রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

জেএসএনপিএফ এর কুমিল্লা জেলার নব গঠিত কমিটি ঘোষণা

মোঃ রবিউল আলম, কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ জাতীয় সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন এর কুমিল্লা জেলার নব গঠিত কমিটি ঘোষণা হয়েছে। শনিবার (১৬ নভেম্বর) সকাল ১১ঘটিকায় কুমিল্লা নগরীর কান্দিরপাড় এলাকায় আনন্দ সিটি সেন্টারের ইয়াম্মী পাটি সেন্টারে কুমিল্লা জেলা কমিটির অভিষেক উপলক্ষে “সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধে করণীয়” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলা কমিটির নির্বাহী সদস্য সৈয়দ মোঃ সালাহ […]

নিউজ ডেস্ক

১৬ নভেম্বর ২০২৪, ১৯:২৬

মোঃ রবিউল আলম, কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ

জাতীয় সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন এর কুমিল্লা জেলার নব গঠিত কমিটি ঘোষণা হয়েছে। শনিবার (১৬ নভেম্বর) সকাল ১১ঘটিকায় কুমিল্লা নগরীর কান্দিরপাড় এলাকায় আনন্দ সিটি সেন্টারের ইয়াম্মী পাটি সেন্টারে কুমিল্লা জেলা কমিটির অভিষেক উপলক্ষে “সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধে করণীয়” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে জেলা কমিটির নির্বাহী সদস্য সৈয়দ মোঃ সালাহ উদ্দিন এর উপস্থাপনায় কেন্দ্রিয় কমিটির মহাসচিব মোঃ আবু বকর সিদ্দিক এর সভাপতিত্বে ও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা রিপোটার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি ওমর ফারকী তাপস।

আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা প্রেসক্লাবের যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক ও সময় টিভির প্রতিনিধি বাহার রায়হান, কুমিল্লা জেলা আইনজীবি সমিতির এড. জাকির হোসেন মিয়াজী, প্রফেসর মোঃ আজিজুল হাকিম ও জাতীয় সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন এর কেন্দীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক খাইরুজ্জামান সজিব।

এছাড়াও সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান আহসান হাবিব, মুজিবুর রহমান রানা ও কেন্দ্রিয় কমিটির যুগ্ন সদস্য সচিব জায়ফুল্লাহ খন্দকার। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক মোঃ রবিউল আলম, সহ অর্থ বিষয়ক সম্পাদক খোরশেদ আলম।

আলোচনায় বক্তারা সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধে বিভিন্ন বিষয়ে করণীয় ও বর্জনীয় দিকগুলো তুলে ধরেন। এসময় সাংবাদিকতায় বিভিন্ন আইনগত বিষয়ও তুলে ধরা হয় এবং ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার পতয় ব্যক্ত করেন। পরে অনুষ্ঠানের সভাপতি ও কেন্দ্রিয় কমিটির মহাসচিব মোঃ আবু বকর সিদ্দিক ২৭ সদস্য বিশিষ্ট কুমিল্লা জেলা কমিটির নাম ঘোষণা করেন।

এতে সভাপতি হিসেবে দৈনিক নয়াদিগন্তের প্রতিনিধি কাজী খোরশেদ আলম, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশের প্রতিনিধি আব্দুল আউয়াল সরকার ও সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দৈনিক বিজয় প্রত্রিকার প্রতিনিধি আক্কাস আল মাহমুদ হৃদয় এর নাম ঘোষণা করা হয়।

এছাড়াও সহ-সভাপতি হিসেবে দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রতিনিধি দেলোয়ার হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দৈনিক স্বাধীন ভোরের প্রতিনিধি আলমগীর হোসেন বাচ্চু, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দৈনিক ভোরের কলাম প্রতিনিধি ও অপরাধ সংবাদ পত্রিকার বার্তা সম্পাদক মোঃ জহির হোসেন, দপ্তর সম্পাদক হিসেবে পেস দ্যা পিপলের প্রতিনিধি কায়েস আহমেদ, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ পত্রিকার প্রতিনিধি মোঃ শরিফুল ইসলাম সুমন, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে বার্তাবাজারের প্রতিনিধি মোঃ আশিকুর রহমান মজুমদার, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দৈনিক স্বাধীন ভোরের প্রতিনিধি

