ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবফ শত্রুদের উদ্দেশে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন,
ইরানের দ্বীপগুলোর ওপর কোনো ধরনের আগ্রাসন চালানো হলে তার জবাব হবে কঠোর ও বিধ্বংসী। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রশ্নে ইরান কোনো সীমাবদ্ধতার মধ্যে আবদ্ধ থাকবে না এবং প্রয়োজনে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
পার্সটুডে জানিয়েছে, পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবফ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় লিখেছেন,
হয় জন্মভূমি না হয় মৃত্যু। তার এই বক্তব্য ইঙ্গিত দেয় যে ইরানের নেতৃত্ব এখন দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষার প্রশ্নে আপসহীন অবস্থান গ্রহণ করেছে। আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই বক্তব্যকে অনেকেই শক্ত রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখছেন।
কালিবফ বলেন,
ইরানের দ্বীপগুলোতে কোনো রকম আগ্রাসন চালানো হলে তখন আমরা সমস্ত সীমাবদ্ধতা ভেঙে চুরমার করে দেব। তার ভাষ্য অনুযায়ী, যদি সংঘাত চাপিয়ে দেওয়া হয় তবে ইরান সংযমের পথ ছেড়ে শক্ত প্রতিরোধে নামবে।
তিনি আরও বলেন, তখন আমরা সংযমকে পাশে ঠেলে দিয়ে পারস্য উপসাগর এলাকায় আগ্রাসীদের রক্তের বন্যা বইয়ে দেব। তার এই বক্তব্যে স্পষ্টভাবে সামরিক প্রতিরোধের হুঁশিয়ারি উচ্চারিত হয়েছে।
পার্লামেন্ট স্পিকার আরও দাবি করেন, যদি মার্কিন সেনাদের রক্ত ঝরে তবে তার দায়দায়িত্ব সম্পূর্ণ ট্রাম্পের ওপর বর্তাবে। তার মতে, আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নীতিই দায়ী এবং সেই উত্তেজনা যদি সংঘাতে রূপ নেয় তবে এর দায়ভার ওয়াশিংটনকে বহন করতে হবে।
মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থির পরিস্থিতিতে এই বক্তব্য নতুন করে উত্তেজনা বাড়াতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। পারস্য উপসাগর অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরেই সামরিক ও কূটনৈতিক টানাপোড়েন চলছে। ইরান বারবার বলে আসছে যে, তাদের ভূখণ্ড ও সামুদ্রিক সীমার ওপর কোনো ধরনের আঘাত এলে তা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?