সজিব রেজা, দিনাজপুর প্রতিনিধি:
দিনাজপুরে শীতের প্রকোপ ক্রমেই জোরদার হচ্ছে। নভেম্বরের শুরুতে হালকা শীত অনুভূত হলেও নভেম্বরের মাঝামাঝি সময় হতে বিকেল থেকে সকাল পর্যন্ত তীব্র ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে।
ভোর থেকেই শহরজুড়ে শীতের উপস্থিতি আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। আজ দিনাজপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছ১৪ ডিগ্। কুয়াশা ও ঠান্ডা বাতাসের কারণে সকালবেলায় রাস্তাঘাটে মানুষের উপস্থিতি ছিল তুলনামূলক কম। প্রয়োজন ছাড়া খুব কম মানুষই বাইরে বের হন।
আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, গত বুধবার (৩ নভেম্বর) সকাল ৯টায় দিনাজপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়ে ১১.১ ডিগ্রি সেলসিয়া, যা এ মৌসুমে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার অন্যতম। বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৮১ শতাংশ এবং উত্তর–পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রা ধারাবাহিকভাবে কমছে।
৫ ডিসেম্বর ভোর থেকে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ঘন কুয়াশার দেখা মিলে। সড়ক, মাঠ–ঘাট, বাসাবাড়ির সামনের পথ—সব জায়গায় কুয়াশা যেন সাদা চাদর বিছিয়ে রেখেছে। কুয়াশা ও বাতাসের কারণে ভোর ও সকাল ৯টা পর্যন্ত ঠান্ডা আরও বেশি অনুভূত হয়।
সদরের ইজিবাইক চালক আব্বাস জানান, “সকালে মানুষ কম বের হয়। তাই ভাড়া আগের তুলনায় অনেকটা কমে গেছে। ঠান্ডা বাতাসে গাড়ি চালাতেও কষ্ট হয়।
দিনাজপুর সদরে সবজি বিক্রি করতে আসা গ্রামের কৃষক বাবুল রায় বলেন, বেশ কিছু দিন ধরে শীত বাড়তেই আছে। এই শীতে মাঠে কাজ করা অনেক কষ্ট হয়। তারপর ও জীবন চলার জন্য সকালে বের হতেই হয়।
শুক্রবার সকালে শহরের প্রধান সড়ক, বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশন, বাজার এলাকা—সব জায়গাতেই মানুষের সংখ্যা ছিল খুবই কম।
প্রয়োজনে যারা বের হয়েছেন, তারা অধিকাংশই মোটা শীতের পোশাক পরে চলাফেরা করছেন।
যদিও দুপুরের দিকে রোদ উঠলে কিছুটা উষ্ণতা পাওয়া যায়, কিন্তু বিকেলের পর আবারও ঠান্ডা বাতাসে শৈত্যপ্রবাহের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়।