জামাল উদ্দিন, কর্মসংস্থান ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দৈনিক শিরোনামের প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম, আইন বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে টাইমস নিউজ এর প্রতিনিধি অ্যাডভোকেট আলিমুল এহসান রাসেল, শিক্ষা ও সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দৈনিক রূপসী বাংলা পত্রিকার প্রতিনিধি সোহেল রানা, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে এশিয়ান টিভির প্রতিনিধি নুরুন্নবী চৌধুরী জসিম, প্রচার সম্পাদক হিসেবে রাজধানী টিভি’র প্রতিনিধি শফিউল আলম, গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দৈনিক মুক্ত খবরের প্রতিনিধি

আবুল হোসেন বাবুল, দুর্যোগ ও ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দৈনিক আজকের পত্রিকার প্রতিনিধি মোহাম্মদ আনিস খান, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার প্রতিনিধি মোঃ নিয়ামত উল্লাহ, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা হিসেবে দৈনিক বিজনেস বাংলাদেশ পত্রিকার প্রতিনিধি আয়েশা আক্তারের নাম ঘোষণা করা হয়।

এছাড়াও নির্বাহী সদস্য হিসেবে যথাক্রমে দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার প্রতিনিধি সাফি, দৈনিক বাংলার আলোড়ন পত্রিকার প্রতিনিধি মোঃ সাইফুল ইসলাম ফয়সাল, দৈনিক কুমিল্লা প্রতিদিনের প্রতিনিধি সৈয়দ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, দৈনিক বাংলার দূত এর প্রতিনিধি মোঃ শাহাদাত কামাল শাকিল, দৈনিক আলোকিত প্রতিদিন এর প্রতিনিধি

মোঃ আব্দুল জলিল মজুমদার, দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার এর প্রতিনিধি মোঃ রবিউল হোসেন, দৈনিক আমার সংগ্রামের প্রতিনিধি হাসেন মজুমদার, দৈনিক সকালের সময়ের প্রতিনিধি দেবব্রত পাল এর নাম ঘোষণা করা হয়। উক্ত নবগঠিত জেলা কমিটির পাঁচ উপদেষ্টা সদস্যের নাম ঘোষণা করা হয়। প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে মোহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক, সম্মানিত সদস্য হিসেবে যথাক্রমে অ্যাডভোকেট মোঃ জাকির হোসেন মিয়াজী, প্রফেসর মোঃ আজিজুল হাকিম, মোঃ জায়ফুল্লাহ খন্দকার ও মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান এর নাম ঘোষণা করা হয়।

সারাদেশ

‘ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে গর্বিত, আমাদের মেয়েও কম নয়’ : পৌর জামায়াতের আমির

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২:৫৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে শান্ত ও সংক্ষিপ্ত পরিসরে আকদ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম-১০ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালীসহ উভয় পরিবারের স্বজনরা।

এসএম ফরহাদ চট্টগ্রামের সন্তান। তার বাবা মাওলানা ফোরকান চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বায়তুশ শরফ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল। ফরহাদ পরিবারের বড় ছেলে এবং ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

অপরদিকে কনে জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা ফেনীর সোনাগাজী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের চট্টগ্রাম সমাজ বড়বাড়ির সন্তান। তিনি স্থানীয় জামায়াত নেতা ও ব্যবসায়ী এমদাদুল্লাহ কাজলের বড় মেয়ে। সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী এবং চাকসুর নির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

সোনাগাজী পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা কালিম উল্যাহ বলেন, “ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে আমরা গর্বিত। আমাদের মেয়েও কোনো অংশে কম নয়। চাকসু নির্বাচনে ছয় হাজার ভোট পেয়ে সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত হয়েছে।”

উল্লেখ্য, জিএস ফরহাদের বাগদান অনুষ্ঠান ডিসেম্বরের মাঝামাঝি হওয়ার কথা থাকলেও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে পারিবারিক সিদ্ধান্তে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

