দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে আত্মরক্ষায় সক্ষমতা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী লারিজানি। তিনি বলেন, যে কোনো দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত মোকাবিলায় ইরান প্রস্তুত এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে দেশ দৃঢ় অবস্থানে থাকবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে লারিজানি উল্লেখ করেন, গত ৩০০ বছরে ইরান কোনো যুদ্ধের সূচনা করেনি। তার দাবি, দেশটির সশস্ত্র বাহিনী কখনও আত্মরক্ষার বাইরে গিয়ে আক্রমণ শুরু করেনি।
তিনি আরও বলেন, “আমরা যেকোনো মূল্যে নিজেদের এবং আমাদের ছয় হাজার বছরের প্রাচীন সভ্যতাকে রক্ষা করব। শত্রুরা তাদের ভুল হিসাবের জন্য অনুতপ্ত হবে।”
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যদি যুদ্ধ শুরু করে, তবে তা কীভাবে এবং কখন শেষ হবে, সে সিদ্ধান্ত নেবে ইরান। রোববার (১ মার্চ) এক্সে দেওয়া পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ইরাক ও আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের প্রসঙ্গ টেনে আরাঘচি বলেন, “আমাদের পূর্ব ও পশ্চিমে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতির অভিজ্ঞতা বিশ্লেষণের জন্য দুই দশক সময় ছিল। সেখান থেকে আমরা প্রয়োজনীয় শিক্ষা নিয়েছি।”
তিনি আরও দাবি করেন, তেহরানে হামলা হলেও ইরানের যুদ্ধ পরিচালনার সক্ষমতায় বড় কোনো প্রভাব পড়বে না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বিকেন্দ্রীভূত ‘মোজাইক প্রতিরক্ষা’ কৌশল ইরানকে যুদ্ধের সময় ও ফল নির্ধারণে সক্ষমতা দিয়েছে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?