সেলিম রেজা, শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ
শহীদ জিয়ার আদর্শ বুকে ধারণ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির রাজনীতির সাথে জরিয়ে পড়েন সোনাউল্লা প্রামাণিক। বিএনপির রাজনীতি করার কারণেই স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ সরকারের শাসনকাল বিগত ১৭ বছরে তিনটি মামলার আসামী করা হয় সানাউল্লা প্রামাণিককে।
এরমধ্যে, আওয়ামীলীগ নেতার হাত কাটা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে, তিন দিনের রিমান্ডসহ ৪১ দিন কারাবাসে ছিলেন তিনি।
বগুড়ার শেরপুর উপজেলার খামারকান্দি ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও খামারকান্দি ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি সোনাউল্লা প্রামানিক গত ৯ মাস হলো ব্রেন স্ট্রোক করে প্যারালাইজড অবস্থায় বিছানায় পড়ে আছেন। কেউ তার চিকিৎসায় এগিয়ে আসছেননা।
এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি, বগুড়া জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ফজলুর রহমান খোকনের দৃষ্টিগোচর হয়।
গত ১২ জুলাই শনিবার সকালে ফজলুর রহমান খোকনের প্রতিনিধি শেরপুর উপজেলা যুবদলের অন্যতম সদস্য মোঃ আতিকুর রহমান সোনাউল্লা মেম্বারকে দেখতে যান এবং তার শারিরীক অবস্থার খোঁজ খবর নেন সেই সাথে চিকিৎসার জন্য নগদ অর্থ প্রদান করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির অন্যতম সদস্য হাসানুল মারুফ শিমুল, খামারকান্দি ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাবেক ইউপি সদস্য মো. আমিনুল ইসলাম, ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মোয়াজ্জেম হোসেন খোকন,
৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. লিটন আজম, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মো. আব্দুর রউফ, বিএনপি নেতা আমিনুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোমিনুল ইসলাম, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকদলের আহ্বায়ক মোমিনুল ইসলাম, যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল করিম,
কৃষক দলের সাবেক সভাপতি আজাহার আলী রাজা, ৮নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য কৃষকদল নেতা মো. পলাশ, মোয়াজ্জেম, ফরহাদ, রাকিবুল ইসলাম, বেলাল, আবু রায়হান, ফরিদুল, সুমনসহ আরো অনেকে।