ফয়সাল হোসাইন সনি, বগুড়া প্রতিনিধিঃ
বগুড়া শহরের কৈগাড়ী পূর্বপাড়া এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে তিন পরিবারের ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই। ঘর-বাড়ী ও সমস্ত আসবাবপত্র হারিয়ে অসহায় পরিবারটি খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে।
শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুর ১ টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এঘটনায় ওই এলাকার বিধবা তিন অসহায় নারী সমস্ত আসবাবপত্র ও নগদ টাকা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
অসহায় তিন বিধবা নারী হলেন, কৈগাড়া পূর্বপাড়া এলাকার আমেনা বেগম, সাফিয়া বেগম ও হামিদা বেগম
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, বাড়িতে আগুন দেখে আমরা ছুটে আসি। তবে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেও পারিনি। আগুনের তাপের কারণে আমরা কাছে যেতে পারেনি। এতে পরিবারটির ঘরের আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ঘর থেকেই কিছুই উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
এতে ঘরের আসবাবপত্র, নগদ টাকা-পয়সা সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। পরিবারটি সব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, তারা তিনটি পরিবারই খুবই অসহায়। তাদের স্বামী না থাকায় অন্যের জমিতে ঘর তুলে বসবাস করছেন।
তাদের পরিবারের রোজগারের মানুষ না থাকায় তারা নিজেরাই রাস্তার পাশে ছোট্ট টং দোকানে শাক-সবজি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। এমন মর্মাহত ঘটনায় ভেঙ্গে পড়েছেন তিনটি পরিবারই।
ক্ষতিগ্রস্ত আমেনা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আগুন দেখে বাড়িতে ছুটে এসে দেখি সব পুড়ে গেছে। থাকার মতো কোনো উপায় নেই। আমরা খুব গরিব-অসহায়। আমরা নিঃস্ব হয়ে গেলাম।’
এ বিষয়ে বগুড়া সদর ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ শহিদুল ইসলাম বলেন, অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে আসার চেষ্টা করি। কিন্তু শহরে কিছু যানজট হওয়ার কারণে আমাদের আসতে কিছুটা বিঘ্ন ঘটে। তবে খুব দ্রুত এসেই আগুন নিয়ন্ত্রণ করি।
তিনি আরো জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। অগ্নিকাণ্ডে ৮ থেকে ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে এ অগ্নিকাণ্ডে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

এই সময়ের মধ্যে নির্বাচন করা সম্ভব বলে কি আপনি মনে করেন?