শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

বাংলাদেশ শুধু শেখ মুজিবের না: সমন্বয়ক হান্নান

বাংলাদেশ মানে শুধু শেখ মুজিব নয়। বাংলাদেশ মানে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শেরেবাংলা একে ফজলুল হক, মেজর জিয়াউর রহমান, মওলানা ভাসানীও বটে বলে মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসুদ। শনিবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে নোয়াখালীর সেনবাগ সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ছাত্র-জনতার সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান বলেন, ‘১৯৭১ সালে […]

নিউজ ডেস্ক

১৯ অক্টোবর ২০২৪, ১৮:৫৫

বাংলাদেশ মানে শুধু শেখ মুজিব নয়। বাংলাদেশ মানে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শেরেবাংলা একে ফজলুল হক, মেজর জিয়াউর রহমান, মওলানা ভাসানীও বটে বলে মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসুদ।

শনিবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে নোয়াখালীর সেনবাগ সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ছাত্র-জনতার সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান বলেন, ‘১৯৭১ সালে রক্ত দিয়ে স্বাধীনতা আনা হয়েছিল। ৭২ থেকে ৭৫-এ মুজিবের শাসনামলে মুজিববাদের মাধ্যমে, রক্ষী বাহিনীর মাধ্যমে; ব্যক্তি স্বাধীনতা, বেঁচে থাকার স্বাধীনতা, খাদ্যের স্বাধীনতাসহ সব স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়। আমরা মুজিববাদের কথা বলব। একাত্তরের আগের শেখ মুজিব আর ৭২ থেকে ৭৫-এর শেখ মুজিবের কথা বলব। আমাদের বারবার ইতিহাসে শেখ মুজিবকে একজন আইডল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হয়। আমাদের শিক্ষা দেওয়া হয় বাংলাদেশ মানে শেখ মুজিব। বাংলাদেশ মানে শেখ পরিবার। বাংলাদেশ মানে শেখ কামাল। বাংলাদেশ মানে শেখ হাসিনা। কিন্তু আমরা তরুণ প্রজন্ম ২৪ এর গণবিপ্লবে অংশগ্রহণ করে আমরা এই জাতির কাছে হিস্যা চাইব, আমরা হিস্যা চাইব, ঐতিহাসিক হিস্যা।

তিনি বলেন, এই বাংলাদেশর ইতিহাসে অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর হিস্যা চাইব, আমরা হিস্যা চাইব শেরেবাংলা একে ফজলুল হকের হিস্যা; আমরা চাইব মওলানা ভাসানীর হিস্যা, আমরা ঐতিহাসিক হিস্যা চাইব, মেজর জিয়াউর রহমানের হিস্যা; মেজর জলিলের হিস্যা।

‘বাংলাদেশ মানে শুধু শেখ মুজিব নয়। বাংলাদেশ মানে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীও বটে; বাংলাদেশ মানে শেরে বাংলা একে ফজলুল হকও বটে; বাংলাদেশ মানে মেজর জিয়াউর রহমানও বটে; বাংলাদেশ মানে মওলানা ভাসানীও বটে বলে মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসুদ।’

তিনি আরও বলেন, আমার দেশের একজন বীরকেও যদি অসম্মান করা হয়; তাহলে আমাদের জাতীয় পতাকাকে অসম্মান করা হয়, তাহলে আমাদের মানচিত্রকে অসম্মান করা হয়। ৭ মার্চের সরকারি ছুটি বাতিল মানে ৭ মার্চকে অস্বীকার করা নয়। শেখ হাসিনা ৯৬ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিল; সে কি ৭ মার্চকে তখন সরকারি দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছিল?

হান্নান বলেন, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে এই দেশে সব মানুষ দল-মত নির্বিশেষে একত্র হয়ে; ধর্ম বর্ণ একত্রিত হয়ে রাজপথে নেমেছিল বলেই ১৬ বছর ধরে এদেশের মানুষের ঘাড়ে চেপে বসা ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতন ঘটানো সম্ভব হয়েছে। একতাবদ্ধ বাঙালিদের একতা কেউ ভাঙতে পারবে না। তাদেরকে আটকে রাখতে পারবে না। তার প্রমাণ ২৪-এর বিপ্লব।

হান্নান আরও বলেন, ১৬ বছর ধরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এই ফ্যাসিস্ট হাসিনার বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল বলেই ২৪-এ ছাত্র জনতার নেতৃত্বে এ অসাধ্য সাধন করা সম্ভব হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলো যদি গত ১৬ বছরে বিক্রি হয়ে যেত, তাহলে আমরা ২৪-এ এসে গণঅভ্যুত্থান করতে পারতাম না। আমরা যখন গণঅভ্যুত্থানের ডাক দিয়েছি রাজনৈতিক দলগুলো আমাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছিল বলেই আমরা গণঅভ্যুত্থান করতে পেরেছি। এই বাংলাদেশের মানুষ, বারবার জীবন দিয়েছে, বারবার তাদের স্বাধীনতা তারা অর্জন করে নিয়েছে। এই বাংলাদেশের মানুষ কখনো কারও কাছে নত হয় নাই। বাংলাদেশের ইতিহাস মাথানত না করার ইতিহাস। মাথা উঁচু করে কীভাবে বাঁচতে হয়, বাংলাদেশের মানুষ বিশ্বের কাছে তার উদাহরণ। বারবার লড়াই করে, বারবার রক্ত দিয়ে তারা তাদের স্বাধীনতাকে বাঁচিয়ে রাখে।

তিনি বলেন, ১৮৫৭ সালে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলার সাহস করছিল না। তখন তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরেছিল সিপাহিরা। প্রীতিলতা রক্ত দিয়েছে, সূর্যসেন রক্ত দিয়েছে, তিতুমীর রক্ত দিয়েছে, হাজী শরীয়তুল্লাহ রক্ত দিয়েছে। সেই লড়াই এর বিনিময়ে ১৯৪৭ সালে এসে একবার আমরা স্বাধীনতা পেয়েছিলাম। ১৯৪৭ সালের সেই স্বাধীনতা এনেছিল হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী শেরেবাংলা একে ফজলুল হক। এদেশের মানুষ ভেবেছিল পাকিস্তান গঠনের মাধ্যমে উপমহাদেশের মুসলিমরা স্বাধীনতা পাবে। তাদের অধিকার ফিরে পাবে। কিন্তু তারা ভুল প্রমাণিত হয়েছিল। আবার আমাদের ঘাড়ে বসেছিল পাকিস্তানি শোষকরা। পাকিস্তানি শাসক ও শোষকদের নির্যাতনের কারণে আমাদের মোহ ভঙ্গ হয়। তারআগে একবার আমাদের এখানে স্বাধীনতার আলাপ উঠেছিল। পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলাদেশকে শাসন করা হতো এবং শোষণ করা হতো। তৎকালীন বুদ্ধিজীবীরা, তৎকালীন নেতৃত্ব পূর্ববঙ্গকে আলাদা করে বঙ্গভঙ্গ করেছিল ১৯০৫ সালে। কিন্তু সেই পশ্চিমবঙ্গে দাদাদের চাপে ব্রিটিশরা বঙ্গভঙ্গ রদ করে এই দেশের স্বাধীনতাকে আরেকবার হনন করে।’

সমাবেশে ছাত্র-জনতার পাশাপাশি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নোয়াখালী জেলার নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।