলোকে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বহাল রাখার জন্য অটুট প্রত্যয় আমার রয়েছে। আসাদ বলেন,রাষ্ট্র যখন সন্ত্রাসবাদের হাতে পড়ে এবং অর্থবহ অবদান রাখার ক্ষমতা হারিয়ে যায়,তখন যে কোনো অবস্থানই উদ্দেশ্যহীন হয়ে পড়ে আর দখলদারিত্বকে অর্থহীন করে তোলে। এটি কোনোভাবেই সিরিয়া ও জনগণের প্রতি আমার গভীর অনুভূতিকে কমিয়ে আনবে না। সিরিয়া আবারও মুক্ত ও স্বাধীন হবে বলেও বিবৃতিতে আশা করা হয়।#

সূত্রঃ পার্সটুডে

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৭৪৬

আন্তর্জাতিক

পৃথিবীর প্রথম দেশ হিসেবে ইলন মাস্কের স্টারলিংক অচল করে দিলো ইরান

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

নিউজ ডেস্ক

১২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:৪৩

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ইরান ওয়্যারের তথ্যের বরাতে মার্কিন বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস জানায়, ইরানের ভেতরে হাজার হাজার স্টারলিংক ইউনিট চালু রয়েছে এমন দাবি শোনা গেলেও বাস্তবে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট স্যাটেলাইট সংযোগকেও গ্রাস করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শুরুতে স্টারলিংকের আপলিংক ও ডাউনলিংক ট্র্যাফিকের প্রায় ত্রিশ শতাংশ ব্যাহত হয়েছিল। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেখা যায়, স্টারলিংক ইন্টারনেটের আশিরও বেশি শতাংশ ট্র্যাফিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, আগের ব্ল্যাকআউটগুলোর তুলনায় বর্তমানে ইরানে স্টারলিংক রিসিভারের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। তবে একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইরান সরকার কখনোই স্টারলিংক ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি। ফলে এই সেবাটি চালু রাখা ও ব্যবহার করা দেশটির আইনে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্টারলিংক রিসিভার স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে জিপিএস ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে বারো দিনের যুদ্ধের পর থেকেই ইরান জিপিএস সিগন্যাল ব্যাহত করে আসছে। এর ফলে শাটডাউনগুলো অঞ্চলভেদে ভিন্নভাবে কার্যকর হচ্ছে এবং স্টারলিংক সংযোগে খণ্ডিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট দেখা যাচ্ছে।

মিয়ান গ্রুপের আমির রাশিদি টেকরাডারকে বলেন, ‘আমি গত বিশ বছর ধরে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করছি, কিন্তু জীবনে এমন কিছু কখনো দেখিনি।’ স্টারলিংক ডেটা প্যাকেট পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিবিদরাও জানান, স্যাটেলাইট সংযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইরানে স্টারলিংকের ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত ব্যাহত হচ্ছে।

সাম্প্রতিক ইন্টারনেট শাটডাউন নিয়ে বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা সাইমন মিগলিয়ানো ফোর্বসের প্রতিবেদককে বলেন, ‘এই কিল সুইচ পদ্ধতির খরচ অত্যন্ত ভয়াবহ। ইন্টারনেট বন্ধ থাকলে প্রতি ঘণ্টায় ইরানের অর্থনীতি থেকে পনেরো লাখ ষাট হাজার ডলার খসে যাচ্ছে।’ এই তথ্য ইরানে চলমান যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণের অর্থনৈতিক প্রভাবকেও স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৭৪৬

আন্তর্জাতিক

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে আরেক মুসলিম দেশ

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ মার্চ ২০২৬, ০২:৩৫

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা।

মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত সূত্রের বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, চলমান সংঘাতে সরাসরি জড়িত না থাকা সত্ত্বেও ইউএই ইতোমধ্যে প্রায় ৮০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ‍সূত্র জানিয়েছে, যদিও ইউএই কোনোভাবেই এই যুদ্ধে অংশ নেয়নি, তবুও দেশটি ৮০০টি হামলা মোকাবিলা করেছে।

সূত্রটি আরও জানিয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বের এমন কোনো দেশ নেই, যারা নিজেদের নীতিমালা পুনর্বিবেচনা করবে না। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে এখনো সংযুক্ত আরব আমিরাত বা ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

এর আগে শিয়া ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ কামাল আল-হাইদারি মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জিহাদের আহ্বান জানিয়েছেন। তার কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই আক্রমণগুলো ইরানের সভ্যতা ও ধর্মীয় কর্তৃত্বকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে। খবর শাফাক নিউজের।

আল-হাইদারি মুসলমানদের সতর্ক করেছেন, নিজেদের ভূমি, মর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুত থাকতে হবে এবং ইহুদি ও আমেরিকানদের অহংকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করতে হবে।

শিয়া ধর্মমতে, এই ধরনের জিহাদ সাধারণত প্রতিরক্ষা ভিত্তিক এবং আক্রমণাত্মক নয়। দ্বাদশ শিয়াদের মধ্যে এই ধরনের সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা একজন মারজা’ আল-তাকলিদ বা সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার কাছে সীমাবদ্ধ।

এর আগে ২০১৪ সালে ইরাকের শীর্ষ শিয়া নেতা আয়াতুল্লাহ আলি আল-সিস্তানি আইএসআইএসের বিরুদ্ধে লড়াই করার আহ্বান করেছিলেন, যা পরে পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসে (পিএমই) পরিণত হয়।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৭৪৬

আন্তর্জাতিক

যদি ইরান চায়, আমরা সাহায্য করবো, ইসরায়েল কে মুছে ফেলার জন্য একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট : কিম জং উন

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন বলেছেন, ইরান চাইলে তাদের সহায়তা করতে প্রস্তুত পিয়ংইয়ং। এক বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, ইসরায়েলকে ধ্বংস করতে একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট। তার এ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। আঞ্চলিক সংঘাত ও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দেওয়া এই বক্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিভিন্ন দেশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন […]

নিউজ ডেস্ক

০৩ মার্চ ২০২৬, ২০:৫১

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন বলেছেন, ইরান চাইলে তাদের সহায়তা করতে প্রস্তুত পিয়ংইয়ং। এক বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, ইসরায়েলকে ধ্বংস করতে একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট। তার এ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

আঞ্চলিক সংঘাত ও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দেওয়া এই বক্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিভিন্ন দেশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন মন্তব্য কেবল পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে। ইরান ও ইসরায়েল-এর মধ্যে দীর্ঘদিনের বৈরিতার মধ্যে উত্তর কোরিয়ার এই অবস্থান নতুন কূটনৈতিক চাপ তৈরি করতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর কোরিয়া প্রায়ই কঠোর ভাষায় বক্তব্য দিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান জোরালো করার চেষ্টা করে। তবে বাস্তবে সামরিক সহায়তা বা সরাসরি জড়িত হওয়ার প্রশ্নে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইতোমধ্যে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে। কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজে বের করার ওপর জোর দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা, যাতে উত্তেজনা আরও না বাড়ে এবং বৃহত্তর সংঘাতে রূপ না নেয়।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৩৭৪৬