সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মাদক নির্মূলে ইউএনওর হস্তক্ষেপে স্বেচ্ছাসেবী গঠনের আহবান

ফরিদ মিয়া নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি : মাদক ও জুয়া নিয়ন্ত্রণে নান্দাইল উপজেলা প্রশাসন নতুন এক কার্যকর উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌরসভার ওয়ার্ডে পৃথক স্বেচ্ছাসেবী দল গঠনের আহবান জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সারমিনা সাত্তার। উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার সবকটি ওয়ার্ডে গঠিত হবে এ ধরনের কমিটি। স্বেচ্ছাসেবী দলগুলো সংশ্লিষ্ট এলাকায় মাদক ও […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৯:৪১

ফরিদ মিয়া নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি :

মাদক ও জুয়া নিয়ন্ত্রণে নান্দাইল উপজেলা প্রশাসন নতুন এক কার্যকর উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌরসভার ওয়ার্ডে পৃথক স্বেচ্ছাসেবী দল গঠনের আহবান জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সারমিনা সাত্তার।

উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার সবকটি ওয়ার্ডে গঠিত হবে এ ধরনের কমিটি। স্বেচ্ছাসেবী দলগুলো সংশ্লিষ্ট এলাকায় মাদক ও জুয়ার বিস্তার রোধে প্রশাসনকে তথ্য সরবরাহ করবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে সহযোগিতা করবে। এর ফলে স্থানীয়ভাবে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ আরও সহজ হবে বলে আশা করছে উপজেলা প্রশাসন।

ইউএনও সারমিনা সাত্তার জানিয়েছেন, এসব কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি, মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক, রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, শিক্ষক, ছাত্র প্রতিনিধি এবং অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবকদের। এতে করে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করা সম্ভব হবে। এ উদ্যোগকে কেন্দ্র করে সামাজিক সচেতনতা তৈরি হওয়ার পাশাপাশি অপরাধ দমনে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অফিসিয়াল ফেসবুক আইডি থেকে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়। সেখানে বলা হয়, নান্দাইলকে একটি মাদকমুক্ত, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ সমাজ হিসেবে গড়ে তুলতে প্রশাসনের একার পক্ষে সম্ভব নয়। এজন্য প্রয়োজন স্থানীয় জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণ। স্বেচ্ছাসেবী কমিটিগুলো গড়ে উঠলে প্রশাসনের সঙ্গে জনগণের একটি সেতুবন্ধন তৈরি হবে।

নান্দাইল উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরেই মাদক সমস্যা একটি সামাজিক ব্যাধি হিসেবে দেখা দিয়েছে। এ সমস্যার সমাধানে প্রশাসনের নানা উদ্যোগ থাকলেও তা শতভাগ সফল হয়নি। এবার স্থানীয়দের সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে একটি কার্যকর সমাধান খুঁজে পাওয়া সম্ভব বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

উপজেলা প্রশাসনের প্রত্যাশা, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মাদক ও জুয়া নিয়ন্ত্রণে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে। একই সঙ্গে কিশোর ও তরুণ প্রজন্মকে অপরাধের হাত থেকে রক্ষা করা যাবে। প্রশাসন দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, স্বেচ্ছাসেবী দল গঠনের মাধ্যমে জনগণকে সম্পৃক্ত করাই হবে একটি টেকসই সমাধান এবং ভবিষ্যতে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের মূল চাবিকাঠি।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।