রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

জীবিকার জালে ঋণবন্দি বরগুনার জেলেরা উপকূলে ভয়াবহ অনিশ্চয়তা

রাশিমুল হক রিমন, বরগুনা বরগুনার উপকূলীয় জনপদে মাছ ধরাই হাজারো মানুষের বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন। কিন্তু প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে টিকে থাকা এই পেশা আজ বহু জেলে পরিবারের জন্য ঋণের এক নিষ্ঠুর বন্দিত্বে পরিণত হয়েছে। সরকারি অবহেলা, মহাজনী ঋণের দৌরাত্ম্য, মধ্যস্বত্বভোগীদের শোষণ, ন্যায্যমূল্যের অভাব এবং জলবায়ুজনিত দুর্যোগ-সব মিলিয়ে জেলেদের জীবন আজ গভীর অনিশ্চয়তার মুখে। মৎস্য […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৯:০৪

রাশিমুল হক রিমন, বরগুনা

বরগুনার উপকূলীয় জনপদে মাছ ধরাই হাজারো মানুষের বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন। কিন্তু প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে টিকে থাকা এই পেশা আজ বহু জেলে পরিবারের জন্য ঋণের এক নিষ্ঠুর বন্দিত্বে পরিণত হয়েছে। সরকারি অবহেলা, মহাজনী ঋণের দৌরাত্ম্য, মধ্যস্বত্বভোগীদের শোষণ, ন্যায্যমূল্যের অভাব এবং জলবায়ুজনিত দুর্যোগ-সব মিলিয়ে জেলেদের জীবন আজ গভীর অনিশ্চয়তার মুখে।

মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বরগুনা জেলায় নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা প্রায় ৪৫ হাজার। এর মধ্যে তালতলী, পাথরঘাটা ও আমতলীতে ৩০ হাজারের বেশি জেলে সরাসরি বঙ্গোপসাগর ও নদীনির্ভর মাছ ধরার সঙ্গে যুক্ত। তবে স্থানীয়দের দাবি, প্রকৃত জেলের সংখ্যা আরও বেশি হলেও অনেকেই এখনো সরকারি নিবন্ধনের বাইরে। ফলে তারা প্রণোদনা ও সহায়তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

তালতলীর জয়ালভাঙা গ্রামের জেলে আবদুল মজিদের গল্প যেন হাজারো জেলের প্রতিচ্ছবি। মাছ ধরার সক্ষমতা বাড়াতে নৌকা ও জাল কেনার জন্য তিনি মহাজনের কাছ থেকে ঋণ নিতে বাধ্য হন। মৌখিক চুক্তিতে নেওয়া এই ঋণের সুদের হার মাসে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ। কোনো লিখিত চুক্তি বা আইনি সুরক্ষা না থাকায় ঋণ কমার বদলে ক্রমেই বাড়ছে, আর জেলে পরিবারটি পড়ে যাচ্ছে চরম সংকটে।

ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও নদীভাঙন বরগুনার উপকূলের নিত্যসঙ্গী। গত এক দশকে একাধিক বড় ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে হাজার হাজার জেলে পরিবার। এর সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে মাছের প্রাপ্যতা কমে এসেছে। করোনাকালীন দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞা ও পরবর্তীতে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে মাছ ধরার খরচ বেড়ে গেলেও মাছের বাজারদর বাড়েনি।

মৎস্য অধিদপ্তরের হিসাব বলছে, আগে যেখানে একটি ছোট নৌকা চালাতে প্রতিদিন ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা খরচ হতো, বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকায়। কিন্তু আয় সেই অনুপাতে না বাড়ায় জেলেরা আরও বেশি ঋণনির্ভর হয়ে পড়ছেন।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, অধিকাংশ জেলে মহাজন বা আড়তদারের কাছ থেকেই ঋণ নিতে বাধ্য হন। ব্যাংক ঋণের জন্য প্রয়োজনীয় জামানত ও কাগজপত্র জোগাড় করা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। ফলে মহাজনই একদিকে ঋণদাতা, অন্যদিকে মাছের প্রধান ক্রেতা হয়ে জেলেদের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত করছেন।

সরকারি নিষেধাজ্ঞাও জেলেদের জীবনে বাড়তি চাপ তৈরি করেছে। মাছের প্রজনন রক্ষায় নির্দিষ্ট সময়ে সমুদ্রে মাছ ধরা বন্ধ থাকায় জেলেরা কার্যত বেকার হয়ে পড়েন। সরকারি প্রণোদনার চাল ও সহায়তা অনেক ক্ষেত্রে সময়মতো বা পর্যাপ্তভাবে না পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। আবার নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে জেল ও জরিমানার ঘটনাও ঘটছে।

জেলে কার্ড ও সহায়তা কর্মসূচি নিয়েও রয়েছে অনিয়মের অভিযোগ। প্রকৃত জেলে তালিকা হালনাগাদ না হওয়ায় অনেক প্রকৃত জেলে সরকারি সুবিধা পাচ্ছেন না। বিপরীতে তালিকায় রয়েছেন এমন অনেকেই, যারা বাস্তবে মাছ ধরার সঙ্গে যুক্ত নন।

ঋণের ভারে নুয়ে পড়া জেলে পরিবারগুলোর স্বাস্থ্য ও শিক্ষাব্যবস্থা চরম সংকটে। দারিদ্র্যের কারণে শিশুদের স্কুল ছাড়ার প্রবণতা বাড়ছে, অল্প বয়সেই তারা মাছ ধরার কাজে যুক্ত হচ্ছে। এতে দারিদ্র্যের এক ভয়াবহ চক্র তৈরি হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংকট থেকে উত্তরণে জরুরি ভিত্তিতে প্রকৃত জেলে তালিকা হালনাগাদ, স্বল্পসুদের প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ ব্যবস্থা, ন্যায্যমূল্যে মাছ বিক্রির নিশ্চয়তা এবং বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে উপকূলীয় এলাকায় জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন পরিকল্পনা গ্রহণ না করলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে।

বরগুনার উপকূলজুড়ে আজ হাজারো জেলে পরিবার ঋণের দাসত্বে বন্দি। আবদুল মজিদের মতো অসংখ্য জেলে এখনো আশায় আছেন-একদিন হয়তো তারা ঋণমুক্ত হয়ে নিজের শ্রমের ন্যায্য ফল পাবেন। তবে কার্যকর রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ ও সুশাসন ছাড়া সেই আশার আলো ক্রমেই ক্ষীণ হয়ে আসছে।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।