বিশ্ব রাজনীতিতে যখন যুদ্ধ, তেল এবং ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে আলোচনাই বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে, তখন চীন নীরবে দীর্ঘমেয়াদি এক কৌশল বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে। সম্প্রতি চীনের ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসে প্রকাশিত ১৪১ পৃষ্ঠার ‘১৫তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা’ ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক শক্তি গড়ে তোলার একটি উচ্চাভিলাষী রূপরেখা তুলে ধরেছে।
এই পরিকল্পনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), হিউম্যানয়েড রোবটিক্স, কোয়ান্টাম যোগাযোগ, পারমাণবিক ফিউশন এবং ব্রেইন-কম্পিউটার ইন্টারফেস প্রযুক্তিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। চীন আগামী এক দশকে তাদের অর্থনীতির বড় অংশে এআই প্রযুক্তি সংযুক্ত করতে চায় এবং রোবটিক্সকে একটি ‘স্তম্ভ শিল্প’ হিসেবে গড়ে তুলতে চায়।
এছাড়া বিরল খনিজ বা রেয়ার আর্থ উপাদানের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত করার দিকেও নজর দিয়েছে বেইজিং। এসব উপাদান বৈদ্যুতিক গাড়ি, আধুনিক রাডার, ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এবং যুক্তরাষ্ট্রের এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের মতো অত্যাধুনিক সামরিক প্রযুক্তির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিশ্লেষকদের মতে, চীন যদি প্রযুক্তি, শিল্প উৎপাদন এবং কাঁচামালের সরবরাহ ব্যবস্থা একসঙ্গে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, তাহলে ভবিষ্যতের শক্তির লড়াই যুদ্ধক্ষেত্রে নয়, বরং কারখানা ও সরবরাহ ব্যবস্থার ভেতরেই নির্ধারিত হবে। অর্থাৎ গুলি ছোড়ার আগেই প্রতিদ্বন্দ্বীকে দুর্বল করে দেওয়াই হবে চীনের কৌশল।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?