সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

বালুভর্তি ট্রাক দিয়ে সড়ক অবরোধ বিএনপির একাংশ, মিন্টুর শোডাউনে বাধা-হামলা

ফেনীর দাগনভূঞায় বালুভর্তি ট্রাক দিয়ে সড়ক অবরোধ করে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টুর গণসংযোগে বাধা সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে। এসময় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীর ওপর হামলা করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বিকেলে দাগনভূঞা উপজেলা শহরের জিরো পয়েন্ট এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি সেনাসদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেল […]

বালুভর্তি ট্রাক দিয়ে সড়ক অবরোধ বিএনপির একাংশ, মিন্টুর শোডাউনে বাধা-হামলা

বালুভর্তি ট্রাক দিয়ে সড়ক অবরোধ বিএনপির একাংশ, মিন্টুর শোডাউনে বাধা-হামলা

নিউজ ডেস্ক

২৮ নভেম্বর ২০২৫, ১০:৩১

ফেনীর দাগনভূঞায় বালুভর্তি ট্রাক দিয়ে সড়ক অবরোধ করে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টুর গণসংযোগে বাধা সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে। এসময় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীর ওপর হামলা করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বিকেলে দাগনভূঞা উপজেলা শহরের জিরো পয়েন্ট এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি সেনাসদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন।


প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সিলোনীয়া বাজারে পথসভা শেষে তুলাতুলি এলাকায় যাওয়ার পথে প্রতিরোধের মুখে পড়ে মিন্টুর গাড়িবহর। ফেনী-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থিতা ঘোষণার পর প্রথমবারের মতো নিজ নির্বাচনি এলাকা সফরে যান আবদুল আউয়াল মিন্টু। আনুষ্ঠানিক প্রচারণাকে কেন্দ্র করে ফেনী-নোয়াখালী সড়কের দাগনভূঞা জিরো পয়েন্ট এলাকায় যানজট তৈরি হয়। সড়কে বালুভর্তি ট্রাক রেখে মিন্টুর গাড়িবহরে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মাহবুবুল হক রিপন, সাইফুর রহমান রতন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আবুল হাসেম বাহাদুর ও জেলা ছাত্রদলের বহিষ্কৃত সহ-সভাপতি জামসেদুর রহমান ফটিক সমর্থকরা। এতে সড়কে দীর্ঘ যানজটে ভোগান্তিতে পড়ে মানুষ। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।

বাধার মুখে পড়ে মিন্টুকে প্রায় আধাঘণ্টার মতো উপজেলা গেটে গাড়িবহর নিয়ে সড়কে অপেক্ষায় থাকতে হয়। পরে সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় মিন্টুর গাড়িবহর তুলাতুলি বাজারে পৌঁছায়। এসময় তার বহরে থাকা সোনাগাজী উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক খুরশিদ আলমসহ বেশ কয়েকজনের ওপর হামলা করেন অবরোধকারীরা। একপর্যায়ে খুরশিদকে অপহরণের চেষ্টা করেন মাথায় হেলমেট পরা অবরোধের সমর্থনে সড়কে থাকা অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা। এসময় বেশ কয়েকটি গাড়িতে ভাঙচুর চালিয়ে বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও মিন্টুর ছবি সম্মলিত ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেন বিরোধীরা।


পরে মিন্টু তুলাতুলি বাজারে পথসভা শেষে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন, তিনি বিএনপি ও ধানের শীষের প্রার্থী। তফসিল ঘোষণা ও প্রার্থী চূড়ান্ত করা হলে সব বিরোধ মিটে যাবে।

প্রতিবদ্ধকতার বিষয়ে মিন্টুর ছোট ভাই ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আকবর হোসেন বলেন, ‘বিএনপিতে কোনো সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজের স্থান নেই। এটি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের ঘোষণা।’

দাগনভূঞা পৌরসভা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুর রহমান স্বপন বলেন, দলের প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টুর পক্ষে কাজ করতে তাদের কোনো আপত্তি নেই। তবে মিন্টুর ছোট ভাই আকবর হোসেনের বৃত্ত থেকে বের হতে হবে। ত্যাগীদের বাদ দিয়ে উপজেলা ও পৌর বিএনপির কমিটি নিয়েই মূল বিরোধ।

স্বপনের দাবি, মিন্টুর শোডাউনে অবরোধ নয়, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সাইফুর রহমান রতন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আবুল হাসেম বাহাদুর ও জেলা ছাত্রদলের বহিষ্কৃত সহ-সভাপতি জামসেদুর রহমান ফটিকের কারামুক্তি উপলক্ষে জনতার সংবর্ধনা সভা হয়েছে। মানুষের ভিড়ে গাড়িযট লেগেছে।


গত বছরের ২২ ডিসেম্বর ফেনী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলালের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে সোনাগাজী ও দাগনভূঞা উপজেলা এবং পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। তারপর থেকেই এ কমিটি বাতিলের দাবিতে দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিলসহ নানা কর্মসূচি পালন করে আসছেন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

সবশেষ ১৮ জানুয়ারি ফেনী প্রেসক্লাবের সামনের সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন এ দুই উপজেলা থেকে আসা নেতাকর্মীরা। ৫ আগস্ট দাগনভূঞায় বিএনপির বিজয় মিছিলে হামলা করেন আকবর বিরোধীরা। এ ঘটনায় আহত ইঞ্জিনিয়ার এনায়েত উল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলা জামিন নিতে গেলে আদালত তাদের কারাগারের পাঠানোর নির্দেশ দেন। আজ তাদের কারামুক্তি উপলক্ষে সংবর্ধনার আয়োজন করেন আকবর বিরোধীরা।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।