ছাইদুল ইসলাম, ধামইরহাট প্রতিনিধি( নওগাঁ)
নওগাঁর ধামইরহাটে বিভিন্ন বয়সী মানুষের বিনোদনের একমাত্র জায়গা হয়ে উঠেছে প্রাকৃতিক পরিবেশে ঘেরা আলতাদিঘী জাতীয় উদ্যান। ২০১১ সালে জাতীয় উদ্যানের তকমা পান এই শালবন ঘেরা বনটি।প্রতিবছরের ন্যায় এবারে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আলতাদিঘী জাতীয় উদ্যান পর্যটকদের মন কেড়ছে ভিন্নমাত্রায়। পর্যটকদের পুরো শালবন এক সঙ্গে চোখ মেলে দেখার জন্য নিদারুণ সৌন্দর্যে ঘেরা আলতাদিঘী জাতীয় উদ্যানে গড়ে তোলা হয়েছে ৭২০ ফিট উচ্চতায় একটি ওয়াচ টাওয়ার। তাছাড়া বাচ্চাদের খেলার জন্য রয়েছে ইলেকট্রিক ট্রেন সহ বেশ কয়েকটি রাইডার।
নওগাঁ জেলার একিবারে উত্তরে ভারত সিমান্তের কোল ঘেষে ধামইরহাট উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভিদে পরিপূর্ণ প্রায় ২৬৫ হেক্টর জমিতে গড়ে উঠা বনভূমির ঠিক মাঝ খানে অবস্থিত প্রায় ৪৩ একর জমি নিয়ে সুবিশাল এই আলাতাদিঘী।
আর দিঘীর দক্ষিন ও পূর্ব পার্শ্বে গড়ে উঠেছে বেশ কয়েকটি খাবার দোকান।এখানে অনায়াসে পাবেন ফুসকা,চটপটি,চা কফি সহ হরেক রকমের খাবার।
জাতীয় উদ্যান আলতাদিঘী ঘুরতে দেখা মিলল নিভৃত পল্লীতে গড়ে তোলা এক মিনি চাইনিজ রেস্টুরেন্টস “কূড়ে ঘর” নামের খাবার দোকান।
কথা হয় কুঁড়েঘর এর উদ্যোক্তা হিসেবে ৩জন বন্ধু যথাক্রমে ১)মো,সাজেদুর রহমান ২)মো,আনিছুর রহমান ৩)মো,আল-আমীন মিলে তৈরী করেছেন আলতাদিঘী কুঁড়েঘর রেষ্টুরেন্ট। পড়াশোনার পাঠ চুকিয়ে চাকরির পিছনে না ছুটে নিজরাই হয়ে যান উদ্যোক্তা। ইতিমধ্যে দর্শনার্থীদের মাঝে আলতাদিঘী ও শালবনের সৌন্দর্য আরো দ্বিগুন ভাবে বাড়িয়ে তুলেছে এই কুঁড়েঘর।
কথা হয় কুড়েঘর এর প্রধান উদ্যোক্তা মো,সাজেদুর রহমানের সঙ্গে, তিনি বলেন কুড়েঘর নির্মাণে বাহিরের অংশ তৈরীতে পুরোটায় ব্যবহার করা হয়েছে আমাদের দেশিয় বাঁশ এবং উপরের ছাউনিতে টিনের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়েছে খড়ের চাল।ভ্রমণ পিপাসুরা যাতে গ্রামীণ পরিবেশ ও ইট পাথরের নগর ছেড়ে কিছুটা শান্তিতে ঈদ পালন করতে পারে এবং নিভৃত পল্লীতে ও পরিবার পরিজন নিয়ে ভালো খাবার পায় এই উদ্দেশ্যে আমাদের এই কুঁড়েঘর রেস্টুরেন্ট।
সকল শ্রেনীপেশার পর্যটকদের মনে বাঁশ, খড় ও বেতসহ নানান দেশীয় সরঞ্জামাদী দিয়ে তৈরী রেষ্টুরেন্ট নতুন করে সাড়া ফেলাবে এমন প্রত্যাশা উদ্যোক্তাদের।
উদ্যোক্তরা জানান গত রমজানে কুঁড়েঘরের উদ্বোধন করা হয়েছে এবং পবিত্র ঈদকে সামনে রেখে আমরা কুড়ঘর এ বিভিন্ন রকম ডেকুরেশনের কাজ করেছি,আশা রাখছি ভ্রমনপিপাসুদের নজর কাড়বে। দর্শনার্থীরা আমাদের কুঁড়েঘরে পাবেন বিভিন্ন বার্গার, পিজ্জা, চাওমিন, পাস্তাসহ নানান রকমের খাবার । পরিবার পরিজন নিয়ে মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে সময় কাটানোর পাশাপাশি স্বল্প মূল্যে দেশী-বিদেশী খাবারের স্বাধ নিতে আপনাকে অবশ্যই আসতে হবে শালবন ঘেরা জাতীয় উদ্যান আলতা দিঘির কুঁড়েঘর রেস্টুরেন্টে।

এই সময়ের মধ্যে নির্বাচন করা সম্ভব বলে কি আপনি মনে করেন?