সারাদেশ

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখসারির সংগঠক ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পেছনের পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে নতুন তথ্য সামনে আসছে। তদন্তে উঠে এসেছে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত হিসেবে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ওরফে ‘শাহীন চেয়ারম্যান’-এর নাম। গোয়েন্দা সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ ও অস্ত্র—দুটোর ব্যবস্থাপনাতেই তার সরাসরি ভূমিকা […]

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

নিউজ ডেস্ক

২০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৫৭

জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখসারির সংগঠক ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পেছনের পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে নতুন তথ্য সামনে আসছে। তদন্তে উঠে এসেছে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত হিসেবে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ওরফে ‘শাহীন চেয়ারম্যান’-এর নাম। গোয়েন্দা সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ ও অস্ত্র—দুটোর ব্যবস্থাপনাতেই তার সরাসরি ভূমিকা ছিল।

তদন্তসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, এই হত্যাকাণ্ডে শাহীন চেয়ারম্যান একা ছিলেন না। তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ও সহযোগিতায় ছিলেন আরও কয়েকজন ব্যক্তি, যাদের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক কয়েকজন নেতার সম্পৃক্ততার প্রাথমিক তথ্য মিলেছে। এরই মধ্যে কয়েকজন সন্দেহভাজনের ওপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

গোয়েন্দাদের দাবি, হাদির ওপর হামলার পর হামলাকারীদের ঢাকা থেকে সীমান্তের দিকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল হামিদ। এ ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান জোরদার করা হয়েছে। তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, হামলার আগে ও পরে হত্যাকারীদের সঙ্গে তার একাধিকবার যোগাযোগ হয়েছিল।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, জুলাই অভ্যুত্থানে শরিফ ওসমান হাদির সক্রিয় ভূমিকা এবং গত বছরের ৫ আগস্টের পর তার ধারাবাহিক বক্তব্য ও রাজনৈতিক অবস্থান আওয়ামী লীগকে চরমভাবে ক্ষুব্ধ করে তোলে। দলটির অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নে হাদিকে ‘বড় ঝুঁকি’ হিসেবে দেখা হচ্ছিল। সেই প্রেক্ষাপটেই তাকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের ছক তৈরি হয়।

শাহীন আহমেদের রাজনৈতিক ও অপরাধী পরিচিতিও তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে। তিনি দীর্ঘদিন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। স্থানীয়ভাবে তিনি একজন প্রভাবশালী নেতা হলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নথিতে বহুদিন ধরেই সন্ত্রাসী ও অস্ত্রধারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, শেখ হাসিনা সরকারের সময় সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে তিনি ব্যাপক প্রভাব খাটিয়ে একাধিকবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং নানা অভিযোগ সত্ত্বেও ছিলেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গত বছরের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শাহীন চেয়ারম্যান সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে চলে যান। প্রথম দিকে তিনি আত্মগোপনে থাকলেও গত কয়েক মাসে আবার সক্রিয় হয়ে ওঠেন। তদন্তে জানা গেছে, তিনি বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করে দেশে থাকা ‘স্লিপার সেল’-এর সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছিলেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, কয়েকটি হোয়াটসঅ্যাপ কল ও খুদেবার্তার সূত্র ধরে শাহীন চেয়ারম্যানের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে পলাতক ছাত্রলীগ নেতা হামিদের সঙ্গে হত্যাকারীদের যোগাযোগের তথ্যও মিলেছে। ভারতে অবস্থানরত কয়েকটি গ্রুপ থেকে অ্যাপভিত্তিক যোগাযোগের মাধ্যমে ঢাকায় থাকা সহযোগীদের কাজ সমন্বয় করা হচ্ছিল বলেও তদন্তে উঠে এসেছে।

সূত্র আরও জানায়, এই মামলার তদন্তে সন্দেহভাজনের তালিকায় কয়েকজন রাজনীতিকের নামও এসেছে। তাদের ভূমিকা যাচাইয়ে গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের যৌথভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি শাহীন চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কেরানীগঞ্জের দুজন ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সব দিক বিবেচনায় নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত চলছে। আমরা আশাবাদী, খুব শিগগিরই এই হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ডসহ সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারীদের পরিচয় স্পষ্ট হবে।’

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।