ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে সবগুলো বুথে স্বাধীন পর্যবেক্ষক ও সিসিটিভি ক্যামেরার ব্যবস্থা করার দাবি করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্যানেল ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’ এর ভিপি (সহ-সভাপতি) প্রার্থী আবু সাদিক কায়েম। তিনি বলেন, ‘আমরা নির্বাচনে সবগুলো বুথে স্বাধীন পর্যবেক্ষক ও সিসিটিভি ক্যামেরার ব্যবস্থা করার দাবি জানাই।’
মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরুর কালে সাংবাদিকদের সাথে তিনি এ কথা বলেন।
আবু সাদিক কায়েম বলেছেন, ‘কেমন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিনির্মাণ করতে চায় সেটা সবারই পেশ করা উচিত। যদি আগের কায়দায় বুলিং, ট্যাগিং ও প্রোপাগাণ্ডার রাজনীতি করি তাহলে শিক্ষার্থীরা এটাকে প্রতিরোধ করবে। আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটা পলিটিক্যাল ইনস্টিটিউট থেকে একাডেমিক ইনস্টিটিউটে পরিণত করতে চাই।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা একটা স্বপ্ন নিয়ে ভর্তি হয়। কিন্তু আবাসন সংকট, খাদ্য নিরাপত্তার ও শিক্ষার পরিবেশ না থাকলে শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ভঙ্গ করে দেয়। আমরা শিক্ষার্থীদের ম্যান্ডেট নিয়ে একটি গণতান্ত্রিক ক্যাম্পাস গড়ে তুলব এবং সেই চর্চা সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে চাই।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিগুলোকে আধুনিকায়ন করব। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির দিক থেকে বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বাধ্য করব।’
নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে সাদিক কায়েম বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের একপাক্ষিক আচরণ দেখতে পাচ্ছি। শিক্ষক, প্রশাসন ও প্রভোস্টও একটা দলের প্রেজেন্ট করে। আগে অনেক আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছে। বাইরের কোনো বাণী আসলে সেটা বাস্তবায়ন করলে বা সেই অনুযায়ী তাদের আদর্শ প্রতিফলন করলে জুলাইয়ের আকাঙ্খা ও শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে তারা অবস্থান নেবে বলে মনে করি।
এ সময় বক্তব্য দেন শিবির সমর্থিত ও ঢাবির শিবিরের সভাপতি ডাকসুর জিএস প্রার্থী এস এম ফরহাদ ও এজিএস মহিউদ্দিন খান। আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদপ্রার্থী ২৪-এর জুলাই আন্দোলনে চোখ হারানো শিক্ষার্থী খান জসীমের কথা বলার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা কার্যক্রম শুরু করেন ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট।