শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

হুমকীর মুখে গাংনীর জীব বৈচিত্র

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুরঃ অপার সৌন্ধর্যের লীলা ভূমি মেহেরপুরে জীব বৈচিত্র হুমকীর মুখে। প্রকৃতি থেকে হারিয়ে যাচ্ছে দোয়েল কোয়েল ঘুঘু চড়াইসহ নাম না জানা সব পাখি। প্রাকৃতিক পরিবেশ বিপর্যয়, বন বাদাড় ধ্বংস আর খাদ্য সংকটের কারণে জীব বৈচিত্রের উপর প্রভাব বিস্তার করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশেষজ্ঞরা। জীব বৈচিত্র রক্ষায় আধুনিক বনায়নের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। সবুজ বনায়ন আর […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

৩০ আগস্ট ২০২৫, ১৯:৫৫

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুরঃ

অপার সৌন্ধর্যের লীলা ভূমি মেহেরপুরে জীব বৈচিত্র হুমকীর মুখে। প্রকৃতি থেকে হারিয়ে যাচ্ছে দোয়েল কোয়েল ঘুঘু চড়াইসহ নাম না জানা সব পাখি। প্রাকৃতিক পরিবেশ বিপর্যয়, বন বাদাড় ধ্বংস আর খাদ্য সংকটের কারণে জীব বৈচিত্রের উপর প্রভাব বিস্তার করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশেষজ্ঞরা। জীব বৈচিত্র রক্ষায় আধুনিক বনায়নের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

সবুজ বনায়ন আর সৌন্ধর্যের মাঝে বসবাসে অভ্যস্ত দোয়েল কোয়েল ঘুঘু ময়না আর বুলবুলি। বছর বিশেক আগেও ঘন বনে বাস করা এসব পাখিদের দেখা মিলতো। কোকিলের কুহু তান আর কাটঠোকরার খটখট শব্দ সেই সাথে নাম জানা পাখিদের কিচির মিচির শব্দে মুখর ছিল গ্রাম বাংলার পরিবেশ।

শালিক ফিঙে আর ইস্টিকুটুমের ঝগড়া ছিল নিত্য সঙ্গী। বনে বেড়ে ওঠা গাছের ফলমুল খেয়ে এবং নিরাপদ বংশ বিস্তার করতো। এখন আর নেই সেই চিত্র।

অবাধে বিচরণ করতে না পেরে এলাকা থেকে হারিয়ে গেছে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি। বন বাদাড় উজাড় হওয়া ও নতুন নতুন বনায়ন সৃষ্টি না হওয়া ও কীটনাশকের অবাধ প্রয়োগের কারণে এসব জীব বৈচিত্র ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে।

এদিকে পর্যাপ্ত খাদ্যের অভাব ও নিরাপদ বনাঞ্চল না থাকায় বিলুপ্ত হচ্ছে বানর, হনুমান কাঠ বেড়ালী। ক্ষেত খামারে কীটনাশক ব্যবহারের কারণে খাবারের সন্ধ্যানে আসা পশু পাখির অকাল মৃত্যু হচ্ছে। তাছাড়া প্রজনন ক্ষমতাও হারাচ্ছে। তাছাড়া পশু পাখি শিকারীরাও অবাধে শিকার করছে এসব পশু পাখি। পাখি শিকার বন্ধের দাবী জানান প্রকৃতি প্রেমীরা।

গাংনী মহিলা ডিগ্রী কলেজ সহকারী অধ্যাপক রমজান আলী জানান, প্রকৃতি থেকে গাছ গাছালী উজাড় হওয়া ছাড়াও ক্ষেত খামারে কীটনাশক প্রয়োগের ফলে খাবারের সন্ধানে যাওয়া পাখিগুলেঅ ওই খাবার খেয়ে মারা যাচ্ছে। আবার অনেক পাখি প্রজনন ক্ষমতা হারাচ্ছে ফলে পাখি ও বন্য প্রাণির সংখ্যা কমে যাচ্ছে।

মহিলা কলেজের শিক্ষাথীর্ অর্থি জানান, পাঠ্য পুস্তকে বিভিন্ন পাখির নাম শোনা যায়। অথচ সেগুলো আর চোখে দেখা যায় না। এসব পাখির অভয়ারণ্য সৃষ্টি করাসহ পাখি শিকার বন্ধের দাবী জানান শিক্ষার্থীরা।

পাখি প্রেমি গাংনীর সাহারবাটির ফিরোজ আলী জানান, জেলায় যে সকল দর্শনীয় স্থান রয়েছে সেখানে কৃত্রিমতায় ভরপুর। জীব বৈচিত্র রক্ষায় আধুনিক বনায়নের পরামর্শও দিয়েছেন পাখি প্রেমিরা। সেই সাথে ক্ষেত খামারে কীটনাশকের অপপ্রয়োগ বন্ধেরও দাবী জানান তারা।

মেহেরপুর বাড্স ক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাজেদুল হক মানিক জানান, আগে সব জায়গায় ঘন জঙ্গল ছাড়াও বিভিন্ন প্রকার ফল গাছ ছিল। সেই সব গাছের ফল খেয়ে তারই শাখায় বাসা বেধে থাকতো বিভিন্ন প্রজাতির পাখি।

অবাধে বনাঞ্চল ধ্বংস হওয়ায় এবং দেশী প্রজাতির গাছ না লাগানোর কারণে পাখিরা খাবার সংকট ও বংশ বিস্তার করতে পারছে না। ফলে জীব বৈচিত্র বিলুপ্ত হচ্ছে। পাখি রক্ষায় দেশীয় প্রজাতির গাছ রোপণের পরামর্শ দিলেন এই পাখি বিশারদ।

গাংনী উপজেলা বন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামাল হোসেন জানান, জীব বৈচিত্র রক্ষায় নতুন নতুন বনভূমি সৃষ্টি ছাড়াও বাড়ি বাড়ি ফলজ গাছ রোপনের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। এ ছাড়াও কোন বণ্য প্রাণি যাতে কেউ হত্যা বা শিকার না করতে পারে সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রয়েছে।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।