মঈন উদ্দীন বান্দরবান প্রতিনিধি
বান্দরবানে পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২৮ তম বর্ষপূর্তি উদযাপন উপলক্ষে পার্বত্য জেলা পরিষদের উদ্যোগে এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) সকালে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি এবং পায়রা ও বেলুন উড়ানোর মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি অধ্যাপক থানজামা লুসাই,।
এর পর ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের হলরুমে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এস এম হাসান এর সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন অধিনায়ক ২৮ বেঙ্গল বান্দরবান লে.কর্নেল মোহাম্মদ হুমায়ুন রশিদ, (পিএসসি) বান্দরবান পার্বত্য জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবদুর রহমান সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সাংবাদিকবৃন্দ।
এ সময় অধ্যাপক থানজামা লুসাই বলেন, ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এবং জনসংহতি সমিতির মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামকে একটি বিশেষায়িত অঞ্চল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
এর পর থেকে পার্বত্য অঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও বেড়াজাল থেকে বেরিয়ে উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রত্যাশা পূরণের পথে এগিয়ে যায়। তিনি আরও বলেন, একসময় পার্বত্য অঞ্চল ছিল অবহেলিত; কিন্তু শান্তি চুক্তির ফলে বান্দরবানের অনগ্রসর ও দুর্গম এলাকায় ফিরে এসেছে শান্তি ও উন্নয়নের ধারা।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে পার্বত্য স্থানীয় পরিষদ পরিবর্তন হয়ে জেলা পরিষদ গঠিত হয় এবং সরকারের বহু বিভাগ এই পরিষদের কাছে হস্তান্তরিত হয়।পার্বত্য শান্তি চুক্তির যেসব বিষয় এখনো বাস্তবায়িত হয়নি, সেগুলো দ্রুত বাস্তবায়িত হবে বলে তিনি সরকারের ওপর পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করেন।
অন্যদিকে সকাল ১০টায় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির উদ্যোগে রাজার মাঠ থেকে একটি র্যালি বের করা হয় র্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান পরীক্ষা করে রাজার মাঠে গণসমাবেশ ও আলোচনা সভায় যোগদান করে।
উক্ত আলোচনা সবাই তারা বলেন, ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও এখনো পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হয়নি। তাই পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির সকল ধারা দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে; না হলে পাহাড়ে অশান্তি দিন দিন বৃদ্ধি পাবে।