সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

লাইফস্টাইল

জুমার দিনে রাসূল (সাঃ)-এর ১৫ গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা

জুমার দিন সপ্তাহের সেরা দিন হিসেবে বিবেচিত। এই দিনটি মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আল্লাহ তাআলা শুক্রবারকে অন্যান্য দিনের তুলনায় মর্যাদা দিয়েছেন। এই বিশেষ দিনে কিছু নির্দিষ্ট ইবাদতের কথা উল্লেখ আছে, যেগুলো পালন করার জন্য রাসূল (সাঃ) নির্দেশ দিয়েছেন। নিচে সেই ইবাদতগুলো সম্পর্কে আলোচনা করা হলো ১. জুমার ফজরের তিলাওয়াত করা আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ নভেম্বর ২০২৪, ০৬:৫১

জুমার দিন সপ্তাহের সেরা দিন হিসেবে বিবেচিত। এই দিনটি মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আল্লাহ তাআলা শুক্রবারকে অন্যান্য দিনের তুলনায় মর্যাদা দিয়েছেন। এই বিশেষ দিনে কিছু নির্দিষ্ট ইবাদতের কথা উল্লেখ আছে, যেগুলো পালন করার জন্য রাসূল (সাঃ) নির্দেশ দিয়েছেন। নিচে সেই ইবাদতগুলো সম্পর্কে আলোচনা করা হলো

১. জুমার ফজরের তিলাওয়াত করা
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) জুমার ফজরের নামাজে সুরা আস-সিজদা এবং সুরা আল-ইনসান তিলাওয়াত করতেন। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১০৬৮)

২. দরুদ শরিফ বেশি পরিমাণে পড়া
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “তোমরা জুমার দিন আমার ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করো। কারণ, তোমাদের দরুদ আমার কাছে পেশ করা হয়।” (আবু দাউদ, হাদিস : ১০৪৭)

৩. জুমার নামাজ গুরুত্ব সহকারে আদায় করা
জুমার নামাজ ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফরজ বিধান। এদিন অনেক মানুষ একত্রিত হয়। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) সতর্ক করেছেন, যারা অলসতা বা অবহেলার কারণে জুমার নামাজ ছেড়ে দেয়, তাদের হৃদয়ে আল্লাহ মোহর মেরে দেন।

৪. বিশেষভাবে গোসল করা
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি জুমার নামাজে অংশগ্রহণ করতে চায়, সে যেন আগে গোসল করে নেয়।” (জামে তিরমিজি, হাদিস : ৪৯২)

৫. সুগন্ধি ব্যবহার করা
আবু সাইদ খুদরি (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “যদি জুমার দিন সুগন্ধি পাওয়া যায়, তবে তা ব্যবহার করো।” (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৮৮০)

৬. মিসওয়াক করা এবং ফজরের জন্য প্রস্তুত হওয়া
জুমার দিন মিসওয়াক করা এবং প্রত্যুষে নামাজের জন্য জাগ্রত হওয়া সুন্নত।

৭. ইমামের আগমনের পূর্বে ইবাদতে রত থাকা
ইমাম আসার আগে নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত এবং জিকিরে সময় ব্যয় করা উচিত।

৮. খুতবার সময় সম্পূর্ণ চুপ থাকা
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি খুতবার সময় তার সঙ্গীকে ‘চুপ থাকো’ বলল, সে অনর্থক কাজ করল।” (সুনানে নাসায়ি, হাদিস : ১৪০১)

৯. সুরা কাহফ তিলাওয়াত করা
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি জুমার দিনে সুরা কাহফ পাঠ করবে, তার জন্য দুই জুমার মধ্যবর্তী সময় আলোকিত হবে।” (আত-তারগিব, হাদিস : ৭৩৫)

১০. জুমার নির্ধারিত সুরা তিলাওয়াত করা
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) জুমার নামাজে ‘সাব্বিহিসমা রব্বিকাল আলা’ এবং ‘হাল আতা-কা হাদিসুল গা-শিয়াহ’ সুরা পড়তেন। কোনো কোনো বর্ণনায় সুরা জুমুআ ও সুরা আলা তিলাওয়াতের কথাও এসেছে। (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১৯১৩)

১১. পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর পোশাক পরা
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি জুমার দিনে গোসল করে, পবিত্র হয়, ভালো পোশাক পরে এবং সুগন্ধি ব্যবহার করে, তার এক জুমা থেকে পরবর্তী জুমার গুনাহ ক্ষমা করা হয়।” (সুনানে ইবনে মাজা, হাদিস : ১০৯৭)

১২. মসজিদে সুগন্ধি ব্যবহার করা
জুমার দিনে মসজিদে সুগন্ধি লাগানোর জন্য ওমর (রাঃ) আদেশ দিতেন।

১৩. গুনাহ মোচনের সুযোগ
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি পবিত্র হয়ে জুমার নামাজে আসে এবং ইমামের নামাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত নীরব থাকে, তার এ জুমা থেকে পরবর্তী জুমার গুনাহ মাফ হয়।” (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ২৩৭২৯)

১৪. কবরের আজাব মাফ হওয়া
জুমার দিনে কবরের আজাব মাফ হওয়ার কথা এসেছে। এছাড়া অন্য দিনে জাহান্নামের আগুন উত্তপ্ত করা হয়, তবে জুমার দিনে তা করা হয় না। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস : ১০৮৩)

১৫. বিশেষ দোয়া কবুলের সময়
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “জুমার দিনে এমন একটি সময় আছে, যখন কোনো মুসলিম আল্লাহর কাছে দোয়া করলে তা অবশ্যই কবুল হয়।” এ সময়টি আসরের পর থেকে মাগরিবের আগে বলে মত দেওয়া হয়েছে। (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১৮৫৮)

4o

লাইফস্টাইল

কাঁচা ডিমে চুলের উজ্জ্বলতা বাড়ে কয়েকগুণ

ডিম কেবল শরীরের নয়, খেয়াল রাখে চুলেরও। নির্জীব চুলে প্রাণ ফেরানোর পাশাপাশি চুল পড়া বন্ধ করতে কার্যকর ডিমের হেয়ার প্যাক। নিয়মিত কাঁচা ডিমের প্যাক ব্যবহার করলে চুল হবে নরম, মসৃণ ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল। ডিমে থাকে প্রচুর প্রোটিন ও মিনারেল। আরও থাকে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স যা চুলের সৌন্দর্য বাড়াতে কাজ করে। এই উপাদানগুলো চুলের গোড়া শক্ত করতে […]

কাঁচা ডিমে চুলের উজ্জ্বলতা বাড়ে কয়েকগুণ

কাঁচা ডিমে চুলের উজ্জ্বলতা বাড়ে কয়েকগুণ

নিউজ ডেস্ক

২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫:২২

ডিম কেবল শরীরের নয়, খেয়াল রাখে চুলেরও। নির্জীব চুলে প্রাণ ফেরানোর পাশাপাশি চুল পড়া বন্ধ করতে কার্যকর ডিমের হেয়ার প্যাক। নিয়মিত কাঁচা ডিমের প্যাক ব্যবহার করলে চুল হবে নরম, মসৃণ ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল।


ডিমে থাকে প্রচুর প্রোটিন ও মিনারেল। আরও থাকে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স যা চুলের সৌন্দর্য বাড়াতে কাজ করে। এই উপাদানগুলো চুলের গোড়া শক্ত করতে কাজ করে। ডিমে থাকা বায়োটিনের কারণে চুলের উজ্জ্বলতা বাড়ে কয়েকগুণ। নিয়মিত ডিম ব্যবহার করলে কমে আসে চুল পড়ার পরিমাণ। ডার্মাটোলজি অ্যান্ড থেরাপি জার্নালের গবেষণাপত্রে এসব তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

চলুন জেনে নেই চুলের যত্নে ডিম ব্যবহারের কিছু ঘরোয়া উপায় সম্পর্কে-

ডিম ও দুধ-

চুলে প্রোটিনের ঘাটতি মেটাতে ডিমের হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন। এটি চুল মজবুত করে। মাস্কটি তৈরি করার জন্য একটি পাত্রে ২টি ডিম ফাটিয়ে নিন। এর সঙ্গে মেশান এক টেবিল চামচ মধু এবং এক টেবিল চামচ দুধ বা টক দই। সবগুলো উপাদান ভালো করে মিশিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করুন। মাস্কটি পুরো চুল ও মাথার তালুতে ভালো করে লাগিয়ে নিন। এরপর আধাঘণ্টা অপেক্ষা করে শ্যাম্পু করে নিন।

ডিম ও অলিভ অয়েল-

চুলের গোড়া শক্ত করতে কাজ করে ডিম। এদিকে অলিভ অয়েলও চুলের জন্যে দারুণ কার্যকরী। এই দুই উপাদান মিশিয়ে হেয়ার মাস্ক তৈরি করতে পারেন। এতে অল্পদিনেই উপকার পাবেন। সেজন্য প্রথমে একটি পাত্রে একটি ডিম ফাটিয়ে নিন। এবার তার সঙ্গে টেবিল চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিতে হবে। উপাদান দু’টি ভালো করে মিশিয়ে হেয়ার মাস্ক তৈরি করে নিন। এবার সেই মাস্ক চুলে লাগিয়ে নিন। মিনিট বিশেক অপেক্ষা করে শ্যাম্পু করে নিন।

ডিম, কলা ও মধু-

বিভিন্ন কারণে চুল প্রাণহীন হয়ে পড়লে সাহায্য নিতে পারেন ডিমের। চুলের প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে দিতে কাজ করে ডিমের হেয়ার মাস্ক। তার সঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে কলা ও মধু। প্রথমে একটি কলা চটকে নিন। এবার তার মধ্যে তিন টেবিল চামচ দুধ ও তিন টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে নিন। এরপর তার সঙ্গে মেশান একটি ডিম। সব উপকরণ ভালো করে মিশিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করুন। এবার এই হেয়ার মাস্ক চুলে লাগিয়ে নিন। আধা ঘণ্টা অপেক্ষা করে শ্যাম্পু করে নিন। পরিবর্তন আপনি নিজেই টের পাবেন।